আজঃ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল, ২০২৬

বোরহানউদ্দিনের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এএসটি সাকিল:-

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার ০৯ আগস্ট ২০২৪ খ্রি. বোরহানউদ্দিনের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করেছেন। পরে বিকেল ০৩:০০ টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক বোরহানউদ্দিনের ছাত্ররা “আমাদের দেশ আমরাই সাজাবো” স্লোগানকে কেন্দ্র করে শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রোজ্জ্বলন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং, পরিছন্নতা, সংখ্যা লঘুদের জানমালের নিরাপত্তা, মন্দির পাহারা সহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের সাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান আকাশ, আহমেদ শাকিল, শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ, মাসিউর রহমান মাটি, আবিদ, ফরহাদুর রহমান সোহান, আহসান উল্লাহ, রাজিব হোসেন জুনায়েদ, এম এমদাদ, জাহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম তুহিন, মুনসাদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বোরহানউদ্দিন রিপোর্টার্স ক্লাবে’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এএসটি আক্তার হোসেন সাকিল, দৈনিক সকালের দুনিয়া’র ভোলা জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইউসুফ হোসেন অনিক, বিডিক্লিনের উপ লজিস্টিক সমন্বয়ক (ভোলা) রায়হান খান তামিম সমন্বয়ক লজিস্টিক (বোরহানউদ্দিন) মাসুদ রানা, মোঃ নুরুদ্দিন, অনুদ্বীপসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মজুদ থাকা জ্বালানিতে চলবে ১৫ দিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ২৯ জোড়া ট্রেনে প্রতিদিন জ্বালানি প্রয়োজন ৮৩ হাজার লিটার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ও সংকট তৈরি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তা ও সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়তে পারে ট্রেন চলাচলে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করে আরও ৩০ জোড়া। সর্বমোট ২৯ জোড়া ট্রেন চলাচল করে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তথ্যমতে, পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য পূর্বাঞ্চলে প্রতি মাসে ২৫ লাখ লিটার হাইস্পিড ডিজেল প্রয়োজন হয়। এ হিসাবে প্রতিদিন জ্বালানি লাগে ৮৩ হাজার লিটার।
রেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ট্রেন পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে মজুদ থাকা ডিজেল দিয়ে ১৫ দিনের বেশি ট্রেন চালানো যাবে।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান গণপরিবহন হিসাবে রেলে সংকট নেই। জ্বালানির মজুদ কিছুটা কমে গেছে। জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এখনও ১৫-১৬ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত প্রায় এক মাসের জ্বালানি মজুদ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বাঞ্চলের জ্বালানির মজুদ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৫-১৬ দিনের জন্য প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লিটার ডিজেল মজুদ আছে। তবে কিছুটা অনিয়মিত হলেও বিপিসির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।

ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয় বলে জানা গেছে।

চমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুর মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে আসা শিশুটির বয়স নয় মাসের কম বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।এ নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে দু’দিনে দুই শিশু মারা গেল।

চমেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, শিশুটিকে বুধবার সন্ধ্যায় বেসরকারি পার্ক ভিউ হাসপাতাল থেকে আমাদের এখানে আনা হয়। এর পর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। রাতে শিশুটি মারা যায়।তিনি আরও বলেন, ‘হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটি ভর্তি হয়েছিল। নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হলেও এখনো তার প্রতিবেদন পাইনি।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক শিশুর মৃত্যু হয়। ওই শিশুটিও কক্সবাজার অঞ্চলের। তার বয়স ছয় মাসের কম বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৭৬ জন। তার মধ্যে ৪০ জন চমেক হাসপাতালে ভর্তি আছে। জেলায় ৮ শিশুর নমুনায় হাম শনাক্ত হয়েছে। হাম শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে ছয় জন নগরীর এবং দু’জন উপজেলার বাসিন্দা।
এছাড়া হাম শনাক্তের জন্য বুধবার চট্টগ্রাম জেলা থেকে ২০ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার পর্যন্ত ৯১ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জ্বর, সর্দি, কাশি, ও চোখ ওঠার মতো কোনো লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।’ যদি জ্বর না কমে বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ