আজঃ সোমবার ৩০ মার্চ, ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় বিএনপি’র নেতা নিহত

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ (৬৫) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তিনি ভাঙ্গুড়া উপজেলার কলকতি গ্রামের বাসিন্দা।শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাটোরের বনপাড়া–হাটিকুমরুল মহাসড়কের রাজ্জাক মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েেছেন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিসিডিবি ভাঙ্গুড়া শাখার ম্যানেজার ইন্দ্রজিৎ। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।জানা গেছে ,দুই-তিন দিন আগে সিসিডিবি ভাঙ্গুড়া শাখার ম্যানেজার ইন্দ্রজিতের বাাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বেড়াতে যান আব্দুল আজিজ। শুক্রবার সেখান থেকে মোটরসাইকেলে তারা ফিরছিলেন। পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাটোরের বনপাড়া- হাটিকুমরুল মহাসড় কে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাসটি মোটরসাইকেলটি কে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। এতে দুইজন গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল আজিজ কে মৃত ঘোষণা করেন ও ইন্দ্রজিৎকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় রাতেই নিহতের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।এদিকে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ এর মৃত্যুতে ভাঙ্গুড়া বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরে উদ্ধার হওয়া প্রাইভেটকারকে ঘিরে রহস্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে উদ্ধার হওয়া প্রাইভেটকারকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে সোনা পাচারসহ হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ। গাড়িটির মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে।

মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিরা খাতুন নিজেকে গাড়িটির মালিক দাবি করেছেন। তিনি জানান, তার স্বামী আলী আহমেদ, যিনি নিজেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচয় দিতেন, গত ৫ জানুয়ারি মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই বেনাপোল এলাকার ‘গোল্ড শহিদ’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তাকে ফোনে হুমকি দিতে শুরু করে। তাদের দাবি, আলী আহমেদ তাদের অনেক সোনার বার আত্মসাৎ করেছেন এবং সেগুলো ফেরত দিতে হবে। না হলে তাকে ও তার ছেলেকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

হিরা খাতুন আরও জানান, ক্রমাগত হুমকির মুখে তিনি একপর্যায়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। এসব সোনা বা বিরোধের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলেও দাবি করেন। প্রাইভেটকারটি ফেরত পেতে তিনি আদালতের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হিরা খাতুনের ছেলে ফাইমুর রহমান সান, যিনি যশোর আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, গত ৮ জানুয়ারি শহরের আরবপুর এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের শিকার হন। অজ্ঞাত ৩-৪ জন ব্যক্তি তার চোখ বেঁধে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং তার ব্যবহৃত একটি আইফোন ও প্রাইভেটকারটি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পরে পুলিশি তৎপরতায় মাগুরা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে যশোরে আনা হয়। জানা যায়, গাড়িটি আইনজীবী কল্লোল নামে এক ব্যক্তির কাছে ছিল। তিনি শনিবার রাত ৮টার দিকে গাড়িটি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে গাড়িটি কোতোয়ালি থানার হেফাজতে রয়েছে।

এদিকে পুলিশের একটি সূত্র দাবি করেছে, আলী আহমেদ নিজেই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ওই প্রাইভেটকার ব্যবহার করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারে ভূমিকা রাখতেন। বেনাপোলের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সুযোগ বুঝে তিনি কিছু সোনার বার আত্মসাৎ করেছিলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।পুলিশের ধারণা, তার মৃত্যুর পর সেই সোনা উদ্ধারে চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং এরই অংশ হিসেবে গাড়িটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, “মূলত দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ছিল। সেই সূত্রে একটি পক্ষ গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয়, যা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রকৃত মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে গাড়িটি তার জিম্মায় দেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।#

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সুলতানপুর দিঘীর কাদামাটি থেকে মূল্যবান কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া থানাধীন খান মরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে একটি পুকুরের কাদামাটি থেকে প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে।জানা যায়, উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের লালদীঘি পুকুরের (সরকারি ) ২২ বিঘা জব্বার হোসেনের বাড়ির নিকটে তার প্রায় ১০/১২ বছর বয়সী মেয়ে শনিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পুকুরের কাদামাটিতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় হঠাৎ তার চোখে একটি অস্বাভাবিক বস্তু ধরা পড়ে। পরে সে বিষয়টি তার মাকে জানায় এবং পরবর্তীতে তার বাবাকেও অবগত করে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় উৎসব জনতা ভীড় জমাতে শুরু করে। এলাকার কিছু লোকজন তখন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনোয়ার হোসেন মিঠু কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনোয়ার হোসেন মিঠু সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান কে বিষয়টি জানান। পরে ভাঙ্গুড়া থানার পুলিশ প্রশাসন কে পাঠিয়ে, রাত প্রায় ১০ টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া থানায় নিয়ে আসে।
উদ্ধারকৃত মূর্তিটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিষ্ণু দেবতা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ১৪ ইঞ্চি, প্রস্থ ১২ ইঞ্চি এবং ওজন ৯ কেজি ৬৪০ গ্রাম।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছে,ঘটনাটি খানমরিচ ইউনিয়নের হিন্দু ধর্ম অবলম্বীদের বিষ্ণু মূর্তি বলে ধারণা করা যাছে আমরা খবর পাওয়া মাত্রই মূর্তিটি থানায় হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে, মূর্তিটির প্রকৃত ইতিহাস ও মূল্য নির্ধারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ