আজঃ শুক্রবার ৩ এপ্রিল, ২০২৬

বোরহানউদ্দিনের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এএসটি সাকিল:-

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার ০৯ আগস্ট ২০২৪ খ্রি. বোরহানউদ্দিনের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করেছেন। পরে বিকেল ০৩:০০ টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক বোরহানউদ্দিনের ছাত্ররা “আমাদের দেশ আমরাই সাজাবো” স্লোগানকে কেন্দ্র করে শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রোজ্জ্বলন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং, পরিছন্নতা, সংখ্যা লঘুদের জানমালের নিরাপত্তা, মন্দির পাহারা সহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের সাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান আকাশ, আহমেদ শাকিল, শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ, মাসিউর রহমান মাটি, আবিদ, ফরহাদুর রহমান সোহান, আহসান উল্লাহ, রাজিব হোসেন জুনায়েদ, এম এমদাদ, জাহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম তুহিন, মুনসাদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বোরহানউদ্দিন রিপোর্টার্স ক্লাবে’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এএসটি আক্তার হোসেন সাকিল, দৈনিক সকালের দুনিয়া’র ভোলা জেলা প্রতিনিধি মোঃ ইউসুফ হোসেন অনিক, বিডিক্লিনের উপ লজিস্টিক সমন্বয়ক (ভোলা) রায়হান খান তামিম সমন্বয়ক লজিস্টিক (বোরহানউদ্দিন) মাসুদ রানা, মোঃ নুরুদ্দিন, অনুদ্বীপসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চলিতি বছরে উম্মুক্ত হচ্ছে চউক’র ৪ লেন সড়কে যান চলাচল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তপক্ষ (চউক) এর ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের কাজ দ্রুত গতিতে শেষ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত কাজ অব্যহত থাকলে চলতি বছরই এ সড়কে যান চলাচল করতে পারবে বলে জানা গেছে। চউকের ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ এই মেগা প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় আউটার রিং রোড প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের যান চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটি মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

চউক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির মাত্র ৬শ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় নতুন করে ছয় মাস সময় চাওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কালুরঘাট থেকে মাত্র ১০ মিনিটে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুসহ সন্নিহিত এলাকায় পৌঁছে যাওয়ার লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানা গেছে। নগরীর বিস্তৃত এলাকার জীবনমান এবং আবাসনসহ সার্বিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি শহর রক্ষা বাঁধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যেই বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটিতে পর্যটন এবং নগরবাসীর প্রাত্যহিক বিনোদনের জন্যও ব্যাপক আয়োজন রয়েছে। সাত কিলোমিটারের ওয়াকওয়েসহ নদীর পাড়ে মানুষের ‘শ্বাস ফেলার’ জায়গা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রকল্পটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের সংকটের মাঝে পড়ে। এরমধ্যে কোভিড পরিস্থিতিতে দুই বছর প্রকল্পের কাজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নানামুখী সংকটের মোকাবেলা করতে হয়। ইতোমধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। দুই দফায় প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের নানা সীমাবদ্ধতায় প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটারের নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। বর্তমানে কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু এলাকায় ১শ’ মিটারের মতো সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে।

প্রকল্প পরিচালক চউক’র প্রকৌশলী রাজীব দাশ বলেন, ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের রাস্তার প্রায় পুরো কাজই শেষ হয়েছে। শুধু কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু প্রান্তে একশ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। এই অংশের কাজও শেষ পর্যায়ে। অচিরেই আমরা সড়কের এই অংশের কাজও সম্পন্ন করবো। তিনি বলেন, বাঁধ নির্মাণ এবং স্লুইচ গেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। একটি মাত্র ছোট্ট স্লুইচগেটের কাজ বাকি রয়েছে। সেটির কাজও শেষ পর্যায়ে। এটিতে কোন রেগুলেটর বা পাম্প নেই। ছোট্ট স্লুইচগেট, মাস দুয়েকের মধ্যে এই স্লুইচগেট নির্মাণের কাজ শেষ হবে। তিনি আরো বলেন, শহরের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড হিসেবে এই সড়কটি আগামী ডিসেম্বরে পুরোদমে যান চলাচল করবে। রাস্তা, বাঁধ এবং ওয়াকওয়েসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অবকাঠামো নগরীর পর্যটন খাতে একটি নয়া মাত্রা যোগ করবে বলে তার আশা।

চউক সূত্রে আারো জানা গেছে, মহানগরীর যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু (চাক্তাই খালের মুখ) থেকে কালুরঘাট ব্রিজ পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ করা হচ্ছে। ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত প্রকল্পটি সিডিএর বিশেষ মেগা প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটিতে সড়কের পাশাপাশি রেগুলেটরসহ ১২টি স্লুইচ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে চাক্তাই এবং রাজাখালী খালের মুখের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুইটি স্লুইচ গেটও রয়েছে।
প্রকল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে বোটপাসসহ ১২টি স্লুইচগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। ১২টি স্লুইচ গেটের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১টি নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এগুলো পুরোদমে চালু করা হয়েছে। এসব স্লুইচগেটে নেদারল্যান্ডস থেকে আনা গেট স্থাপন করা হয়েছে।

বসানো হয়েছে পাম্প। বৃষ্টির সময় পাম্পের মাধ্যমে পানি নদীতে ফেলা হয়। চালু হওয়া ১১টি স্লুইচগেটের সুফল গত বর্ষায় নগরবাসী পেয়েছে বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলেছেন, এতে নগরীর বিস্তৃত এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নগরীর বহু এলাকা অসহনীয় জলাবদ্ধতা থেকে নিস্তার পেয়েছে। বৃষ্টির সময় জোয়ারে গেটগুলো বন্ধ করে পাম্প করে পানি নদীতে ফেলা হয়। ভাটির সময় গেট খুলে দেয়া হয়। এতে পানিগুলো সহজে নদীতে গিয়ে পড়ে। আগে বৃষ্টির সময় জোয়ার হলে যেভাবে নদীর পানি নগরীতে প্রবেশ করতো উপরোক্ত স্লুইচগেটগুলো চালু হওয়ায় সেই অসহনীয় অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে বলেও প্রকৌশলীরা উল্লেখ করেন।

মজুদ থাকা জ্বালানিতে চলবে ১৫ দিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ২৯ জোড়া ট্রেনে প্রতিদিন জ্বালানি প্রয়োজন ৮৩ হাজার লিটার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ও সংকট তৈরি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তা ও সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়তে পারে ট্রেন চলাচলে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করে আরও ৩০ জোড়া। সর্বমোট ২৯ জোড়া ট্রেন চলাচল করে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তথ্যমতে, পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য পূর্বাঞ্চলে প্রতি মাসে ২৫ লাখ লিটার হাইস্পিড ডিজেল প্রয়োজন হয়। এ হিসাবে প্রতিদিন জ্বালানি লাগে ৮৩ হাজার লিটার।
রেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ট্রেন পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে মজুদ থাকা ডিজেল দিয়ে ১৫ দিনের বেশি ট্রেন চালানো যাবে।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান গণপরিবহন হিসাবে রেলে সংকট নেই। জ্বালানির মজুদ কিছুটা কমে গেছে। জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এখনও ১৫-১৬ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত প্রায় এক মাসের জ্বালানি মজুদ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বাঞ্চলের জ্বালানির মজুদ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৫-১৬ দিনের জন্য প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লিটার ডিজেল মজুদ আছে। তবে কিছুটা অনিয়মিত হলেও বিপিসির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।

ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয় বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষায় চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থায় দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব থেকে নতুন করে আরও ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল কেনা হয়েছে। এই নতুন আমদানিকৃত তেল লোহিত সাগর হয়ে সরাসরি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনা হবে বলে জানা গেছে। একই সাথে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) দ্রুত ছাড় করিয়ে আনতে ইরানের সঙ্গে নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

ইস্টার্ন রিফাইনারির সাবেক মহা-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, এই পরিমাণ জ্বালানি দেশে পৌঁছালে সংকট অনেকটা কাটলেও বাড়তি চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে আরও ডিজেল আমদানির প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত মার্চ মাসে বিকল্প উৎস থেকে অন্তত ৩৯টি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের তৎপরতারই প্রতিফলন।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক মাসের মধ্যে এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি দেশে পৌঁছালে চলমান সংকট অনেকটাই লাঘব হবে। বর্তমানে ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামক একটি জাহাজে ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছে। জাহাজটি বর্তমানে সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে অবস্থান করলেও ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র না পাওয়ায় এটি বাংলাদেশে আসতে পারছে না।যদিও ইরান সম্প্রতি বাংলাদেশের ৬টি জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, তবে এই তেলের জাহাজটি সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

এ বিষয়ে বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, এই জটিলতা নিরসনে কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো সক্রিয় করা হয়েছে এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা চলছে। জাহাজটি অনুমতি পেলে সরাসরি চট্টগ্রামে এসে পৌঁছাবে। হরমুজ প্রণালির এই জটিলতা এড়াতে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে বাংলাদেশ। নতুন করে কেনা ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল লোহিত সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই বন্দরটি হরমুজ প্রণালির বাইরে হওয়ায় তেল পরিবহনে কোনো ধরনের সামরিক বা রাজনৈতিক বাধার আশঙ্কা নেই।

ইস্টার্ন রিফাইনারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ এপ্রিল এই তেল জাহাজে লোড করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দুই জাহাজ মিলিয়ে মোট ২ লাখ মেট্টিক টন অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই তেল রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের পর বাজারজাত করা হবে।পরিশোধন প্রক্রিয়ার পর এই ২ লাখ মেট্টিক টন ক্রুড অয়েল থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ৫২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৩২ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল, ১৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন, ৪৮ হাজার মেট্টিক টন ফার্নেস অয়েল এবং ৪২ হাজার মেট্রিক টন কেরোসিন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ