আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনায় ভারতে নিহত বাংলাদেশির লাশ সীমান্ত দিয়ে হস্তান্তর।

মোঃ নূর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  ভারতের মেঘালয়ে স্থানীয়দের হাতে নিহত হওয়া এক বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ বিএসএফ ও বিজিবির মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মেইন ফিলার ১১৮৮ সংলগ্ন মহেশখোলা বিওপি কলমাকান্দা এলাকা দিয়ে লাশটি হস্তান্তর করা হয়।

    নিহত ব্যক্তির নাম মো. আকরাম হোসেন (৩২)। তিনি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার বাঁকাকুড়া গ্রামের মৃত জহির উদ্দীনের ছেলে।

    ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি হিলস জেলায় গত ১০ আগস্ট আকরাম অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অপহরণের চেষ্টায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। এ সময় তাদের গণপিটুনিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

    মেঘালয় পুলিশ এ ঘটনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাংলাদেশি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে। পরবর্তীতে ভারতীয় পুলিশ লাশটি বিএসএফ’র কাছে হস্তান্তর করে। বিএসএফ ও বিজিবির সমন্বয়ে লাশটি কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    নিহত আকরামের ভাই শেখ ফরিদ বলেন,
    আমার ছোট ভাই আকরাম হোসেনের মৃত্যুর খবর আমি প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি। খবর পাওয়ার পর থেকেই আমি বিজিবি এবং ঝিনাইগাতি থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ রেখেছি, যেন আমার ভাইয়ের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে আনা যায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লাশ দেশে ফেরানো হয়েছে —এ জন্য বিএসএফ, বিজিবি এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

    তবে আমার পরিবারের অবস্থা খুবই খারাপ, মা শোকে ভেঙে পড়েছেন। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যেন আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আমার ভাইয়ের লাশ দ্রুত আমাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে—সেদিকে সকলের দৃষ্টি থাকে।

    কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “বিএসএফ ও বিজিবির সমন্বয়ে নিহত বাংলাদেশির লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে লাশ নিহতেরপরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ