আজঃ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালীতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় হাওলা কুতুবিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

এতে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনছারী, মাওলানা জামাল উদ্দিন, মাওলানা নুরুদ্দিন ও অভিভাবক এম. জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, একটি কুচক্রী মহল ঐতিহ্যবাহী হাওলা কুতুবিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার করে আসছে। পাশাপাশি মাদ্রাসার শিক্ষক ও গভর্নিং বডির সদস্যদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করছে। অনতিবিলম্বে এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। উল্লেখ্য গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় এসএম সাহাদাত হোসেন নামের এক ব্যক্তি মাদ্রাসার শিক্ষক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহিম, মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান, মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস. এম. মোদ্দাচ্ছেরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় শাহ মালেকিয়া শামসুন নূর হেফজ ও এতিমখানায় বিদায় সংবর্ধনা ও পাগড়ি প্রদান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ায় কুতুব শরীফ দরবার পরিচালিত শাহ মালেকিয়া শামসুন নূর হেফজ ও এতিমখানার উদ্যোগে হেফজ সম্পন্নকারী ছাত্রদের বিদায় সংবর্ধনা, পাগড়ি প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও কুতুব শরীফ দরবার পরিচালক আলহাজ্ব শাহজাদা শেখ ফরিদ আল কুতুবী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুতুব শরীফ দরবারের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এম.এম মুনিরুল মন্নান আল মাদানী, যুগ্ম পরিচালক যথাক্রমে শাহজাদা আতিকুল মিল্লাত আল কুতুবী, শাহজাদা ছৈয়দুল মিল্লাত আল কুতুবী, শাহজাদা জিল্লুল করিম আল কুতুবী ও হিলফুল ফুজুল কুতুবদিয়া সংগঠনের সভাপতি শেখ আখতারুল হক আল কুতুবী।

অনুষ্ঠানে শাহজাদাবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, পবিত্র কুরআনের হাফেজরা সমাজের আলোকবর্তিকা। তাদের মাধ্যমে ইসলামি শিক্ষা ও নৈতিকতা সমাজে আরও সুদৃঢ় হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দ্বীনের খেদমতে নিজেদের নিয়োজিত রাখার আহ্বান জানান।

শাহজাদাবৃন্দ কুরআনে হাফেজ হওয়া ছাত্রদেরকে সম্মাননা স্বরূপ পাগড়ি পরিয়ে দেন ও তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের
মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র হেফজখানার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাও: ছানা উল্লাহ, দারুল হিকমাহ আল মালেকিয়া দাখিল মাদ্রাসা সহ- সুপার মো: মিজানুর রহমান, সহকারী মৌলভী মো: মীর মোশাররফ হোসেন, আল জাবেরিয়া হেফজ ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক হাফেজ শফিকুল ইসলাম সিকদার, শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো: ইউনুস ও শিক্ষক আবদুল আজিজসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউ কে চিং-এর নামে পাড়ার নামকরণের দাবি সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


​পার্বত্য চট্টগ্রামের অবাঙ্গালি জাতির প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউ কে চিং বীর বিক্রমের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁর নামে পাড়ার নামকরণের দাবি জানিয়েছে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’। সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই জোরালো দাবি উত্থাপন করেন।

​ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পার্বত্য অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীগুলোর যে বীরত্বগাথা রয়েছে, তার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ইউ কে চিং বীর বিক্রম। দেশের জন্য তাঁর আত্মত্যাগ এবং সাহসিকতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি মনে করেন, তাঁর নামে একটি পাড়ার নামকরণ করা হলে তা কেবল তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানোই হবে না, বরং এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম এবং সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।

​ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক আরও উল্লেখ করেন যে, সিএইচটি সম্প্রীতি জোট সবসময় পাহাড়ের উন্নয়নের পাশাপাশি এখানকার বীর সন্তানদের মর্যাদা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। ইউ কে চিং-এর নামে নামকরণের এই দাবি এলাকার সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন।​পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় প্রশাসন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ