আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

পরিচ্ছন্ন চমেক গড়তে ২০০টি বর্জ্যের বিন স্থাপন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ক্লিন বাংলাদেশ” এর উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে মোট ২০০টি বিন স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার প্রাথমিকভাবে ১০০টি বিন হস্তান্তর করা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: জসিম উদ্দিন, অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এবং বিগ্রেডিয়ার মো: তসলিম উদ্দিন, পরিচালক, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লিন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শওকত হোসেন জনি এবং প্রোগ্রাম পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর রিসাত। এছাড়া, ক্লিন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ডা. বেলায়েত হোসেন-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,“চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের অন্যতম ব্যস্ত হাসপাতাল। প্রতিদিন হাজারো রোগী ও তাদের স্বজনরা এখানে আসেন। সচেতনতা অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, যা রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। ক্লিন বাংলাদেশের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করবো এবং নগরীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।”

ক্লিন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শওকত হোসেন জনি বলেন,“আমরা চাই, চট্টগ্রাম শুধু একটি শহর নয়, এটি পরিচ্ছন্নতার একটি আদর্শ মডেল হোক। হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি সরাসরি রোগীদের সুস্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত হাসপাতাল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি। ভবিষ্যতে নগরীর অন্যান্য হাসপাতালেও এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।”এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লিন বাংলাদেশ-এর লিডার ইমন, আলভী, তানজিপা, প্রমি, জাহিদ, সদস্য হিসেবে ছিলো সাকিব, নাজিফা, পায়েল, নুসরাত, মাইমুনা, আরিয়ানা, মারুফ, আয়েশা , পার্থ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ