এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান রাব্বুল আলামিন তার সৃষ্টি জগতকে সুন্দর ও নিজস্ব চলার গতিতে পরিচালিত করে থাকেন তার সুনিপুণ দিকনির্দেশনা মাধ্যমে। সৃষ্টি জগতে কোথাও কোন ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় না। রাত-দিন, সূর্য চন্দ্র , গ্রহ, নক্ষত্র নিজ নিজ অক্ষে এবং সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে সদা পরিচালিত। রহস্যময়তায় ভরা আমাদের এই পৃথিবী এবং জীবজগৎ। এই পৃথিবীর সৃষ্টির শুরু থেকে আজ এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগ পর্যন্ত যা কিছু দৃশ্যমান সবই মহান রব্বুল আলামীনের কুদরতের বহিঃপ্রকাশ পৃথিবীকে বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলা এবং আবাদ করার পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন এবং যাচ্ছেন নবী-রাসুল,অলি আবদাল গাউস কুতুব মোজাদ্দেদ তথা মহান অলি আল্লাহগণ। তেমনি যুগ সংস্কারক মহান অলি হলেন হযরত আল্লামা সৈয়দ গাজী ইমামুদ্দিন পীর বদর শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি।

বাংলাদেশ ছোট একটি বদ্বীপ অঞ্চল।আল্লাহ তার অপার মহিমায় সাজিয়েছেন এই দেশকে। নদী, সমুদ্র, পাহাড়, বন-জঙ্গল এ বেষ্টিত পাহাড়ি কন্যা বা ঝর্ণাধারিনী’ চট্টগ্রাম’সে আদিকাল থেকে আকৃষ্ট করতো বিভিন্ন জাতিকে। এই ভূমিটি পবিত্র হয়েছে আল্লাহর ওলীদের পবিত্র কদমের ছোঁয়ায়। কিন্তু এই পাহাড়ি কন্যা বর্তমান রূপে আসতে প্রথমত যার অবদান অনস্বীকার্য তিনি হলেন গাউসে সামদানী কুতুবেরাব্বানি হযরত আল্লামা সৈয়দ পীর বদর শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি। বাংলাদেশের মানচিত্রে চট্টগ্রাম এক সুপ্রাচীন জনপথ প্রাগৈতিহাসিক দলিল পেরি প্লাস অফ দা ইরিথ্রিয়ান সি এর স্কেচ চিত্রে চট্টগ্রাম শহরের চিহ্ন সুস্পষ্ট। মহাভারতে বর্ণিত কিরাত রাজা বা গ্রিক পর্যটকদের উল্লেখিত কিরা দি রাজা যে চট্টগ্রাম তা ম্যাক্রিন্ডন ও পাজীরটারের মতো পণ্ডিতরা ও স্বীকার করেন। আরাকানের প্রাচীন ইতিহাস রাজো আং এ উল্লেখ আছে চট্টগ্রাম একসময় ব্রহ্মদেশ রূপে গণ্য ছিল। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকের মধ্যভাগে অর্থাৎ ১৪৬ সালে চন্দ্র সূর্য নামে মগদের এক সামন্ত ভূস্বামী চট্টগ্রাম থেকে আরাকান পর্যন্ত এলাকা দখল করে আরাকানের ধান্য বতিতে রাজধানী স্থাপন করে একটি রাজ্য গঠন করেন এবং রাজা হন। তারা চন্দ্র-সূর্য রাজবংশ নামে পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত একটানা শাসন করেন। পরবর্তীতে তাদের অন্ত দ্বন্দ্ব এর সুযোগে খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে চট্টগ্রাম সমতটের খড়খ রাজবংশ সপ্তম শতকে সমতটের দেবরাজ বংশের অধীনে চলে যায়। অষ্টম শতকে চট্টগ্রাম ধর্ম পালের রাজ্য ভুক্ত হয়। তখন বঙ্গোপসাগর কে বলা হত হরিকেল সমুদ্র। দশম শতকে আরাকানের চন্দ্র সূর্য রাজবংশ পুনরায় চট্টগ্রাম জয় করে নিজ এলাকাভুক্ত করেন।এই সময় প্রতিষ্ঠিত বিজয়স্তম্ভে ,” চেত্তগং”বা যুদ্ধ করা অনুচিত কথাটি উল্লেখ করা হয়। আরাকান রাজবংশীয় উপখ্যান “রন্দজাতুয়ে,” সূত্রে জানা যায় ৯৫৩ সালে আরাকান রাজ সুলতইঙ্গ চন্দয়ত মূর্তন বিজয় করে সেই দেশে একটি বিজয় স্তম্ভ স্থাপন করে তার উক্তি অনুসারে সেই দেশের নাম হয় চেত্তগং (জার্নাল অব দি এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল কলকাতা ১৮৪৪ পৃষ্ঠা নম্বর: ৩৬)
চট্টগ্রাম ব্রহ্মদেশের পগাঁ রাজ, প্যাট্রিক রাজ, সমদর দেব রাজ বংশ আরাকান রা সহ বিভিন্ন শাসকদের পরাধীন ছিল। জঙ্গল আকীর্ণ নদী বিধৌত এই অঞ্চল অরাজকতার শীর্ষে পৌঁছে ছিল। তখন আল্লাহ রাববুল আলামীনের বেলায়তের প্রতিনিধি মোজাদ্দেদ হিসেবে হজরত পীর বদর আউলিয়া (রহঃ) আগমন ঘটে এই অঞ্চলে। বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের সাথে সুফি সাধক পীর আউলিয়া, আলেম গণের নাম অঙ্গা অঙ্গি ভাবে জড়িত। আরব, ইরান, ইয়েমেন,খোরাসান,মধ্য এশিয়া ও উত্তর ভারত থেকে সুফি ও আলেমগণ বাংলাই আগমন করেন।
গাউছে ছামদানি মাহবুবে সুবহানি কুতুবে রাব্বানী সুলতানুল অলি গাজী ইমাম উদ্দিন হযরত সৈয়দ পীর বদর রহমাতুল্লাহ আলাইহি ১৩০০ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে চট্টগ্রাম শহরে আগমন করেন। হযরত পীর বদর শাহ ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দে মুসলমান কর্তৃক সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম বিজয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাংলা প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে (১৩৩৮-১৩৫০) তার সেনাপতি কদলখান গাজী (রহঃ) এর সহায়তায় শাহ বদর (রহঃ) ও তার সহচরগণ মগদের পরাজিত ও বিতাড়িত করে চট্টগ্রামে মুসলিম শাসনের সূচনা করেন। সপ্তদশ শতকের শেষার্ধে শিহাব উদ্দিন তালিস লিখিত ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি যে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দ চট্টগ্রাম মুসলমানদের দ্বারা সর্বপ্রথম বিজিত হয়। পর্যটক ইবনে বতুতা (১৩৪৬ থেকে ১৩৪৭) সালে যখন বাংলা সফর করেন তখন তিনি চট্টগ্রাম শহর ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ এর শাসনাধীন দেখেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ইসলাম প্রচারের প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায় সপ্তদশ শতকের চট্টগ্রামের কবি মুহাম্মদ খানের মুকতল হুসেন কাব্যে (রচনাকাল ১৬৪৬ খ্রিস্টাব্দ)কবিতার পিতা মাতার বংশ পরিচয় দিতে গিয়ে সর্বপ্রথম মুসলমানদের চট্টগ্রাম বিজয় কাহিনী বর্ণনা দিয়েছেন এবং চট্টগ্রামের বার আউলিয়ার কথাও বলেছেন।

“এক মনে প্রণাম করি বারে বার কদলখান গাজী পীর ত্রিভুবন সার যার রণে পড়িল অক্ষয় (অসংখ্য)রিপুদল,
ভয়ে কেহ মজ্জি গেল সমুদ্রের তল,
এক মর মহিম হইল প্রাণহীন,
রিপু যিনি চাটি গ্রাম কৈলা নিজাধিন,
বৃক্ষ ডালে(তলে) বসি ছিলা কাফিরেরগণ,
সেই বৃক্ষ ছেদী সবে করিলাম নিধন,
তান একাদশ মিত্র করম প্রণাম,
পুস্তকভাবে এহেতু না লিখিলু নাম,
তান একাদশ মিত্র জিনিয়া চাটিগ্রাম,
মুসলমান কৈলা চট্টগ্রাম অনুপম।”
পাণ্ডুলিপিতে আরো উল্লেখ আছে যে যুদ্ধ জয়শেষে কদল খান গাজী যখন শিবিরে ফিরেছিলেন। তখন তিনি নিজের কয়েকজন বন্ধু দরবেশকে দেখলেন। তাদের মধ্যে হাজী খলিল ও শাহ বদর রাহমাতুল্লাহ আলাইহি ছিলেন সুবিখ্যাত।কদলখান গাজী তাদের নিয়ে গেলেন। হাজী খলিল কে দেখে হযরত শাহ বদর রহমাতুল্লাহ আলাইহি খুশি হলেন । বোঝা গেল বেশ বড় রকমের যুদ্ধ হয়েছিল।তাতে অমুসলিম পক্ষ সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছিল এবং এই যুদ্ধে দরবেশ বাহিনী ও যথেষ্ট সাহায্য করেছিল।
এই থেকে প্রমাণ হয় যে চট্টগ্রাম সর্বপ্রথম বিজিত হয় কদলখান গাজীসহ বারো আউলিয়ার মাধ্যমে এবং আরেকটি সত্য প্রমাণিত হয় কর্তৃক চট্টগ্রাম বিজয়ের পূর্বে হযরত শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি চট্টগ্রামে অবস্থান করেন। ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি জীবিত ছিলেন। তিনি কদলখান গাজীর আগে আল্লাহর নির্দেশে আরব দেশ হতে চট্টগ্রাম আসেন ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি বিশাল পাথর খন্ডে (কিস্তি) অলৌকিক শক্তি বলে আরব সাগর পাড়ি দেন। তিনি বাংলাদেশে প্রবেশের আগে বার্মা অবস্থান করেন পামেলা গুড ম্যান লিখিত “বারমা’স লস্ট কিংডম” শিরোনামে যুক্ত গ্রন্থে এই বদর মোকামের পরিচয় পাওয়া যায়। পামেলা লিখেছেন বুদ্ধ আউলিয়া নামে পরিচিত পীরের সম্মানে ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানরা এটি নির্মাণ করেন। ৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে আরাকানের ব্রিটিশ কমিশনার বদর মোকাম সম্পর্কে এক বিবরণ লিখে যান। তারপর তিনি টেকনাফ শহর থেকে একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে সর্বশেষ প্রান্তের নাম বদর মোকাম নামক স্থানে বার্মা থেকে আসার পথে যাত্রা বিরতি করেন। আগের দিনে এই বদর মোকাম ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে এপ্রিল মাসে প্রলয়নকারী ঘূর্ণিঝড়ে এই স্মৃতি বিজড়িত স্থান অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বর্তমানে (১৯৯১) সালে বদর মোকামের কিছু জায়গা চর আকারে পুনরায় জেগে উঠেছে। টেকনাফ থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে এই মহান অলি এবাদতের উদ্দেশ্যে যাত্রা বিরতি করেন। বর্তমানে কক্সবাজার সদরে বদর মোকাম মসজিদ নামে স্থানটি পরিচিতি লাভ করে।
এরপর কক্সবাজার হতে পুনরায় যাত্রা শুরু করে চকরিয়ায় বদরখালী নামক স্থানে তিনি যাত্রা বিরতি করেন।তারপর তিনি কর্ণফুলী নদী হয়ে (বর্তমানে পাথরঘাটা) দিয়ে বক্সিরহাটে এসে পৌঁছলেন এবং বকশিবাজারস্থ মাটির মাজার (মেট্যে মাজার) নামক স্থানে তিনি উজু করেন এবং চুল, গোঁফ, দাড়ি মুবারক কেটে ছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। বর্তমানে দরগা প্রাঙ্গনে তার আস্তানা গড়ে তোলেন। তার এবাদতের নির্জনতার জন্য এবং জিন, পরীদের আর মগদের দৌরাত্ব দমন করতে বর্তমান (চারাগি পাহাড়) নামক স্থানে অবস্থান করেন এবং জিন পরীদের সাথে তার আধ্যাত্মিক যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবার একটি মাটির প্রদীপ চাটি রাখার স্থান চেয়ে নিয়ে সেখান থেকে ইসলামের ঐশী আলো ছড়িয়ে সমগ্র চট্টগ্রাম আলোকিত করেন।
চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন ঐতিহাসিক গন বিভিন্ন তথ্য লিখে গিয়েছেন। তার মধ্যে হযরত পীর বদর শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহির এর এই অঞ্চলে আগমন এবং চেরাগ বা চাটি জ্বালিয়ে অলৌকিক ইসলাম এর আলো ছড়িয়ে তিনি যে সভ্য জাতির বীজ বপন করে গিয়েছেন তা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য এবং স্বীকৃত।হজরত বদর শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি কতৃক অশুভ শক্তিকে বিতাড়িত করে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই অঞ্চলের নাম চাটি গ্রাম বা চাট গাঁ নামের পরিচিত। আজও চট্টগ্রামের লোকেরা ধাতব বা মাটির তৈরি প্রদীপ কে চেরাগ বা চাটি বা চাডি বলে। মূলত ১৩০০ খ্রিস্টাব্দের পর হতে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন পর্যটক ও ঐতিহাসিকদের বর্ণনা থেকে চট্টগ্রাম নামের প্রমাণ মিলে।
এই মহান সাধক এক আধারে বেলায়েতের সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মাদারজাত অলি এবং মোজাদ্দেদ ছিলেন সেই সাথে তিনি যোদ্ধা অর্থাৎ গাজী হিসেবে এই অঞ্চলে খ্যাতি লাভ করেন তার জীবনের যেই সময়টুকু তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলে কাটিয়েছেন তা বহুল ঘটনার সমৃদ্ধ এবং কারামত সম্বলিত। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ পর্যন্ত তিনি মানবতার ধর্ম ইসলামের সুশীতল বাতাসে চট্টগ্রামের জমিনকে পবিত্র ভূমিতে রূপান্তরে অক্লান্ত চেষ্টা করে গিয়েছিলেন এই মহান অলি প্রায় ৮০০ বছর পূর্বে আমাদের জন্য বয়ে এনেছিলেন ইসলামের আলো তার এই প্রশংসায় আল্লামা হযরত আজিজুল হক শেরে বাংলা শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি তার রচিত “দিওয়ান-ই-আজিজ” “এ উল্লেখ করেন চাটগাম আবাদ আজওয়াই গোশত বেশক মারহাবা আযদাহ মিশলে বদর বেশক মিয়ানে আউলিয়া”।
অর্থ: নিশ্চয়ই তার দ্বারা চট্টগ্রাম আবাদ হয়েছে তাকে স্বাগতম অলিগনের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে পূর্ণিমা চাঁদের মতো হয়ে এসেছেন।
“মাসকানে জিন্ন ও পরীমুদাহ বেলা আসক চাটগাম এক চেরাগ আদাযাহ যুশজা গেরেফতাহলা কালাম”
অর্থ: নিঃসন্দেহে চট্টগ্রাম ছিল জিন ও পরীর বাসস্থান তিনি মাত্র একটি চেরাগ পরিমাণ জায়গা তাদের থেকে নিয়েছিলেন এতে সবাই একমত কারো দ্বিমত নেই।।
“দর বদর পাতি বেদানি রওজােয়ে পুর নূরে উ মারদুমা পুর ফায়য বা শন্দ দাইমান আযযাতে উ”
অর্থ: তার নূরানী মাজার বদর পাতিতে অবস্থিত মানুষ সবসময় তার পবিত্র সত্তা থেকে ফয়েজ প্রাপ্ত হচ্ছেন।
হযরত পীর বদর শাহ রহমাতুল্লাহ আলাইহি ১৩০০ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে যে কোন এক সময়ে উফাত প্রাপ্ত হন ঐতিহাসিক গবেষক এবং আউলিয়া একরাম গণের মতামত অনুসারে তিনি ১৩৪০ সালের পরে (পহেলা ছাওয়াল বা চাঁদরাতে )উফাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন। প্রয়াত মতয়াল্লি সৈয়দ দেরাযদ্দৌল্লাহ ফকিরের সময় থেকে ভক্তদের ওরশ শরীফে অংশগ্রহণের সুবিধার জন্য এবং রমজান ও ঈদুল ফিতরের কারণে প্রতিবছর (৯ সাওয়াল) এই মহান অলি আল্লার বার্ষিকী ওরশ শরীফ পালন করা হয়। ব্যাপক ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যপূর্ণভাবে এই মহান সাধকের মাজার প্রাঙ্গনে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় দিনটি। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই শ্রদ্ধা ভরে এই মহান ওলীকে আজও স্মরণ করেন।
লেখিকা: অ্যাডভোকেট শাহাজাদী মুক্তা, বদরপতি, বক্সহিরহাট, হজরত পীর বদর শাহ (রহঃ) মাজার শরীফ, চট্টগ্রাম।









