আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

শিক্ষার্থীরা ধার্মিক হলে ক্যাম্পাস সুন্দর হয়ে যাবে- চবি উপাচার্য।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, ধর্ম সব সময় কল্যাণের কথা বলে, সেটা যে ধর্মই হোক। ধার্মিক মানুষ কখনো অন্যের ক্ষতি করতে পারে না। ধর্মের সাথে আমাদের সম্পর্ক যত বাড়বে ততই অপকর্ম কমে যাবে। শিক্ষার্থীরা ধার্মিক হলে চবি ক্যাম্পাস আরও সুন্দর হয়ে যাবে। ক্যাম্পাসে কোনো বিশৃঙ্খলা থাকবে না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের উদ্যোগে শুক্রবার বাদ মাগরিব পবিত্র ‘মি’রাজুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চবি উপাচার্য।

চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, মুসলমানদের ইবাদতের মধ্যে একটা স্বাদ আছে, সেই স্বাদ না পাইলে ইবাদত করে মজা পাবেন না। অনেকে ধর্ম পালন করে কিন্তু দুর্নীতি করে, এমন ধর্ম পালন কোনো কাজে আসবে না। উপাচার্য বলেন, মি’রাজের ঘটনা নিয়ে আগে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করতো, কিন্তু বিজ্ঞানীদের গবেষণার কারণে এখন অমুসলিমরা সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। উপাচার্য বলেন, চবি ক্যাম্পাস সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন।

উক্ত মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। পবিত্র মি’রাজের তাৎপর্য নিয়ে মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরবি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার এবং চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন। আলোচনায় প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার কোরআনের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, মি’রাজে রাসূল (সা.) যে বাহনে ছড়েছিলেন সেটির নাম হলো বোরাক। এ বাহন নিয়ে বিজ্ঞানীরা বহু গবেষণার পর আশ্চর্য হয়ে গেছেন। যেটা বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন সম্ভব, সেটা দেড় হাজার বছর আগে রাসূল (সা.) এর সাথে ঘটেছিল। তিনি বলেন, কোরআন বলছে মানুষের তকদীর বা ভাগ্য নির্ধারিত, মেডিকেল সায়েন্স এখন বলছে মানুষের সাথে কখন কি ঘটবে সেটা জানা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিজ্ঞানের গবেষণা যত বাড়বে, ততই কোরআন তথা সত্য প্রমাণিত হবে অমুসলিমদের কাছে। সবাই মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসলাম সত্য, কোরআন সত্য।

এতে আরও আলোচনা পেশ করেন চবি শাহজালাল হলের সিনিয়র পেশ ইমাম (ডেপুটি রেজিস্ট্রার) মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আজম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চবি উত্তর ক্যাম্পাস জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম (ডেপুটি রেজিস্ট্রার) মাওলানা আবুল হাসান মুহাম্মদ নাঈমুল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চবি বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ