বোয়ালখালীর সাকিয়া পেল প্রেসিডেন্ট,স স্কাউট আ্যওয়ার্ড

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জন করেছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গার ইউনিয়নের কৃর্তসন্তান আফছানা আকতার সাকিয়া। সে ২০২৩ সালের পিএস মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রোগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোছা. মাহফুজা পারভীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনোনীত হওয়াদের ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফলে পূর্ণ চন্দ্র সেন

সারোয়াতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের গার্লস ইন স্কাউট আফছানা আকতার সাকিয়া ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের’’ জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। সে ওই স্কুলের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সাকিয়ার গ্রামের বাড়ি আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের আহলা শেখ চৌধুরী পাড়ায়। তার বাবার নাম জহুরুল আলম ও মায়ের নাম পারভিন আকতার। জানা গেছে, গাজীপুর মৌচাকে জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড এবং প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রার্থীদের মূল্যায়ন ক্যাম্প। যেখানে প্রেসিডেন্টস স্কাউট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কাউটরা

অংশগ্রহণ করে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ে লিখিত, মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতার পরীক্ষা দিয়ে এই সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করতে হয়। এ সবগুলো ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরেই ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জিত হয়। প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজে উপস্থিত থেকে প্রদান করে থাকেন।
অ্যাওয়ার্ড পরবর্তী অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আফছানা আকতার সাকিয়া বলে, ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করা প্রত্যেক স্কাউটের জীবনে স্বপ্ন থাকে। এটি আমার জীবনে সব চেয়ে বড় অর্জন। স্কাউট জীবনের শুরু থেকেই আমি সবসময় এই সম্মাননা অর্জনের স্বপ্ন দেখতাম। আমার সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য আমার পরিবার, স্কুল, সহপাঠী, সম্পৃক্ত সকল লিডারসহ স্কাউটসের সাবেক-বর্তমান সকল স্কাউট সদস্যের প্রতি অশেষ

কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অবদানের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলে, ‘আমার এ অ্যাওয়ার্ড অর্জনে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল। পাশাপাশি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হাসান স্যারের অকৃপণ সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেনার ও বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান ফারুকী স্যারের অকৃত্রিম সাহস ও প্রচেষ্টার দ্বারা এ প্রাপ্তি সম্ভব হয়েছে। এদিকে, আফছানা আকতার সাকিয়ার ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জনে খুশি পরিবারসহ তার প্রাণ প্রিয় বিদ্যাপিঠের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা। তার এ অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এছাড়া, স্কুলের বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তণ শিক্ষার্থী পরিষদ থেকেও তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ