আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বোয়ালখালীর সাকিয়া পেল প্রেসিডেন্ট,স স্কাউট আ্যওয়ার্ড

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জন করেছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গার ইউনিয়নের কৃর্তসন্তান আফছানা আকতার সাকিয়া। সে ২০২৩ সালের পিএস মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রোগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোছা. মাহফুজা পারভীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনোনীত হওয়াদের ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফলে পূর্ণ চন্দ্র সেন

সারোয়াতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের গার্লস ইন স্কাউট আফছানা আকতার সাকিয়া ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের’’ জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। সে ওই স্কুলের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সাকিয়ার গ্রামের বাড়ি আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের আহলা শেখ চৌধুরী পাড়ায়। তার বাবার নাম জহুরুল আলম ও মায়ের নাম পারভিন আকতার। জানা গেছে, গাজীপুর মৌচাকে জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড এবং প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রার্থীদের মূল্যায়ন ক্যাম্প। যেখানে প্রেসিডেন্টস স্কাউট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কাউটরা

অংশগ্রহণ করে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ে লিখিত, মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতার পরীক্ষা দিয়ে এই সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করতে হয়। এ সবগুলো ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরেই ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জিত হয়। প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজে উপস্থিত থেকে প্রদান করে থাকেন।
অ্যাওয়ার্ড পরবর্তী অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আফছানা আকতার সাকিয়া বলে, ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করা প্রত্যেক স্কাউটের জীবনে স্বপ্ন থাকে। এটি আমার জীবনে সব চেয়ে বড় অর্জন। স্কাউট জীবনের শুরু থেকেই আমি সবসময় এই সম্মাননা অর্জনের স্বপ্ন দেখতাম। আমার সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য আমার পরিবার, স্কুল, সহপাঠী, সম্পৃক্ত সকল লিডারসহ স্কাউটসের সাবেক-বর্তমান সকল স্কাউট সদস্যের প্রতি অশেষ

কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অবদানের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলে, ‘আমার এ অ্যাওয়ার্ড অর্জনে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল। পাশাপাশি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হাসান স্যারের অকৃপণ সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেনার ও বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান ফারুকী স্যারের অকৃত্রিম সাহস ও প্রচেষ্টার দ্বারা এ প্রাপ্তি সম্ভব হয়েছে। এদিকে, আফছানা আকতার সাকিয়ার ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জনে খুশি পরিবারসহ তার প্রাণ প্রিয় বিদ্যাপিঠের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা। তার এ অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এছাড়া, স্কুলের বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তণ শিক্ষার্থী পরিষদ থেকেও তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ