আজঃ শুক্রবার ২৭ মার্চ, ২০২৬

এস আলমের বিরুদ্ধে মামলা : ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৪৮ কোটি টাকা পাচার।্

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৪৮ টাকা তুলে পাচারের অভিযোগে বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম মাসুদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন। দুদকের চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা মিফতাহ উদ্দিন, মোহাম্মদ মনিরুল মাওলা ও আকিজ উদ্দীন এবং মেহের স্পিনিং মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান ও পরিচালক শওকত উসমান, টপ টেন ট্রেডিং হাউজের মালিক আলমাছ আলী, গোল্ড স্টার ট্রেডিং হাউজের মালিক বেদারুল ইসলাম এবং আলম ট্রেডিংয়ের মালিক নুরুল আলম।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে এস আলম গ্রুপের সেসময়কার মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫৪৮ কোটি টাকা মেহের স্পিনিং, টপ টেন ট্রেডিং, গোল্ড স্টার ট্রেডিং ও আলম ট্রেডিংয়ের বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাব নম্বরে স্থানান্তর করেন। এরপর সেই টাকা নেওয়া হয় এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এস আলম সুপার এডিবল অয়েল, সোনালী ট্রেডার্স, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েলের নামে ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখায় চলতি হিসাবে। এরপর সেই টাকা পাচার করা হয়েছে বলে ‍দুদকের তদন্তে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে দুর্নীতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা পাচারের অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ও ৪২০ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের বেসরকারি ব্যাংক খাতে সুনামের সাথে নেতৃত্ব দেয়া ইসলামী ব্যাংক গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘দখলে’ নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। ব্যাংকটির সিংহভাগ মালিকানা তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ইসলামী ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ উঠেছে এস আলমের বিরুদ্ধে।গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। অন্তর্বর্তী সরকার এসে ব্যাংকটিকে এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুগ্ম সচিব পরিদর্শনে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বুধবার ২৫ মার্চ দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকমিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি রোগীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তচাপ পরিমাপ করেন এবং চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছ থেকেও চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুফিয়ান সহ অন্যান্য চিকিৎসক, কনসালটেন্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে পরিদর্শনের দিন ৯১ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। অতিরিক্ত রোগী সেবা প্রদান এবং হাসপাতালের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ