আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ফাউন্ডেশন কতৃক অনুমোদিত গ্রন্থাগারের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা জেলা গ্রন্হাগারের কমিটি গঠন। সভাপতি সাখাওয়াত, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানগ্রন্থাগারে বই পড়ি,আলোকিত মানুষ গড়ি”- এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ফাউন্ডেশন কতৃক অনুমোদন পেয়েছে ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট (২০২৫-২৬)নেত্রকোণা জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি।

 

বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মো: এমাযুস সরদার রাহাত এবং শাহিনূর আক্তারের (নির্বাহী পরিচালক) যৌথ স্বাক্ষরে এ কমিটি অনুমোদন পায়।৩৫ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটিতে (২০২৫-২৬) যারা স্হান পেয়েছেন ;যথাক্রমে সাখাওয়াত হোসেন মাস্টার, সভাপতি, আয়েশা সুলেয়মান পল্লী পাঠাগার, বারহাট্টা,

নেত্রকোণা,সিনিয়র সহ- সভাপতি, মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার, প্রতিষ্ঠাতা, আরফান তালুকদার স্মৃতি পাঠাগার, নেত্রকোণা সদর, সহ- সভাপতি, রতন কুমার দাস, প্রতিষ্ঠাতা, বনমালী পাঠাগার, দিগজান,নেত্রকোণা সদর,সহ- সভাপতি, কামাল হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা,আ: লতিফ স্মৃতি পাঠাগার, মদন,নেত্রকোণা,সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক, এমপি হাবিবা খান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা একাডেমি লাইব্রেরি, নেত্রকোণা,সহ- সাধারণ সম্পাদক, রেজোয়ান মাসুদ,প্রতিষ্ঠাতা,আবুল হাসিম মাস্টার স্মৃতি পাঠাগার, পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা,সাংগঠনিক

সম্পাদক, শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা,রাজ পাড়া যুব পাঠাগার, পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা, কোষাধ্যক্ষ, রেবেকা সুলতানা, লাইব্রেরিয়ান, কর্ণেল আবু তাহের পাঠাগার,পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা, দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়া জামিল,প্রতিষ্ঠাতা,আব্দুল মোতালেব স্মৃতি পাঠাগার, ইসলামপুর,নেত্রকোণা সদর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লাকী আক্তার, পরিচালক, মনসুর নাহার গ্রন্থাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,পাঠাগার সম্পাদক খাদিজাতুল কুবরা,পরিচালক, আমানউল্লাহ ক্লিনিক এন্ড পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক, নাজিম উদ্দীন, প্রতিষ্ঠাতা,হবিবপুর জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শিমুল বাশার,সভাপতি, আ: মজিদ স্মৃতি পাঠাগার, কলমাকান্দা, নেত্রকোণা,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আজজামা আসকা

হৃদি,পরিচালক, ফজলুর রহমান খান এমপি জনকল্যাণ পাঠাগার, নেত্রকোণা, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রোকেয়া আক্তার, প্রতিষ্ঠাতা, ডা.নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া জনকল্যাণ পাঠাগার, বারহাট্টা, নেত্রকোণা,সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হামিদুর রহমান, পরিচালক, শুনই প্রগতি পাঠাগার, আটপাড়া, নেত্রকোণা,নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে নিপা কর্মকার,প্রতিষ্ঠাতা,স্বপ্ন পাঠাগার,

 

কেন্দুয়া,নেত্রকোণা,সাজ্জাদ হোসেন খান, প্রতিষ্ঠাতা,মোমেন আলী আজম গ্রন্থাগার, কেন্দুয়া,নেত্রকোণা,আ: হাই,প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক , শহর আলী স্মৃতি পাঠাগার, পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা,শিল্পী বেগম, বুবাস্টার, গ্রামীণ সমাজ কল্যাণ সংস্থা লাইব্রেরি, পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা,মোস্তাফিজুর রহমান , প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোস্তাফিজুর রহমান জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,তাহমিনা আক্তার, প্রতিষ্ঠাতা,বুবলী জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,খাইরুল বাশার সেলিম, পরিচালক, রহিমা রাশিদ জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন এন্ড পাঠাগার, সাত পাই,নেত্রকোণা সদর, বুলবুল আহমেদ, পরিচালক, হাজী আজিম উদ্দিন জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠান,পরিচালক, জসিম পাঠান জনকল্যাণ পাঠাগার, নেত্রকোণা, রফিকুল ইসলাম, পরিচালক, হাজী সুরুজ আলী জনকল্যাণ পাঠাগার, কেন্দুয়া, ফখর উদ্দিন, পরিচালক, ফখর উদ্দিন জনকল্যাণ পাঠাগার, নিশ্চিন্তপুর,

নেত্রকোণা,কাওসার,পরিচালক,কাওসার জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,খাজে আলী খান,পরিচালক, খাজে আলী জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,রেশমা বেগম,পরিচালক, রেশমা বেগম মহিলা পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,শারমিন আক্তার পলি,পরিচালক, শারমিন আক্তার জনকল্যাণ পাঠাগার, দুর্গাপুর,নেত্রকোণা,শিপা আক্তার, পরিচালক, শহিদ মিয়া জনকল্যাণ

 

পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,হোসনা আক্তার, পরিচালক,নোভা জনকল্যাণ পাঠাগার, পূর্ব ধলা,নেত্রকোণা,আব্দুল মোমেন,পরিচালক, ওয়াজেদ আলী কালা মিয়া স্মৃতি পাঠাগার, পূর্ব ধলা, নেত্রকোণা।

 

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জীবন সংস্কৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কতনা অদ্ভূত সমাজ
মিথ্যাকে বিশ্বাস করে
সত্যের প্রমান চায়,
সাপের মতো খোলস বদল
স্বভাব থেকে যায় ।

কতনা অদ্ভূত সমাজ
ভাল কাজ মুছে যায়
সময়ের বাঁকে,
মন্দ কাজ রেকর্ড হয়
ইতিহাসের ফাঁকে ।

কতনা বিচিত্র জীবন সংস্কৃতি
একদিন না পেলে
ভুলে যায় স্মৃতি ,
স্বার্থের মোহে অন্ধ মানুষ
লাভের গায় গীতি ।।

কতনা অদ্ভূত মানুষ
অবুঝ তার মন,
সত্যকে আড়াল করে
মিথ্যার অনুশীলন।

কতনা অসহায় মানুষ
যত পায় তত চায় ,
অফুরন্ত চাহিদা তার
অভাব থেকে যায় ।

কতনা অবুঝ মানুষ
হিসেবের খাতায় ভুল
ক্ষনিকের মোহ মায়ায়
সৃষ্টির প্রেমে আকুল ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় টাকার কাছে
লোভের কাছে
বন্ধুত্বের কাছে
কখনো ভালবাসার কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় বিবেকের কাছে
সময়ের কাছে
অবশেষে মৃত্যুর কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
উজাড় করে জীবন,
একদিন নিজেই বোঝা
কেউ থাকেনা আপন।

কতনা অসহায় মানুষ
জানেনা তার কখন মরণ,
যেতে হবে ছেড়ে
মায়ার বাঁধন,
সব যাবে মুছে
কেউ করবেনা স্মরণ ।

এই বুঝি দুনিয়ার নিয়ম
বিদায়ের পরিনতি,
হাসি আর কান্নার মাঝে
জীবনের ইতি ।

রচনাকাল: ১৫/১২/২০২৫

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ