আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

কালরঘাটে সেতুর রেলিং ভেঙে গাড়ি নদীতে

এম মনির চৌধুরী রানা বোয়ালখালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কালুরঘাট সেতুর রেলিং ভেঙে একটি চাঁদের গাড়ি (জিপ) নদীতে পড়ে গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে গাড়িটিতে চালকসহ কত জন যাত্রী ছিলো সে বিষয়টি কেউ জানাতে পারছেন না। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হক। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, রাত ২ টার দিকে বোয়ালখালী থেকে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে একটি চাঁদের গাড়ি (জিপ) শহর অভিমুখে কালুরঘাট সেতু পার হচ্ছিলেন। কিন্তু কিছু দুর যেতেই টেম্পুটি একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। হঠাৎ রেলিং ভেঙে পানিতে পড়ে যায়। এ দৃশ্য দেখে পথচারীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে তল্লাশি চালান। জানা গেছে এলাকার লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে পাশের একটি হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেতু পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ে গেছে। গাড়িটিতে চালকসহ দুইজন যাত্রী ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারো পরিচয় জানা যায়নি। আবার এ তথ্যও কতটা সত্যতা নির্ভর করছে ভিডিও ফুটেজ কিংবা আহতদের জবানবন্দির উপর। নৌ পুলিশের ওসি মো. একরামুল হক বলেন, ‘কালুরঘাট সেতু পার হতে গিয়ে একটি গাড়ি নদীতে পড়ে গেছে শুনে তাৎক্ষণিক নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।’
জানতে চাইলে বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব অফিসার মো. সাইদুর রহমান জানান, ‘কালুরঘাট সেতুর বোয়ালখালী প্রান্ত থেকে নগর প্রান্তের উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি চাঁদের গাড়ি (জিপ) ডান পাশের রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। তবে দুইজনকে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। গাড়িটি নদীর প্রবল স্রোতে দূরে ভেসে গেছে। তবে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ আগস্ট কালুরঘাট সেতু সংস্কার শুরু করেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ এক বছর ধরে সংস্কার কাজের জন্য এই সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ ছিলো। বর্তমানে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উপযোগী করতে কার্পেটিং করা হচ্ছে। এরই মধ্যে নিয়ম না মেনে সেতু দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। ফলে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। একমুখী সেতুতে দুই প্রান্তের গাড়ি উঠে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ