আজঃ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জালসা থেকে কিশোর অপহরণ, শিকলে বেঁধে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জালসা থেকে এক কিশোর কে তুলে এনে শিকল দিয়ে বেঁধে রাত ভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর)রাত ৮ টার দিকে উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আদাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কিশোরের নাম সাগর (১৫), সে ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামের করিম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাগরের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার দৌধুনিয়া গ্রামের এক স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে সাগর প্রেমিকার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ও কিছু স্বর্ণ ও রুপার অলংকার নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই অলংকার উদ্ধারের অজুহাতে প্রেমিকার মামারা সাগরকে তুলে এনে আদাবাড়িয়া গ্রামে ওই স্কুল ছাত্রীর নানা মোঃ শুকুর আলীর বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন করে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী তার নানির বাড়িতে বেড়াতে আসে। রাতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে সাগর আদাবাড়িয়া জলসায় গেলে সেখানে কথা বলার সময় প্রেমিকার মামা মোঃ ফারুক হোসেন, রাসেল ও জাকির হোসেন সাগর কে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাত ভর মারধর ও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ।

খবর পেয়ে ইউপি সদস্য মোঃ আসাব আলী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ পাঠান। তবে ঘটনার এক রাত এক দিন পার হলেও কিশোর কে উদ্ধার করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।স্কুলছাত্রীর মামা ফারুক হোসেনবলেন,জিনিসগুলো উদ্ধারের উদ্দেশ্যে তাকে তুলে এনে আটকে রেখেছি। একটু ভয় ভীতি দেখিয়েছি কিন্তু শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার বিষয় আমার জানা নেই। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ পায়নি। এ বিষয়ে আমরা অবগত নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

চট্টগ্রামে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কন্ট্রোল রুম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্থাপিত ‘অপারেশন্স কমান্ড ও কন্ট্রোল রুম’ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি ও নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে একটি সমন্বিত অপারেশন্স কমান্ড ও কন্ট্রোল কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বডিওর্ন ক্যামেরা ওয়ার্ক স্টেশন, লাইভ লোকেশন মনিটরিং সিস্টেম এবং ডিজিটাল অপারেশনাল ম্যাপের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্বে থাকা ১১৯টি মোবাইল টিম ও ৩০টি স্ট্রাইকিং পার্টিকে এই কন্ট্রোল রুমের আওতায় কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলার ১৭টি থানার সব ওসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রিয়েল-টাইমে টিমগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অবস্থিত কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. আহসান হাবীব পলাশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদ।

এছাড়া ওই কন্ট্রোল রুমে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের ব্যবহৃত ৪৬৯টি বডিওর্ন ক্যামেরা অনলাইনে সংযুক্ত রয়েছে। কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি এসব ক্যামেরার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

ডিজিটাল অপারেশনাল ম্যাপে জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের মোট ১ হাজার ৩৫৮টি ভোটকেন্দ্রের অবস্থান (লাল, হলুদ ও সবুজ শ্রেণি) চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রের নাম, অবস্থান, ঝুঁকির মাত্রা, প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট থানার দূরত্বের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগে ওয়াকিটকি সাব-স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিমের লাইভ লোকেশন পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। জরুরি সমন্বয়ের জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার, জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল জানান, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় কন্ট্রোল রুম থেকে নির্বাচন কার্যক্রম কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থার অবসান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে না হওয়ার ঘোষণা আসার পর চলমান লাগাতার ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানান।বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ