আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

জিনিয়াস পুরস্কার ও শিশু উৎসবে মেয়র রেজাউল

দেশ ও জাতিকে সঠিক পথের দিশা দিতে পারে মেধাবীরাই

নিজস্ব প্রতিবেদক

জিনিয়াস মেধাবৃত্তি পুরস্কার ও শিশু উৎসবে মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে ল্যাপটপ তুলে দিচ্ছেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী ও অতিথিরা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, দেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে উন্নীত করতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অপরিসীম। আর মেধাবীরাই দেশ ও জাতিকে দিতে পারে সঠিক পথের দিশা। তাই নীতির প্রশ্নে অটুট থেকে আত্মকেন্দ্রিকতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের যোগ্য মানুষ হয়ে আলোকিত সমাজ ও দেশ গড়ার ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে চট্টগ্রাম নগরের এলজিইডি মিলনায়তনে জিনিয়াস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত মেধাবৃত্তি পুরস্কার বিতরণ ও শিশু উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জীবনে বড় হতে হলে লেখাপড়ার বিকল্প নেই উল্লেখ করে মেয়র আরও বলেন, আজকের মেধাবীরা আগামী দিনের সম্পদ। আজকে যারা ভালো রেজাল্ট করেছে তারা একদিন দেশকে নেতৃত্ব দিবে। তাই সুস্থ ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মেধা বিকাশ ঘটানোর সুযোগ অবারিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জিনিয়াস মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের জন্য সময়োপযোগী এবং শিক্ষাবান্ধব একটি উদ্যোগ। আমি জিনিয়াসের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) প্রফেসর ড. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, জাতিকে সঠিক বন্দরে পৌঁছে দিতে হলে লেখাপড়া করে মানুষের মত মানুষ হতে হবে। দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার গুণাবলী অর্জন করতে হবে। সুশিক্ষাই কেবল দেশ ও জাতিকে সঠিক পথের দিশা দিতে পারে। তাই সবাইকে সুশিক্ষা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে।
জিনিয়াস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম আর আজিমের সভাপতিত্বে ইফতেখার হোসেন তিশন ও বিলকিছ আকতারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিনিয়াস প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সাংবাদিক সরোজ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ, সিপ্লাসটিভি ও চাটগাঁ নিউজের প্রধান সম্পাদক আলমগীর অপু, জিনিয়াস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন বিপ্লব মিত্র, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য লায়ন আফসার হোছাইন চৌধুরী, লায়ন অনুপ কুমার রায়, লায়ন সমর কুমার দে প্রমুখ।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ বলেন, আজকের মেধাবীরা একদিন দেশকে নেতৃত্ব দিবে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হবে। দেশের উন্নয়নে তারা মেধা ও মননশীলতার পরিচয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে জিনিয়াস ফাউন্ডেশনের প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবিদার।

সভাপতির বক্তব্যে এম আর আজিম বলেন, দেশের আগামী প্রজন্মকে নানা উৎসাহমূলক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। শুরু থেকে শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তোলা সম্ভব না হলে মেধা ও মননে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা শিশুদের মধ্যে যখন জ্ঞানের আলো দিতে পারবো তখনই তারা নিজেদের মধ্যে শক্তি খুঁজে পাবে।
অনুষ্ঠানে জিনিয়াস সদস্য সচিব মিয়া এমএ করিম, যুগ্ম সদস্য সচিব সুশান্ত কুমার শীল, সাংগঠনিক সম্পাদক রিদওয়ানুল হক, রাশেদুল আলম চৌধুরী, দিদারুল আলম, ইমতিয়াজ রহমান খান, সানজিদা শাহরিন, তানজিম আহমেদ, সাঈদ মো. সাইমুন সাকিবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে চট্টগ্রাম মহানগরের প্রায় একশ’ স্কুলের কে জি থেকে অষ্টম শ্রেণির চার শতাধিক মেধাবি শিক্ষার্থীর হাতে সনদ, ক্রেস্ট, ল্যাপটপ, নগদ অর্থ ও ব্যাগসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন অতিথিরা। জিনিয়াস মেধাবৃত্তি পুরস্কার ও শিশু উৎসবে মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে ল্যাপটপ তুলে দিচ্ছেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী ও অতিথিরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ফেব্রুয়ারি ৪৪৮ দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার :বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ০৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৪ জন ও আহত ০৫ জন হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১১৯৭ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ০৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ০২ জন সাংবাদিক, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, ০৩ জন সেনা সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০২ জন আনসার সদস্য, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৪ জন শিক্ষক ও ০৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.২২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা।
২. সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল।
৩. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৪. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁেকর সৃষ্টি।
৫. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৬. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৮. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় উন্নত বিশ্বের নীতি ও কৌশল অনুসরন করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির জন্য চালকদের ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা।
৩. সিসি ক্যামরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইনের প্রসিকিউশন পদ্ধতি চালু করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করা।
৮. সারাদেশে উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবত ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।
১১. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা ।
১২. বিআরটিএ ও ট্রাফিক বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১৩. রাজধানীসহ দেশের সকল নগরীতে করিডোর ভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা।
১৪. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী দক্ষ ও অভিজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ লোকজনদের সমন্ময়ে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ