আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামের কারাগারে অসুস্থ বন্দিদের দুর্ভোগ, রাতে চিকিৎসক নেই

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রাতে চিকিৎসক না থাকায় অসুস্থ বন্দিদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কয়েকদিন আগে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর থেকে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বন্দিদের। চিকিৎসকরে বদলে রাতে বন্দিদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন এক কারারক্ষী ও দুই নার্স। এছাড়া ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে বর্তমানে চালু আছে মাত্র ৮টি। অপর তিন মেডিকেল কর্মকর্তা শুধুমাত্র আউটডোরে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। রাতে শুধুমাত্র প্রয়োজন হলেই তারা বন্দি রোগীদের দেখতে আসেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৩ হাজার ৭০০ জন বন্দি রয়েছে কারাগারে। এদের জন্য সহকারী সার্জন পদমর্যাদার এক চিকিৎসকসহ চার ডাক্তার থাকার কথা। কিন্তু অক্টোবরে সহকারী সার্জন পদমর্যাদার আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. রেজা মো. সরোয়ার আকবর বদলি হলে রাতে রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে বিড়ম্বনা বাড়তে থাকে। প্রেষণ আদেশ প্রত্যাহার করে কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন হিসেবে তাকে পদায়ন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর পর থেকে অপর তিন মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. তুষার কান্তি নাথ, ডা. একরাম হোসেন ও ডা. জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী আউটডোরে সেবা দেন এবং জরুরি প্রয়োজন হলেই রাতে এসে রোগী দেখেন।
তাবে কারাগার কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দায়িত্বরত তিন জন মেডিকেল কর্মকর্তারা ঠিকমতো রোস্টার ডিউটি পালন করেন না। বিকেলের পর সবাই ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখেন। ফলে চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্ট্রোক ও হৃদরোগীদের অবস্থা অনেক সময় খারাপ হয়ে যায়। কারা হাসপাতালে শুরুতেই জরুরি চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই এমনটা হয়।
আরও জানা গেছে, রাতে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা না থাকায় বন্দি রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন কারারক্ষী (প্যাথলজি) শহীদ সরোয়ার। তিনি ল্যাব টেকনিশিয়ান হওয়ায় হাসপাতালের ল্যাবের দায়িত্বে আছেন। রাতে তার সঙ্গী হিসেবে থাকেন ডিপ্লোমা নার্স লিটন তালুকদারসহ অপর এক নার্স। সরোয়ার ২০১৮ সালের আগে কুমিল্লা কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এরপর ২০১৮ সালে তাকে ঢাকা সেনানিবাসে প্যাথলজির ওপরে ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করতে পাঠানো হয়। এরপর তিনি চট্টগ্রাম কারাগারে যোগ দেন। রাতে কেউ অসুস্থ হলে সরোয়ার নিজেই চিকিৎসা দেন। এমনকি রোগীর রুটিন টেস্ট রিপোর্টে ডাক্তারের স্বাক্ষর ছাড়া সরোয়ার নিজেই স্বাক্ষর দিয়ে থাকেন। রাতে ডিপ্লোমা নার্স লিটন তালুকদারের দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তিনি নিয়মিত আসেন না। এছাড়া অপর এক নার্সও রাতে থাকেন কালে-ভদ্রে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ সরোয়ার বলেন, রাতে কোনো বন্দি অসুস্থ হলে আমাকে খবর দেওয়া হয়। আমি এসে চিকিৎসা দিই। রুটিন টেস্টগুলোও করে থাকি। গুরুতর রোগী হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া ফোনে তুষার স্যার, একরাম স্যারকেও ডেকে আনা হয়। তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগ পর্যন্ত ৪০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন হাসপাতালে। আমি নিয়মিত ডেঙ্গু রোগীর প্লাটিলেট, সিবিসি পরীক্ষা করে চিকিৎসা দিয়েছি। বর্তমানে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী আছে। তাদের চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ফ্লুইড ম্যানেজমেন্টের তদারিক আমি করছি।
কারাগারের চিকিৎসক ডা. তুষার বলেন, আমরা মূলত আউটডোর বেসিসে রোগীদের সেবা দিই। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। রাতে কোনো বন্দি অসুস্থ হলে, চিকিৎসাধীন কোনো বন্দির পরামর্শের প্রয়োজন হলে আমরা অনকলে আসি। রাতে ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেন শহীদ সরোয়ার নামে এক কারারক্ষী ও ডিপ্লোমা নার্সসহ দু’জন নার্স।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা পদটি শূন্য হওয়ায় তা পূরণে কারা অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। আমরা বর্তমান লোকবল দিয়ে বন্দি রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করার কথা জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ