আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আগামী রবিবার আগ্রাবাদ চেম্বারের সামনে ব্যবসায়ীদের অবস্থান কর্মসূচী সফল করুন

চট্টগ্রাম বঞ্চিত ব্যবসায়ী ফোরামের প্রস্তুতি সভায় এস এম সাইফুল আলম

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

L
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিবারতন্ত্র, স্বৈরশাসন ও ভোটবিহীন বর্তমান কমিটি বাতিল করে নির্বাচনের দাবিতে চট্টগ্রামের বৈষম্যের শিকার বঞ্চিত ব্যবসায়ী ফোরামের পক্ষ থেকে আগামী রবিবার (২৫ আগষ্ট) সকাল ১০ টায় নগরীর আগ্রাবাদের চেম্বার ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

এই অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষে শুক্রবার (২৩ আগষ্ট) বিকালে জামাল খানস্থ সিনিয়র ক্লাবে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বন্দর ইউজার ও চট্টগ্রাম বঞ্চিত ব্যাবসায়ী ফোরামের আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম।

এতে সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল আলম বলেন, সম্প্রতি ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে এবং দেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের দুঃশাসনে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো চট্টগ্রাম চেম্বারও একটি নির্দিষ্ট দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দুই প্রভাবশালী নেতা এম এ লতিফ এবং মাহবুবুল আলমের বলয়ের বাইরে এখানে কেউ নির্বাচিত হওয়া দূরে থাক, মনোনয়ন ফরম পর্যন্ত নিতে পারেননি। ফলে তাদের পরিবারের সদস্যরাই এখানে ব্যবসায়িক নেতা হয়েছেন। বলয়ের মধ্যে থাকা ব্যক্তিরাই পরিচালক হয়েছেন। চট্টগ্রাম চেম্বার কোনো পারিবারিক প্রতিষ্ঠান নয়। কিন্তু বিগত কমিটিগুলো এটিকে পারিবারিক সংগঠন বানিয়ে ফেলেছে। ব্যবসায়ী সংগঠনে ব্যবসায়ীদের সুযোগ না দিয়ে ছেলে মেয়ে জামাতাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আসল ব্যবসায়ীরা সুযোগ পাননি। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে চট্টগ্রাম চেম্বার কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। এই চেম্বারের নেতারা রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মতোই সব সময় কথা বলেছেন। আমরা চট্টগ্রামের সাধারণ ব্যবসায়ীরা সেই পরিবারতন্ত্রের কবল থেকে চট্টগ্রাম চেম্বারকে মুক্ত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে চাই। তৃণমূল ব্যবসায়ীদের ভোটে সরাসরি নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চাই। আমরা চট্টগ্রাম চেম্বারের বিনা ভোটের এই কমিটি বাতিল চাই।

তিনি আগামী রবিবার চট্টগ্রামের বঞ্চিত ব্যবসায়ী ফোরামের পক্ষ থেকে আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সামনে (চেম্বার ভবন) ব্যবসায়ীদের অবস্থান কর্মসূচি সফল করার আহবান জানান।

বঞ্চিত ব্যবসায়ী ফোরামের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন টেরি বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য জামাল উদ্দিন বাবলু, সুলতানা ট্রেডার্সের রোকন উদ্দিন মাহমুদ, বিজিএমইএ’র পরিচালক আবছার হোসেন, সদস্য সাইফুল ইসলাম, আর এস আর এম’র মিজানুর রহমান, বন্দর ট্রাক কাভার ভ্যান মালিক ও কন্ট্রাকটার এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সোহেল, ফাল্গুনী ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল খান, গার্মেন্টস এক্সোসরিস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশনের পরিচালক আব্দুল ওয়াজেদ সোহেল, বন্দর মেরিন কন্ট্রাকটার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দোস্ত মোহাম্মদ, সোনালী মৎস্য সমবায় সমিতির পরিচালক মো. মহসিন, টেরিবাজার রাজকন্যার নেজাম উদ্দিন, ব্যবসায়ী নেতা ইবনুল হাসান, আহমেদ কবির লেদু, গোলাম মোস্তফা, সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী রকিবুল হাসান সোহেল, ইকো নিট ওয়্যারের আবদুল বারেক প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ