আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অসহযোগ আন্দোলন

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ

প্রতিরোধে গৌরীপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোটাবিরোধী আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গৌরীপুর উপজেলা লীগ।
রবিবার (৪ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরস্থ জাতীয় সংসদ সদস্যের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধানমহালস্থ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শেষ হয়।
পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি’র সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, যারা এই সকল ঝড় ঝঞ্জা উপেক্ষা করে ও সকল বিপদ মোকাবেলা করে সব সময় বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল আদেশ-নির্দেশ ও লড়াই সংগ্রামে এক থেকে প্রতিমূহুর্তে আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি তেমনি আজকেও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সারা বাংলাদেশ থেকে বিএনপি-রাজাকার ও তার দোসর জামায়াত শিবিরকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমরা সর্বোচ্চটুকু ধৈর্য্য দেখিয়েছি। নেত্রী শেখ হাসিনা তাদের প্রতিটি দাবী মেনে নিয়েছেন, সহনশীলতা দেখিয়েছেন, উদারতা দেখিয়েছেন, তাঁর এই উদারতাকে অনেকেই মনে করেছে দুর্বলতা। জননেত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু তাদের আদর্শের প্রতিটা সৈনিক প্রতি মূহুর্তে প্রমাণ করেছে তারা বাংলাদেশকে ও আওয়ামী লীগকে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে এক এবং ঐক্যবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত মনে করেছিলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে গেছে সেটা ভাবার কোন কারণ নাই। আজকে থেকে প্রতিটা মহল্লায়, ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিটা নেতা ও কর্মী, সংগঠনের প্রতিটা ভাই ও বোন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন, লড়াই-সংগ্রাম এবং উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার আদর্শে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জুয়েল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, আঃ মুন্নাফ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ম.নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম হবি, ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী, আল ফারুক, আব্দুল্লাহ আল আমীন জনি, আল মুক্তাদীর শাহীন, সালাহ উদ্দিন কাদের রুবেল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবুল হাশিম, সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর মিলন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ খান পাঠান সেলভী, গৌরীপুর সরকারি কলেজের সাবেক জি.এস মাজহারুল ইসলাম টুটুল, সাবেক কাউন্সিলর আঃ কাদির, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজিমুল ইসলাম শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রাসিকসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ-ঈদগাহ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত -৪।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের কলকতির ঝবঝবিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-মোঃ কামিল ইসলাম (৩০), মোঃ হাসমত আলী (৩৬), মোঃ বাকি বিল্লাহ এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৩৫)। আহতরা সকলেই জামায়াতের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও সেটি বহাল ছিল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে পূর্বের কমিটির সভাপতি পুনরায় একই পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে অন্য পক্ষ আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এদিকে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ এস এম আরাফাত ফয়সাল জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের আঘাত গুরুতর নয় এবং চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ