আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

পাথর মেরে মানুষ হত্যার ইতিহাস আর রচনা করতে চাইনা“মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী জেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, “চাঁদাবাজ, লুটেরা ও দালালদের আর সংসদে দেখতে চায় না জনগণ। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৎ, দেশপ্রেমিক ও ঈমানদার নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার বারবার হরণ করা হয়েছে। দুর্নীতিবাজদের দাপটে রাষ্ট্র আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে। অথচ সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অগ্নিমূল্যে দিশেহারা।

এ অবস্থায় দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং ত্যাগী ও সৎ নেতৃত্বকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে হবে।চরমোনাই পীর জোর দিয়ে বলেন,“জনগণ আর চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের মুখ দেখতে চায় না। এদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” তিনি দেশের তরুণ সমাজকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান এবং ভোটাধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দেন।

ইসলামভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গৌরবময় ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা উপযোগীদের শান্তির জনপদে রূপান্তরিত করার প্রত্যয়ে বুধবার রায়পুরা পৌরসভা মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর, শায়খে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের নির্বাহী পরিচালক নরসিংদী- ৫, রায়পুরা আসনের হাত পাখার মনোনয়ন প্রত্যাশি হাফেজ মাওলানা মো. বদরুজ্জামান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি শাহ ইফতেখার তারিক, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি আতীকুর রহমান মুজাহিদ, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শফিকুল ইসলাম সরকার, মাওলানা আইয়ুব বিন মেহেদী উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রায়পুরা উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মতিন (শিপন মোল্লা), সঞ্চালনায় ছিলেন মুফতি সাজেদুল্লাহ সায়েম।

দলীয় সূত্র জানায়, “নিরাপদ ও শালীনতার রায়পুরা গড়ার” অঙ্গীকার নিয়ে এ বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো নেতা-কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে মাওলানা বদরুজ্জামানের হাতে হাতপাখা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ