আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

কোটা পুনর্বহাল আদেশের বিরুদ্ধে গৌরীপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ওবায়দুর রহমান গৌরীপুর ময়মনসিংহ।

ময়মনসিংহ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হাইকোর্ট কর্তৃক প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল আদেশের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সর্বস্তরের ছাত্র সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ জুন) সকাল ১১ টায় উপজেলার পৌর শহরের হারুন পার্কের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়-বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ‘১৮ এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘সারা বাংলা খবর দে, কোটা প্রথার কবর দেয়’ ইত্যাদি শ্লোগানযুক্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিদুওয়ানুল হাসান ফাহাদ, মোঃ আশিকুর রহমান রাজিব, মোঃ মোজাম্মেল হক, মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, মেহেদী হাসান, মোঃ মনির, রাজিবুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, ফাহিম, রাজন প্রমুখ।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘জনগণের জন্য হাইকোর্ট, জনগণের জন্য আইন, আইন সংশোধন করে হাইকোর্টের এই রায় আপনারা বাতিল করবেন। এই রায় বাতিল না করলে আমরা কঠোর কর্মসূচী পালন করবো।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা বাংলার ছাত্র সমাজ, আমরা বাংলার ছাত্র, আমরা দেখিয়ে দিয়েছি এর আগে বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে কিভাবে আমাদের অধিকার আদায় করতে হয়। যারা উপর মহলে আছেন, যারা এইটার দায়িত্বে আছেন তাদের উদ্দেশ্যে করে তারা বলেন, সারা বাংলায় আপনারা ছাত্রদের রাজপথে নামাবেন না। আমরা কৃষকের সন্তান। আমরা আমাদের পরিশ্রম দিয়ে বাবার খেত-খামারে কাজ করা টাকা দিয়ে পড়াশোনা করে, মেধা অর্জন করে তারপর যাই একটা সরকারি চাকরির আশায়। আপনারা কি করেন সেখানে কোটা তৈরি করেন। একটি দেশের সরকারি চাকরিতে ৫৬% কোটা দিয়ে চাকরি হয় আর মাত্র মেধাবীদের জন্য ৪৪% হয়।
এ সময় বক্তারা আরো বলেন, সরকারি নিয়োগগুলো হবে মেধার ভিত্তিতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কোটা প্রথা চালু রয়েছে কিন্তু আমাদের দেশের মতো এত বড়ো বৈষম্য কোথাও দেখি না। মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন, তাদেরকে স্যালুট জানাই, সম্মান করি। তাদেরকে পারিবারিকভাবে সরকার সহযোগিতা করছে। কিন্তু তাদের নাতি-নাতনিদের পর্যন্ত কোটা দিতে হবে এটাকে আমরা মানতে পারি না, মানতে পারবো না। এটা একটা চরম বৈষম্য, এই বৈষম্য আমরা কখনো মেনে নেবো না। আপনারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে সিদ্ধান্তকে অচিরেই বাতিল করতে হবে।
হাইকোর্টের এই রায় বাতিল না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্ররা।
উল্লেখ্য যে, সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র গত ৫ জুন অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এই রুলটিকে যথাযথ বলে ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ