ভোলায় দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বৈষম্যের বিরুদ্ধে উজ্জীবিত বরিশাল বিভাগের জনপ্রিয় দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কর্মরত সংবাদকর্মী, রাজনৈতিক ও সামাজিক শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে অন্যরকম এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

রবিবার ( ৮ জুন ২০২৫) সকাল ১১টায় দৈনিক বাংলাদেশ বাণী সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীন এর সভাপতিত্বে উপশহর কুঞ্জেরহাট গোল্ডেন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এন্ড পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় পুনর্মিলনী। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর উপদেষ্টা সম্পাদক সাখাওয়াত হোসাইন হাওলাদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক কবি রিপন শান, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলার সহ-সভাপতি ও মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের উপদেষ্টা শিক্ষাবিদ কবি ফিরোজ মাহমুদ, দৈনিক ভোরের ডাকের সিনিয়র রিপোর্টার ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য নাজিউর রহমান সোহেল ও বোরহানউদ্দিন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেজবাহউদ্দিন সম্রাট । দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর ভোলা জেলা প্রতিনিধি এম এম রহমানের সঞ্চালনায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন কাচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ সাদী হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালউদ্দিন মারুফ, দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড পত্রিকার স্টাফ করেসপন্ডেন্ট সাখাওয়াত প্রিন্স, দৈনিক বাংলা পত্রিকার ভোলা জেলা স্টাফ রিপোর্টার ইউসুফ হোসেন অনিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর উপদেষ্টা সম্পাদক ও ভোলা সমিতি ঢাকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসাইন হাওলাদার বলেন- বাংলাদেশ বাণী এখন বরিশাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে । আমরা চেষ্টা করছি আগামীতে কিভাবে দৈনিক বাংলাদেশ বানী পত্রিকাটিকে জাতীয়ভাবে প্রকাশ করা যায়। আমরা সকলের সহযোগিতায় ভিন্ন ধারার সাংবাদিকতা শুরু করতে চাই। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা যারা মফস্বলে সাংবাদিকতা করেন অনেক প্রতিকুলতা ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে একটি সংবাদ প্রকাশ করেন ; এ জন্য আপনাদের কে ধন্যবাদ জানাই। আমরা চিন্তা করছি ‘বাংলাদেশ বাণী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ করার জন্য। যাতে আমাদের এই প্রতিষ্ঠানের কোনো সাংবাদিক কোন সমস্যায় পড়লে আমরা তাকে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা করবো।

এসময় তিনি বাংলাদেশ বাণী পত্রিকাকে আরো ডিজিটালাইজড করার ঘোষণা দেন। সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক বাংলাদেশ বাণী সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীন বলেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার দায়িত্ব নেয়ার পর আমি চিন্তা করেছি কীভাবে এই পত্রিকাটিকে সামনে এগিয়ে নেয়া যায়, আপনাদের সমর্থন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাত মাসের ব্যবধানে এখন বরিশাল বিভাগে সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ বাণী। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ বাণীতে সত্য সংবাদ প্রকাশের পরও যদি কোনো প্রতিবেদকের নামে মামলা করা হয়, পত্রিকার পক্ষ থেকে তাকে পূর্নাঙ্গ আইনি সহায়তা করা হবে। একই সাথে সকল সাংবাদিকের জন্য ‘অনুসন্ধানী’ সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ’র ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি কবি এরশাদ সোহেল, চরফ্যাশন উপজেলা প্রতিনিধি মো. নূর উল্লাহ আরিফ, লালমোহন উপজেলা প্রতিনিধি আজিম উদ্দিন খান, তজুমদ্দিন উপজেলা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম ইকরাম, ভোলা সদর উপজেলা প্রতিনিধি মো. আবদুল্লাহ নোমান, দৌলতখান উপজেলা প্রতিনিধি মাকসুদুর রহমান পাটোয়ারী, মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি মো. মহিব্বুল্লাহ ইলিয়াছ, কুন্জেরহাট প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম, শশীভূষণ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি মো. মাকসুদুর রহমান, কামাল উদ্দিন তুহিন, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমাদ’র ৪১ তম মৃত্যুবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলার লালমোহনের কিংবদন্তি শিক্ষাবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধা মানবসেবক নামজাদা ফুটবলার সালাউদ্দিন মিয়ার ৪১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২১ মে ২০২৬ ।উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম মুন্সি আব্দুর রহমানের বংশধর সালাউদ্দিন আহমাদ, ভোলা কলেজের সাবেক অধ্যাপক মৌলানা মনসুর আহমাদ গোল্ডমেডেলিস্ট এবং বেগম বদরুন্নেসা আহমাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র । লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা গ্রামের বনেদি পরিবারের সন্তান সালাউদ্দিন আহমাদ ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম সেক্টরের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিপুল বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন । একি সময়ে তিনি চট্টগ্রাম জোনের মুক্তিযুদ্ধের মহান সংগঠক এম এ আজিজের একান্ত উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন । এম এ আজিজের পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত হাজি মোহাব্বত আলী একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন সালাউদ্দিন আহমাদ । ১৯৭১ এর রণাঙ্গনে বিপুল বিক্রমে যুদ্ধ করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মহান সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের সাথে ব্যক্তিগত ঘণিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় ভোলার বীরযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমাদের।

লালমোহন শাহবাজপুর কলেজের একসময়ের খ্যাতিমান ইংরেজি শিক্ষক সালাউদ্দিন আহমাদ বিচিত্র কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে ভোলা মাসুমা খানম গার্লস হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক, ডাওরীরহাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক, লালমোহন হাইস্কুলের উপপ্রধানশিক্ষক, সীতাকুণ্ড লতিফা সিদ্দিকা মেমোরিয়াল হাইস্কুলের উপপ্রধানশিক্ষক ছিলেন । তিনি ধলীগৌরনগর হাইস্কুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা । দুই মেয়াদে সভাপতি ছিলেন ঐতিহ্যবাহী করিমগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সহোদর ভাইয়ের নামে লালমোহন উপজেলায় প্রথম বেসরকারি গণগ্রন্হাগার ” শহীদ জামাল স্মৃতিপাঠাগার” প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সত্তুর এবং আশির দশকে পাঠক সৃষ্টিতে রেখে গেছেন কালজয়ী অবদান ।
ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ও ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান , তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আজিমউদ্দিন লিটন , চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শরিফউদ্দিন টিপু এবং চতলা করিমুন্নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মেজবাহউদ্দিন রুবেল শান বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমাদের সন্তান।

মরহুম সালাউদ্দিন আহমাদের ৪১ তম মৃত্যুবার্ষিকীর অবিস্মরণীয় দিনটি (২১ মে ২০২৬) মরহুমের কবর জিয়ারত, স্মরণ ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে উদযাপন করবে- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ # ভোলা জেলা কমান্ড কাউন্সিল এবং শান ফাউন্ডেশন।

ভোলার ইলেকট্রিশিয়ানদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর মতবিনিময় সভা করলো এমইপি গ্রুপ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশীয় নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত ইলিকট্রিসিটি এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের গুণগত মান ও বিস্তার নিয়ে ভোলা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত ইলেকট্রিক টেকনেশিয়ানদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর মতবিনিময় সভা আয়োজন করলো দেশের প্রথম সারির ইলেকট্রনিক শিল্প উৎপাদন প্রতিষ্ঠান এমইপি গ্রুপ ।

১৯ মে ২০২৬ মঙ্গলবার বিকেলে লালমোহন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নীচতলায় অবস্থিত ভুতের বাড়ি চাইনীজ রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত আলোঝলমল অনুষ্ঠানে, এমইপি গ্রুপ লালমোহন উপজেলা ডিস্ট্রিবিউটর ও মেসার্স রহমান ইলেকট্রনিক্স এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ নাজিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কোম্পানির ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব সভাপতি ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ভোলা জেলা সংসদের আহবায়ক সিনিয়র প্রভাষক কবি রিপন শান । সম্মানিত মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুলাদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান ।

অনুষ্ঠানে এমইপি পণ্য সমূহের মান নিয়ে মূল্যবান মতামত পরিবেশন করেন- ভোলা জেলার ইলেক্ট্রিক টেকনেশিয়ানগণ । ডিজিটাল স্ক্রিনে কোম্পানির বায়ান্ন বছরের ইতিহাস ও অগ্রগতি, বর্তমান কার্যক্রম এবং আকর্ষণীয় রেফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্যে দিয়ে শেষ হয় এমইপি গ্রুপ আয়োজিত ইলেকট্রেশিয়ান মতবিনিময় সভা ।।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ