আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীর সাকিয়া পেল প্রেসিডেন্ট,স স্কাউট আ্যওয়ার্ড

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জন করেছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গার ইউনিয়নের কৃর্তসন্তান আফছানা আকতার সাকিয়া। সে ২০২৩ সালের পিএস মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রোগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোছা. মাহফুজা পারভীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনোনীত হওয়াদের ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফলে পূর্ণ চন্দ্র সেন

সারোয়াতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের গার্লস ইন স্কাউট আফছানা আকতার সাকিয়া ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের’’ জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। সে ওই স্কুলের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সাকিয়ার গ্রামের বাড়ি আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের আহলা শেখ চৌধুরী পাড়ায়। তার বাবার নাম জহুরুল আলম ও মায়ের নাম পারভিন আকতার। জানা গেছে, গাজীপুর মৌচাকে জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড এবং প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রার্থীদের মূল্যায়ন ক্যাম্প। যেখানে প্রেসিডেন্টস স্কাউট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কাউটরা

অংশগ্রহণ করে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ে লিখিত, মৌখিক, ব্যবহারিক ও সাঁতার পরীক্ষা দিয়ে এই সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করতে হয়। এ সবগুলো ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরেই ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জিত হয়। প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজে উপস্থিত থেকে প্রদান করে থাকেন।
অ্যাওয়ার্ড পরবর্তী অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আফছানা আকতার সাকিয়া বলে, ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করা প্রত্যেক স্কাউটের জীবনে স্বপ্ন থাকে। এটি আমার জীবনে সব চেয়ে বড় অর্জন। স্কাউট জীবনের শুরু থেকেই আমি সবসময় এই সম্মাননা অর্জনের স্বপ্ন দেখতাম। আমার সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এ অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য আমার পরিবার, স্কুল, সহপাঠী, সম্পৃক্ত সকল লিডারসহ স্কাউটসের সাবেক-বর্তমান সকল স্কাউট সদস্যের প্রতি অশেষ

কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অবদানের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলে, ‘আমার এ অ্যাওয়ার্ড অর্জনে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল। পাশাপাশি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হাসান স্যারের অকৃপণ সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেনার ও বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান ফারুকী স্যারের অকৃত্রিম সাহস ও প্রচেষ্টার দ্বারা এ প্রাপ্তি সম্ভব হয়েছে। এদিকে, আফছানা আকতার সাকিয়ার ‘‘প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’’ অর্জনে খুশি পরিবারসহ তার প্রাণ প্রিয় বিদ্যাপিঠের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা। তার এ অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এছাড়া, স্কুলের বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রাক্তণ শিক্ষার্থী পরিষদ থেকেও তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ