এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা পৌর শহরের খালে নেমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন এমপি ডা. আনোয়ারুল হক ও নেতাকর্মীরা।
ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক। জনসচেতনতা বাড়াতে তিনি নিজেই খালে নেমে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নেত্রকোনা পৌর শহরের জেলখানা রোড থেকে আবু আব্বাস কলেজ পর্যন্ত খালজুড়ে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে সরাসরি খালে নেমে ময়লা অপসারণে অংশ নেন এমপি।
অভিযান উদ্বোধনকালে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। এসব রোগের প্রধান বাহক এডিস মশা, যা জমে থাকা নোংরা পানিতে জন্মায়। তাই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আশপাশসহ খাল-বিল, ডোবা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে নয়, জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব। আমরা যদি নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, তাহলে অনেকাংশে ঝুঁকি কমে যাবে।এ সময় তিনি ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ি’ এই স্লোগান সামনে রেখে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান, পৌর প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম সরদার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, বিএনপি নেতা ফরিদ আহমেদ ফকির, মো. কামরুল হক, যুবদল নেতা সৈয়দ আজহারুল ইসলাম কমল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সারোয়ার আলম এলিনসহ ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে ছিল, যার ফলে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। এমপির এই উদ্যোগে খাল পরিষ্কার হলে পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনি ডেঙ্গুর ঝুঁকিও কমবে বলে আশা করছেন তারা।
মাসব্যাপী এ কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌর এলাকার বিভিন্ন খাল ও নালা পরিষ্কার করা হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।



সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।





