আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

কালিয়াকৈরে আবারও পোশাক কারখানা শ্রমিকেরা বকেয়া বেতনের বৃদ্ধি দাবিতে কালিয়াকৈর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শাহিদুল ইসলাম কালিয়াকৈর গাজীপুর প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আবারও পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতনের বৃদ্ধি দাবিতে কালিয়াকৈর নবীননাগর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে উপজেলার আইরিশ নামক কারখানার শ্রমিকেরা এই বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে চন্দ্রা নবীনাগর মহাসড়ক অবরোধ করলে উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন ওই মহাসড়ক ব্যবহারকারী যাত্রী ও চালকেরা। ঢাকা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলে চলাচলের একমাত্র সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আশপাশের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মালিকপক্ষ ও বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ।

 

পুলিশ ও কারখানার শ্রমিকেরা জানান, কারখানার শ্রমিকদের যাদের চাকরির বয়স এক বছর হয়েছে তাদের বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি করার ঘোষণা দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে যাদের এক বছর পূর্ণ হয়নি সেসব শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবি তুলে রোববার সকালে শুরু করে আন্দোলন করেন। সার্ভিস বেনিফিট ও বেতন বৃদ্ধির সার্ভিস বেনিফিটের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।

সোমবার সকালে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে পুনরায় দাবি নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে শ্রমিকরা কালিয়াকৈর-নবীনগর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শিল্প পুলিশের সদস্যরা।
শিল্প পুলিশের সদস্যরা জানান, আইরিশ নামে এই কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করে সড়ক অবরোধ করলে জিরানী বাজার এলাকার কমপক্ষে ১০-১২টি পোশাক তৈরির কারখানা একদিনের ছুটি দেয় কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রমিক বলেন যাদের চাকরির বয়স এক বছর হয়েছে তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে আর যাদের চাকরির বয়স ৮ মাস ১০ মাস হয়েছে তাদের হবে না এটা মেনে নেয়া যায় না বেতন বৃদ্ধি সবারই চাই। এদিকে মালিকপক্ষ তা মেনে নিতে পারছে না এজন্যই ফ্যাক্টরের শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধির আন্দোলন করছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু তালেব বলেন, বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আইরিশের শ্রমিকরা সোমবার সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের বিক্ষোভের কারণে আশপাশের কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কোস্ট গার্ডের সাড়ে তিন হাজার সদস্য উপকূলীয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে : মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেছেন, কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্দ্বীপের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে বশিরিয়া আহমদিয়া আবু বকর সিদ্দিক ফাজিল মাদরাসা মাঠে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সুবিশাল সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।পাশাপাশি জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

গত ১৮ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৮ দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০টি প্লাটুন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।

এই প্লাটুনগুলো স্থলভাগ ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি উৎসব মুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অন্তর্বতীকালীন সরকার একই দিনে গণভোটের আয়োজন করেছে। আমরা আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সব বয়স ও শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষদের নিকট গণভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।নির্বাচনকালীন অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

বোয়ালখালীতে ৫৫ লিটার মদসহ আটক এক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সেনাবাহিনীর টহল অভিযানে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি বুধবার ভোর ৩টা থেকে ৬টার সময় বিজেও-৭৭৭৯১ ওয়াঃ অফিসার মশিউর (৪৮ এডি), টাস্ক ফোর্স-২ স্যারের নেতৃত্বে কদুরখীল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৫৫ লিটার মদসহ মোঃ আলমগীর (৪৫) নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় বোয়ালখালী থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ব্যবসায় প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ