আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অসহযোগ আন্দোলন

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ

প্রতিরোধে গৌরীপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোটাবিরোধী আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গৌরীপুর উপজেলা লীগ।
রবিবার (৪ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরস্থ জাতীয় সংসদ সদস্যের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধানমহালস্থ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শেষ হয়।
পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি’র সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, যারা এই সকল ঝড় ঝঞ্জা উপেক্ষা করে ও সকল বিপদ মোকাবেলা করে সব সময় বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল আদেশ-নির্দেশ ও লড়াই সংগ্রামে এক থেকে প্রতিমূহুর্তে আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি তেমনি আজকেও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সারা বাংলাদেশ থেকে বিএনপি-রাজাকার ও তার দোসর জামায়াত শিবিরকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমরা সর্বোচ্চটুকু ধৈর্য্য দেখিয়েছি। নেত্রী শেখ হাসিনা তাদের প্রতিটি দাবী মেনে নিয়েছেন, সহনশীলতা দেখিয়েছেন, উদারতা দেখিয়েছেন, তাঁর এই উদারতাকে অনেকেই মনে করেছে দুর্বলতা। জননেত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু তাদের আদর্শের প্রতিটা সৈনিক প্রতি মূহুর্তে প্রমাণ করেছে তারা বাংলাদেশকে ও আওয়ামী লীগকে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে এক এবং ঐক্যবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত মনে করেছিলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে গেছে সেটা ভাবার কোন কারণ নাই। আজকে থেকে প্রতিটা মহল্লায়, ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিটা নেতা ও কর্মী, সংগঠনের প্রতিটা ভাই ও বোন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন, লড়াই-সংগ্রাম এবং উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার আদর্শে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জুয়েল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, আঃ মুন্নাফ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ম.নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম হবি, ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী, আল ফারুক, আব্দুল্লাহ আল আমীন জনি, আল মুক্তাদীর শাহীন, সালাহ উদ্দিন কাদের রুবেল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবুল হাশিম, সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর মিলন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ খান পাঠান সেলভী, গৌরীপুর সরকারি কলেজের সাবেক জি.এস মাজহারুল ইসলাম টুটুল, সাবেক কাউন্সিলর আঃ কাদির, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজিমুল ইসলাম শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রাসিকসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চমেক হাসপাতালে কারাবন্দী ক্যানসারাক্রান্ত আ.লীগ নেতার মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭০ বছর বয়সী এই নেতা ক্যানসারে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত আবদুর রহমান মিয়া (৭০) চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ পূর্ব মহুরী পাড়ার বাসিন্দা। তিনি ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এদিকে আবদুর রহমান মিয়ার মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মারামারি, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলার আসামি হিসেবে পুলিশ আবদুর রহমান মিয়াকে গ্রেফতারের পর গত বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। ২৪ ডিসেম্বর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। তিন সপ্তাহ চিকিৎসার পর ১৮ জানুয়ারি তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।এরপর আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৬ জানুয়ারি তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ বলেন, দুই মাস আগে উনি (আবদুর রহমান মিয়া) কারাগারে আসেন। বয়স ৭০ হয়ে গেছে। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তবে মূল সমস্যা ছিল ফুসফুসের ক্যানসার। কারাগারে আসার পর থেকে তিনি প্রায়ই হাসপাতালে ছিলেন। শনিবার তিনি মারা গেছেন।

কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে: মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি।বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করা হবে। পাশাপাশি মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। তিনি দাবি করেন, শিক্ষিত বেকারদের এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

মহাসচিব বলেন, আমরা যা বলি তা কাজে করে দেখাই। বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে আপনাদের সঙ্গে রয়েছি, নির্বাচন হেরেছি কিন্তু আপনাদের ছেড়ে কখনো চলে যাইনি। বিজয়ী হয়েছি, আপনাদের সঙ্গে ছিলাম কাজ করেছি। তাই অন্য যে প্রার্থী রয়েছে তাদেরকে আপনারা ভোট দেবেন না কি আমাকে দেবেন সেটি আপনাদের বিবেচনায় রেখে দিলাম।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছেন সৎ থাকবেন সততার সঙ্গে দেশের কাজ করবেন। এক সময় দেশে আওয়ামী লীগের শেখ মুজিব ছিলেন, সে সময় দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তাদের ব্যর্থতার জন্য সেদিন দেশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশটাকে আবার ওপরের দিকে তুলে নিয়ে এসেছেন। বিএনপি শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে এবং সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে হিন্দু-মুসলিম সকলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ