আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

যাকে চিনে না মানুষ তাকে ভোট দেবে কেমনে? আসিফ কে শহীদ ওমরের মা।

এস মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম–৮ আসনে ১০ দলীয় জোট আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফকে মনোনয়ন দিয়েছে। কিন্তু মাঠের গল্পটা একেবারেই অন্য রকম। বিশেষ করে জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবু নাসেরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মনোভাব, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক এবং তার জনপ্রিয়তা সব মিলিয়ে যেন জোটের সিদ্ধান্তের ওপর ছায়া ফেলে দিয়েছে।

এই দ্বন্দ্ব, এই অস্বস্তির সব রং স্পষ্ট হয়ে ওঠে আজ (২৬ জানুয়ারি) সোমবার বোয়ালখালীর উপজেলার ফুলতল দুপুরে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ মো. ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তারের মুখে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া আজ ফুলতলায় গণসংযোগে যান। পোস্টার, মাইক, কয়েক ডজন কর্মী-সব মিলিয়ে প্রচারণার সাধারণ ছবি। কিন্তু উপস্থিত জনতার দৃষ্টি তখন অন্য দিকে শহিদ ওমরের মা রুবি আক্তার কাছে আসতেই মানুষের ভিড় জমে যায়। অল্প কথায়, শান্ত গলায়, কিন্তু ক্ষতবিক্ষত অভিজ্ঞতা আর গভীর আক্ষেপ মিশিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ৮ আসনে স্থানীয় মানুষের ভোট বেশি। স্থানীয় মানুষ চাইবে স্থানীয় মানুষকেই ভোট দিতে।

তিনি বলেন, জুলাইকে কখনো বিক্রি করিনি, কোনো সুবিধাও নেইনি। আমরা মতো পরিবার এলাকার জন্য সবসময়ই ছিলাম। এই আসন যদি কোনো কারণে খালি হয়ে যায় বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

রুবি আক্তারের কথা মাঝপথে থামিয়ে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, আন্টি, আমরা ১০ দলীয় জোট। সবাই যদি সহযোগিতা করে, এই সিট কখনো হাতছাড়া হবে না। রুবি আক্তার তার কথার উত্তরে বলেন, জোট ঠিক আছে, কিন্তু এখানে স্থানীয় মানুষ অনেক বেশি। জোটের ভোট ২০ শতাংশ, স্থানীয় ভোট ৮০ শতাংশ। যাকে প্রার্থী দিয়েছেন তাকে তো কেউ চিনে না।

রুবি আক্তারের এই কথায় শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, এলাকার নির্বাচনি অঙ্কও উঠে আসে যেন ! এ সময় আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা তো এখনো মাঠে নেমে গেছি।

এর জবাবে রুবি আকতার স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাহলে আমি বলি এই আসনটি ওপেন রাখা হোক। এনসিপিও করবে, জামায়াতের আবু নাসের ভাইও করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়ে নিঃস্ব ৪ পরিবার, অসহায়দের পাশে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার টি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের সিংগাড়ি গ্রামে। জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি বসত ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িতে। এতে চারটি পরিবারের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ধান, চাল, সরিষা ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো-
মৃত খইমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী সবুরা খাতুন, মৃত আজগার আলী মন্ডলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন এবং মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় অষ্টমনীষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান জাহান বকুল, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন যুব ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী উপস্থিত ছিলেন।

 

দুবাই এয়ারপোর্টের কাছে ড্রোন পড়ে বাংলাদেশি-সহ চারজন আহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে বুধবার সকালে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (DXB) আশেপাশে দুটি ড্রোন পড়ে, যার ফলে দুই ঘানার নাগরিক এবং একজন বাংলাদেশী নাগরিক সামান্য আহত হন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক মাঝারি আহত হন। বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।City & Local Guides

DXB এবং DWC পরিচালনাকারী দুবাই বিমানবন্দর, সংক্ষিপ্ত বিঘ্নের পর ৭ মার্চ থেকে আংশিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।সময়সূচী পরিবর্তন অব্যাহত থাকায়, যাত্রীদের তাদের বিমান সংস্থা কর্তৃক তাদের বিমান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

DXB-তে একটি কনকোর্সে একটি ঘটনায় সামান্য ক্ষতি হয়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জরুরি প্রতিক্রিয়া দলগুলিকে তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পরিচালনা করা হয়।

চারজন কর্মী আহত হন এবং তাদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই জরুরি পরিকল্পনার কারণে, বেশিরভাগ টার্মিনাল আগেই যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল,বিমানবন্দরটি পূর্বের এক বিবৃতিতে বলেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ