আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ৪ হাজার ৯ কোটি ২০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ১৬ জুলাই দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনের সভা কক্ষে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এই বাজেট ঘোষণা করা হয়।উক্ত বাজেটে রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া মশক নিধন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।উক্ত অনুষ্ঠানেসিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নগর মাতা জায়েদা খাতুন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক মেয়র ও বর্তমান মেয়রের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
এ সময় আরো যারা উপস্থিত ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও কাউন্সিলরবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দুই প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪০ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে ২১টি পদের জন্য ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। উক্ত নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে সমিতির নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত তালিকায় দুটি প্যানেলের এই ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে দুই প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচারণায় আদালত এলাকা সরগরম হয়ে উঠেছে।

সমন্বয় পরিষদ সূত্র জানিয়েছে, সমন্বয় পূর্ণ প্যানেল দিয়েছিল। কিন্তু দুই সদস্যের মনোনয়নপত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়। বর্তমানে এই প্যানেলে সম্পাদকীয় ১০টি পদে ও সদস্যপদে নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট উত্তম কুমার দত্ত বলেন, বর্তমানে সম্পাদকীয় ১০টি পদে প্রার্থী সংখ্যা ২০ ও নির্বাহী সদস্যপদের ১১ পদে প্রার্থী ২০ জন।
নির্বচন কর্মকর্তা এডভোকেট তারিক আহমেদ বলেন, মনোনয়নপত্রে সমর্থকের নাম ঠিকানা ও সমর্থক আইনজীবীর লিন নম্বর (আইনজীবী পরিচিতি নম্বর) সঠিক না থাকা এবং গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু ত্রুটির কারণে দুই সদস্যপদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল।

জানা গেছে, বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল আইনজীবী ঐক্য পরিষদ নামে যৌথ প্যানেল ঘোষণা করে নির্বাচনী প্রচারণায় মেতেছে। প্যানেল ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদও।
এদিকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবধারা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী দাবি করা আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সম্পাদকীয় ১০টি ও নির্বাহী সদস্যের ১১টির মধ্যে সবকটি পদে প্রার্থী দিয়েছে। অপরদিকে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করা আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সম্পাদকীয় ও নির্বাহী সদস্যপদের সবকটিতে প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু কিছু ত্রুটির কারণে নির্বাচন কমিশন নির্বাহী সদস্যপদের দু’জনের প্রার্থিতা বাতিল করে।
দুই প্যানেলসূত্রে জানা গেছে, আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্যানেলের নাম সাত্তার-হাসান-বারী প্যানেল এবং সমন্বয় পরিষদ রশীদ-জাবেদ-মাহতাব নামে প্যানেল ঘোষণা দিয়েছে। আইনজীবী ঐক্য পরিষদ প্যানলের এডভোকেট আব্দুস সাত্তার সভাপতি, মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক ও ফজলুল বারী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের এডভোকেট মো. আব্দুর রশীদ সভাপতি, মো. ফখরুদ্দিন জাবেদ সাধারণ সম্পাদক ও মাহতাব উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঐক্য পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী মোহাম্মদ সিরাজ, সহ-সভাপতি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল বারী, অর্থসম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফি বিনতে মোতালেব, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল জব্বার, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনজুর হোসেন।নির্বাহী সদস্য আছমা খানম, মো. শাহেদ হোসেন, এহছান উল্লাহ মানিক, মোহাম্মদ মোরশেদ, বিবি ফাতেমা, মেজবাহ উল আলম এমিন, মির্জা মো. ইকবাল, হেলাল উদ্দিন, মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী, রাহেলা গুলশান ডালিয়া ও মো. রোবায়তুল করিম।

সমন্বয় পরিষদের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম, সহ-সভাপতি জামাল হোসেন, অর্থসম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ কাদের আলী শাহ আরমান, পাঠাগার সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফৌজিয়া আফরোজ, ক্রীড়া সম্পাদক এজেএম রাবেত হোসাইন, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মো. রবিউল আলম। নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল মাওয়া কাজল, পারভীন আক্তার পাপিয়া, মোহাম্মদ শাহ মোয়াজ্জেম, মনির আহমেদ মামুন, কাজী শাহেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মো. বাবুলুর রশীদ, শাহাদাত হোসেন ও মো. ইমরান উদ্দিন।

রূপগঞ্জে বেনজিরের জব্দ করা সেই বাড়িতে এবার তল্লাশি চালাচ্ছে দুদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিং এ থাকা প্রায় ২৪ কাঠার জব্দ করা ডুপ্লেক্স বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে দুদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ‘র করা মামলায় মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে ১০ জুলাই বুধবার দুপুরে এ বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশি শেষে সাংবাদিকদের দুদক’র নারায়ণগঞ্জ‘র সমণ্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচলাক মঈনুল হাসান রওশনী জানান,ভিতরে আমরা তেমন কিছু পাইনি একটি সাধারণ পরিবারের যেরকম আসবাবপত্র থাকে যেমন টিভি, ফ্রিজ, এসি, ও বিভিন্ন ব্যবহার সামগ্রী আসবাবপত্র ইত্যাদি।

এদিকে বাড়িটি ঘিরে নানা রহস্য ও জবর দখলের শিকার হওয়া স্থানীয় জমি মালিক ও বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ও সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা। তবে তল্লাশি চলাকালে গণমাধ্যম কর্মীদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

এর আগে দুদক’র নারায়ণগঞ্জ‘র সমণ্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচলাক মঈনুল হাসান রওশনী আজ (৬ জুলাই) দুপুরে রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িতে আদালতের নির্দেশে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি সাঁটানো হলো।

ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন, দুদকের উপ-পরিচালক মঈনুল হাসান রওসানী, নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব শফিকুল আলম, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আহসান মাহমুদ রাসেল, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সিমন সরকারসহ আরো অনেকে।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুন আদালত তৃতীয় দফায় বেনজীরের আরও বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ করেছেন। সে তালিকায় এ বাংলোটিও রয়েছে। এরপর বাড়িটি দেখভালের জন্য জেলা প্রশাসককে রিসিভার নিয়োগ দেন আদালত। বাংলোটির মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ