উখিয়ার টিএনটি গুচ্ছ গ্রামে মসজিদ- মাদ্রাসার দখল কৃত জমি উদ্ধারে অবস্থান কর্মসূচি

আবু বক্কর সিদ্দিক উখিয়াঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টিএনটি গুচ্ছ গ্রাম জামে মসজিদ ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসার জমি, কবরস্থানের জায়গায় রাস্তা এবং উখিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল কতৃক জোরপূর্বক জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ কৃত জায়গা উদ্ধারের লক্ষ্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় জনসাধারণ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রবেশপথে  অবস্থান  কর্মসূচি পালন করেছে।

স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ তাদের মসজিদের জায়গা দখল,বৃটিশ আমলের জনপথ দূমোয়ার পথ ( রাস্তা) দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে।  পরে কবরস্থানের উপর দিয়ে আরেকটি রাস্তা করে দেওয়ায় হয়, যেটি সবচাইতে মর্মান্তিক বলে দাবি করে তারা। তারা আরো জানায় ঐ গ্রামের মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র খেলার একটি মাঠ ছিল । ২০১৭ সালের আগস্টে মানবতার খাতিরে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দে সরকার। তখন রোহিঙ্গাদের সেবায় দেশি-বিদেশি অনেক এনজিও কাজ করতে আসে উখিয়াতে। সেখান থেকে কিছু এনজিও ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী মহল যুগ সাজসে তাদের একমাত্র খেলার মাঠটি দখল করে অবৈধ সুবিধা নিয়ে এনজিওদের কে সহযোগিতা করে স্থাপনা নির্মাণ করে পরে সেটি উখিয়া স্পেশালাইজ হাসপাতাল হয়। তখনকার সময়ে তারা মানববন্ধন বিক্ষোভ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও তারা ন্যায় বিচার পায়নি বলে দাবি করে।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে বক্তারা বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উখিয়া বরাবরে তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই ন্যায্য দাবি আদায়ে গত একমাস ধরে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় জনগণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা যাচ্ছেন সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বরে স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে গত ২৬ সেপ্টেম্বর উখিয়া সদর স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত সমাধান করার জন্য কোন উদ্যোগ না নেয়ায় খুব ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা। তাদের দাবি দখলকৃত সমস্ত জায়গা তাদেরকে ফেরত দিতে হবে ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করতে হবে। যদি তাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয় তাহলে তারা পরবর্তীতে অনশন, বিক্ষোভ সহ বড় ধরনের কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। তাই রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার উখিয়া ও সহকারী কমিশনার ভুমির প্রতি জোর দাবি জানিয়ে তাদের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে সহযোগিতা কামনা করেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম সিকদার,উখিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মালেক মানিক,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাইফুল রহমান সিকদার, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের নেতা মাওলানা নুরুল হাসান আযাদ যুক্তিবাদী, রাজাপালং ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন সিকদার, উখিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন,রাজাপালং সাংগঠনিক ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, রাজাপালং দক্ষিণ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, যুবনেতা নেতা রফিক উদ্দিন,এনামুল কবির,মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল আলম সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক তুফা সওদাগর,সহ মসজিদ পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনসাধারণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, পেশাজীবি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এতদিন পর্যন্ত এটির সমাধান না হওয়ায় খুব প্রকাশ করেন এবং এনজিও কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান দ্রুত সময়ের মধ্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাথে বসে যেন সমাধান করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতি পাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে। সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়”।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) জনাব সুব্রত দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ জনাব মুমিনুন্নেছা খানম,

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ জনাব লাবণী শর্মা ও জনাব মোঃ জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলী (জিপি) জনাব মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, বিজ্ঞ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, বিজ্ঞ মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব এড. মফিজুল হক ভূঞা, বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ