আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে – আবু সুফিয়ান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, গত ৫ আগষ্ট একটি ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে একটি রক্তক্ষয়ী য্দ্ধু শেষ না হতেই দেশবাসীর সম্মুুখে আরেকটি যুদ্ধ অবতীর্ণ হয়েছে। তবে এ য্দ্ধুটা হলো- প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে প্রকৃতির সাথে টিকে থাকার যুদ্ধ। এ যুদ্ধেও ছাত্র সমাজ কে সামনের কাতারে এগিয়ে আসতে হবে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষদের রক্ষার্থে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাইকে এ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আমাদের প্রথম কাজ হবে পানিবন্ধি মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা এবং তাদের পর্যাপ্ত খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা। সর্বশেষ বন্যা পরবর্তীতে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।

তিনি আরোও বলেন, বিএনপির রাজনীতিই হলো জনগণের জন্য। সুখে-দু:খে ও সংকট-দুর্যোগ দেশের মানুষের পাশে থাকা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বন্যাকবলিত এলাকায় আমাদের নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে আছে। চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে অসহায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর এই মহৎ কার্যক্রমকে আমি সাধুবাদ জানাই। স্বৈরাচার খুনী হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশী-বিদেশী গোষ্ঠী ছাত্র-জনতার বিজয় কে নস্যাৎ করার জন্য বিভিন্ন অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, ভাংচুর, লুটপাট করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে। আমাদের নেতাকর্মীদের ষড়যন্ত্রকারীদের এসকল অপতৎপরতার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আমি দুর্যোগ মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশের বিত্তবানশ্রেণী সহ সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

তিনি আজ ২৩ আগষ্ট (শুক্রবার) বিকেলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ত্রাণ ক্যাম্প তহবিল’ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু। চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুর রহমান আলফাজ এর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাউছার আলম এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসেন, বিএনপি নেতা সালামত আলী, মনছুর আলম, মহানগর যুবদল নেতা নুরুল আমিন, মো. আলমগীর, এম. আবু বক্কর রাজু, নওশাদ আল জাসেদুর রহমান, সাইদুল ইসলাম, নুরনবী, আকতার হোসেন, সাজিদ হাসান রনি, নাছির উদ্দিন, সাইফুল, মো. হাকিম, হোসেন মো. মাসুম, কামাল হোসেন খোকন, চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রায়হান সিদ্দিকী, পারভেজ করিম, মো. আসিফ, আরিফ মহিউদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, মো. রুবেল, দেদুল বড়–য়া, সাদ্দাম হোসেন, রনি হোসেন, মোহাম্মদ কায়েস, মো. সাইফুল, মোক্তার হোসেন, মো. পারভেজ, সাফায়াত হোসেন সোহান, মো. আরমান, মো. তারেক, মো. আরাফাত, মো. রাকিব, মো. ইয়াছিন, ফারাজ করিম নয়ন, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. রায়হান, মহিউদ্দিন বাবু, মিরাজ, মো. হাবীব প্রমুখ।

ক্যাপশন: বন্যার্তদের সহায়তায় চান্দগাঁও থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘ত্রাণ তহবিল ক্যাম্প’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন আবু সুফিয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনাবাসী শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা জেলা সদর থেকে কাউ কে মন্ত্রী করা হয়নি। মন্ত্রী করা হয়েছে জেলা সদরের বাইরে। এবার পাবনা সদর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। মন্ত্রী হওয়ার সব যোগ্যতাই তার আছে। তিনি সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ছিলেন। এসব দায়িত্ব পালন কালে সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর থেকে লাভের মুখ না দেখা বিআইডব্লিউটিসিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছিলেন।

মন্ত্রী, এমপি না হয়েও পাবনার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। এবি ট্রাস্ট গঠন করে অসংখ্য মসজিদ, হাফেজ মাদ্রাসা, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছেন। বেকারদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছেন। মহৎ মনের এই মানুষটি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।সাবেক এমপি মোঃ ওয়াজ উদ্দিন খান এবং শাজাহান খানের অবর্তমানে তিনিই এখন এই সংগঠনটির মু্খ্য দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তি বিএনপি সরকারের মন্ত্রী পরিষদে থাকলে শ্রমিক আন্দোলনের সময় কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা। তাই পাবনা জেলাবাসী শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ