আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে আগামী বর্ষার আগেই প্রতিরক্ষা ও ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের টেন্ডার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  চট্টগ্রামের ৮৭৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপকূলীয় বেড়িবাঁধ নির্মাণ, প্রতিরক্ষা ও ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে আগামী বর্ষার আগেই প্রকল্পটির টেন্ডার দেয়া হবে। এদিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নৌবাহিনী। নৌবাহিনীর আগ্রহে এখন ঝুলে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেন্ডার প্রক্রিয়া।
  2. জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নভেম্বরে টেন্ডার গ্রহণ করা হয়। মধ্য ডিসেম্বরে টেন্ডার অনুমোদনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। এরমধ্যে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় নৌবাহিনী। দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে নৌবাহিনী।
  3. পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, নৌবাহিনী কাজ করার আগ্রহের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে। তারা জানান, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রকল্পের কাজ শুরু করার জন্য নভেম্বর মাসে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। যাতে জানুয়ারি থেকে কাজ শুরু করা যায়। কারণ কাজ শুরু করতে দীর্ঘায়িত হলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাবে। বর্ষাকালে ভাঙন তীব্র ভাঙনে বিশাল এলাকায় সাগরের পানি ঢুকে বড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
  4. এর আগে বঙ্গোপসাগর ও সাঙ্গুর তীর প্রতিরক্ষা-বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গত বছরের (২০২৪ সাল) ২৭ মে একনেক সভায় অনুমোদন হয়। একই দিন আনোয়ারা, বাঁশখালী ছাড়াও বোয়ালখালী উপজেলায় ভাঙন প্রতিরোধে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প পাস করা হয়। আনোয়ারা ও বাঁশখালীর প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় ৮৭৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। বোয়ালখালীতে কর্ণফুলী ও বিভিন্ন খালের ভাঙনরোধ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৪ কোটি নয় লাখ টাকা।
  5. ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে প্রকল্পের মেয়াদ-কাল ধরা হয়। ২০২৭ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ ছাড়াই প্রকল্প দুটি অনুমোদন হয়। শুরু থেকেই বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন নীতিতে পড়ে প্রকল্প দুটি। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর এই মেগাপ্রকল্প দুটি নিয়ে আরও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। শেষে তীব্র ভাঙন ও জনজীবনের বিপর্যস্ত অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নে আলোর মুখ দেখে।
  6. পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খ ম জুলফিকার তারেক বলেন, আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপকূলীয় বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নৌবাহিনী। আমরা টেন্ডার আহ্বান করেছি। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তীব্র ভাঙন ও জনগুরুত্ব বিবেচনা করে ৩৩ প্যাকেজের কাজের টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এতে ৭শ’ কোটি টাকার টেন্ডারে সরকারের প্রায় ৬২ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
  7. পাউবো জানায়, বাঁশখালী ও আনোয়ারা উপজেলায় টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা (১ম পর্যায়) প্রকল্পে পোল্ডার ৬৪/এ তিন দশমিক ৬১০ কিলোমিটার, ৬৪/১সি’র দুই দশমিক ৮০০ কিমি, ৬৩/১ এ’র পাঁচ দশমিক ১৭৫ কিমি বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ ও ঢাল সংরক্ষণের কাজ করা হবে। এছাড়াও পোল্ডার ৬৪/১ এ’র এক দশমিক ১০০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে। বাঁশখালী ও আনোয়ারা উপজেলায় ১২ দশমিক ৬৮৫ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা এবং বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
  8. প্রসঙ্গত- চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনের দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের কোহিনূর সিটিতে অপর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা : প্রতিনিয়ত দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের দামপাড়া এলাকায় নবনির্মিত শপিং মল মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটিতে অপর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থার কারণে সড়ক ঘেঁষে রাখা থাকে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের গাড়ি। যার ফলে জিইসি মোড় থেকে ওয়াসা পর্যন্ত ব্যস্ততম এ সড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। এতে ভোগিন্তর শিকার হচ্ছেন চলাচলরত মানুষ।

জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি পর্যন্ত অফিসে যাওয়ার সময় সড়কে যানজটের মুখোমুখি হতে হয় চলাচলরতদের। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটায় দেখা গেছে, জিইসি মোড় থেকে ওয়াসা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট। কারণ ওয়াসার আগে মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির সামনে এলোপাতাড়ি গাড়ি পার্কিং।

পুরো রাস্তা আধা ঘণ্টার বেশি সময় স্থবির ছিল। কিছুক্ষণ গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হলে ফের সৃষ্টি হয় যানজট। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় সেই একই চিত্র দেখা গেল এই সড়কের। এ শপিং মলে অপর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থার কারণে সড়ক ঘেঁষে রাখা থাকে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের গাড়ি। তাই ব্যস্ততম এ সড়কে লেগে থাকে যানজট।

বৃহস্পতিবার শহর রুটের বাস চালক জসিম উদ্দিন বলেন, ২ নম্বর গেট থেকে দামপাড়া আসতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। পুরো সড়কজুড়েই যানজট, বিকল্প পথও পাইনি। সিএনজি অটোরিকশা চালক রহিম উল্লাহ জানান, এ সড়ক এখন ব্যবহার করতে মন চায় না। দুই নম্বর গেইট, জিইসি- এরপর এখন নতুন করে দামপাড়ায় যানজটে পড়তে হয়। ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

সড়ক দখল করে গাড়ি পার্কিংয়ের বিষয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের পরিদর্শক (প্রশাসন) সুশোভন চাকমা বলেন, সীমিত জনবল নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। গাড়ির চাপ অতিরিক্ত হলে যানজট তৈরি হয়। তবে মূল সড়ক দখল করে পার্কিং করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জানা গেছে, পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধাসহ আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সুযোগ সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ৩০ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করেছিল মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি।

উদ্বোধনের দিনেই তীব্র যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন নগরের হাজারো মানুষ। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও এমন দুর্ভোগে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দখল করে শত শত গাড়ি পার্কিং করার ফলে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। তীব্র যানজটে আটকে থাকতে দেখা যায় জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সকেও।

সূত্র জানায়, ২৩ তলা বিশিষ্ট মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির মিক্সড-ইউজ ভবনের প্রথম ১০ তলায় শপিং মল এবং ১১ থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। কর্তৃপক্ষ এটিকে আধুনিক শপিং, বিনোদন ও লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রচার করলেও বাস্তবে এর মিল পাচ্ছেন না নগরবাসী।

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় বাণিজ্যিক স্থাপনা চালুর আগে ট্রাফিক ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট, পার্কিং ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান এবং জরুরি সেবার নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কার্যকর প্রস্তুতির দৃশ্যমান প্রমাণ মেলেনি। এমন অবস্থা চলতে থাকলে নগরীর ট্রাফিক ও জননিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির ম্যানেজার (ব্র্যান্ড) সমীর কুমার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করে অফিসে গিয়ে কথা বলার পরামর্শ দেন। মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ফাহিমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মহানগরের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে : মেয়র ডা. শাহাদাত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের খতিবের হাট এলাকায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত সড়ক ও ড্রেন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, সরকার চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়নে টেকসই সড়ক নেটওয়ার্ক, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং শিল্পাঞ্চলভিত্তিক যোগাযোগ অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাবে না।তাই আমরা পরিকল্পিতভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি।

উদ্বোধন করা প্রকল্পের আওতায় খতিবের হাট এলাকায় মোবারক আলী রোড, সুন্নিয়া মহিলা মাদ্রাসা-সংলগ্ন সড়ক, চানমিয়া সওদাগর রোড, ত্রিপুরা খাল-সংলগ্ন রাস্তা, নবীনগর আবাসিক এলাকা, সদর খাল-সংলগ্ন সড়ক এবং বার্মা কলোনি আবাসিক এলাকার ৪ হাজার ১০০ ফুট রাস্তা ও ড্রেনের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
মেয়র জানান, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে ২৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ সম্পাদিত হয়েছে এবং আরও ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি উপ-প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

সমাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে হামজারবাগ রাস্তা, হামজা খা বাই-লেন, পাহাড়িকা আবাসিক এলাকা, রংপুর কলোনি, গ্রিনভিউ আবাসিক এলাকা, মোহাম্মপুর আবাসিক এলাকা, ইসমাইল কলোনি, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি রোড, শাহজাহান আবাসিক এলাকা, রাজগঞ্জ আবাসিক এলাকা, হিলভিউ আবাসিক এলাকা, গাউছিয়া, শান্তিনগর ও মোহাম্মদনগর আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়ন। এরপর মেয়র ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের বালি খালের ওপর নির্মিত ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি আরসিসি ব্রিজের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, কালুরঘাট শিল্প এলাকার সড়ক সম্প্রসারণ, খালে পানিপ্রবাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে এ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।

মেয়র জানান, ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডে সিঅ্যান্ডবি বালুর টাল-সংলগ্ন ২৫ মিটার আরসিসি ব্রিজ, ওসমানিয়া ব্রিজ নির্মাণ এবং ব্রিজ থেকে আরাকান রোড সংযোগ সড়ক নির্মাণ, দেওয়ান মহসিন সড়ক উন্নয়ন ও ওয়াসা রোড সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে কালুরঘাট বিএফআইডিসি রোডের সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাহির সিগন্যাল থেকে কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল, আবাসিক এলাকা ও বাণিজ্যিক জোনকে সমন্বিত সড়ক নেটওয়ার্কের আওতায় আনাই আমাদের লক্ষ্য। পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রকৌশল, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর আজম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, শাফকাত মাহমুদ আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ