আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে -ছাত্রশিবির সভাপতি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণমাধ্যমে গঠনমূলক সমালোচনা শিবিরের অব্যাহত অগ্রযাত্রাকে আরও বেশি গতিশীল করবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সেই জায়গা থেকে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা থেকে আমরা গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করি। তবে যে কোনো ধরণের সমালোচনা আমরা ইতিবাচকভাবেই নিচ্ছি। গঠনমূলক সমালোচনা হলে সেটি আমাদের জন্য উপকারী হবে।

শনিবার দুপুরে নগরের চন্দনপুরা ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের অফিসে আরইসরা ভবনে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি তানজীর হোসেন জুয়েল, অর্থ সম্পাদক মুমিনুল হক, অফিস সম্পাদক খুররম মুরাদ, প্রকাশনা সম্পাদক আবরার হাসান রিয়াদ ও প্রচার সম্পাদক সালাউদ্দিন আকাশ প্রমুখ।
ফখরুল ইসলাম আরো বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে সকল গণমাধ্যমকর্মী বিপ্লবের মূল চেতনাকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। চাকরি বা কোন হাউজের দায়ে নয়, বিবেকের দায়ে কাজ করবেন। সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলার স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবেন। এই দেশ নানান পথ ও মতের মানুষের। তাই আদর্শিক ভিন্নতা থাকাটা স্বাভাবিক কিন্তু সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানের প্রশ্নে কারো ভিন্নমত থাকার কথা নয়। আমারা আমাদের ঐক্যের জায়গাগুলোতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে পারলে সম্প্রতির এই দেশ সৌহার্দ্যের সৌরভে ভরে উঠবে।
ইসলামী ছাত্র শিবির সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে জানিয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো যেখানে গ্রুপিং, অন্তঃকোন্দল, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, হল বাণিজ্যসহ নানান অপরাধমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিগত স্বৈরশাসনালে সাধারণ শিক্ষার্থী ও দেশবাসীর মনে শিবির সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দিতে কিছু চিহ্নিত তথ্য সন্ত্রাসী মিডিয়ার মাধ্যমে শিবিরের বিরুদ্ধে প্রচার প্রপাগাণ্ডা চালালেও সোশালমিডিয়ার কারণে তাদের সেই চক্রান্ত অনেকাংশে বুমেরাং হয়। তারপরেও ক্রমাগত অপপ্রচারের ফলে অনেকের মনে কিছু নেতিবাচক ধারণা জন্মানো অস্বাভাবিক নয়। তাই দেশের সচেতন নাগরিক ও সম্মানিত মিডিয়া কর্মীদের প্রতি আমাদের আহ্বান অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে শিবির সম্পর্কে জানুন।
ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, চট্টগ্রামেও ইতিমধ্যে কয়েক দফা ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালানো হয়ছে। ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনো পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বন্দরনগরীর অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বৈরচারের আমলে ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার পরিবেশ সংস্কারে ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকল ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার কোন বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ