আজঃ বৃহস্পতিবার ২১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে তালবদ্ধ ঘর থেকে ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার, ২৫১ সিম জব্দ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর থেকে অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে র‌্যাব।হালিশহর থানাধীন এলাকায় অভিযানে এ সময় একাধিক মোবাইল অপারেটরের ২৫১টি সিমকার্ড, আটটি সিমবক্সসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে।বুধবার র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, উদ্ধার করা আলামত হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ জানায়, র‌্যাব জানতে পারে- হালিশহর আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। পরে মঙ্গলবার দিনগত রাতে র‌্যাব-৭ এর একটি দল বিটিআরসি ও এনটিএমসির কারিগরি সহায়তায় ওই এলাকায় অভিযান চালায়।অভিযানে হালিশহর আবাসিক এলাকার ২৪ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সরঞ্জামগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে- সাতটি ২৫৬ পোর্টের সিমবক্স, একটি ৫১২ পোর্টের সিমবক্স, তিনটি রাউটার, তিনটি পাওয়ার অ্যাডাপটার, দুটি মাইক্রোনেট সুইচ, একটি টিপি-লিংক সুইচ, একটি ডিজিটাল হোম ইউপিএস, একটি ব্যাটারি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি। এছাড়া গ্রামীণফোনের ২০টি ও টেলিটকের ২৩১টিসহ মোট ২৫১টি সিমকার্ড।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে আকাশ হত্যা মামলার আসামী রেন্ডি ঢাকায় গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পাহাড়তলীর আকাশ দাস (২৬) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো. রায়হান ওরফে রেন্ডিকে (১৯) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। বুধবার ঢাকার হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৭ এর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। গ্রেফতার রায়হান হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সওদাগর মিয়ার বাড়ি এলাকার ইসমাইলের ছেলে।

এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে পাহাড়তলী থানার বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি এলাকায় আকাশ দাসকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পরদিন আকাশের বাবা বাবুল দাস পাহাড়তলী থানায় হত্যা মামলা করেন।

র‌্যাব জানায়, হত্যার পর থেকে প্রধান আসামি রায়হান পলাতক ছিলেন। গোপন সূত্রে জানা যায়, তিনি ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে সোমবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-৩ ঢাকার যৌথ অভিযানে হাজারীবাগ থানার কালুনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রূপগঞ্জে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘর্ষ, হামলা ও রক্তক্ষয়ের ঘটনা ঘটেছে। এবার কাঞ্চন পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজাম্মেল হককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিরাব খালপাড় গ্রামের শাহজাহানের ছেলে কাওসার মিয়া ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে কাওসার মিয়ার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক মুজাম্মেল হকের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

ঘটনার পর কাঞ্চন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কাওসার মিয়া এলাকায় একটি প্রভাবশালী সশস্ত্র গ্রুপ গড়ে তুলে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, বোমাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দখলবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিরাব খালপাড় ও তারাইল এলাকায় সংঘটিত একাধিক সহিংস ঘটনার সঙ্গে কাওসার মিয়া ও তার অনুসারীদের নাম জড়িত। কয়েক বছর আগে বিরাব খালপাড় গ্রামের কামরুল নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, মাতাল অবস্থায় কামরুলের বুকে লাথি মারার পর তার মৃত্যু হলেও ঘটনাটি ‘স্ট্রোক’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া নবাব আশকারী মিলের অভ্যন্তরে থাকা শত কোটি টাকার সম্পদ লুট, বগুড়া থেকে মুরগির খাবারবাহী গাড়ি ডাকাতি, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগ নেতা আবুলের মাছের ঘের দখল ও মাছ লুটের ঘটনাতেও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, কাঞ্চন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হোসেন, তার ভাতিজা মাছুম ও ছেলে মুরাদকেও পূর্বে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোবারক হোসেন খোকন ও যুবদল নেতা বাদশার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, বোমাবাজি ও লুটপাটের ঘটনাও এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব হামলায় কাওসার ও রাব্বির নেতৃত্বাধীন গ্রুপ জড়িত ছিল।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, চোরাই মালামালের একটি ঘটনায় বগুড়া থানায় কাওসার মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কাওসার মিয়া পেশায় আকতার গ্রুপের একজন অ্যাকাউন্টস অফিসার হলেও পোল্ট্রি ফার্মের আড়ালে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। স্থানীয়দের দাবি, তার ভাগিনা আলিফ হাসান ও সহযোগী নিশাত চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ সদস্যের একটি কিশোর গ্যাং এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এ বাহিনী বিভিন্ন সময় অস্ত্রের মহড়া, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চললেও ভুক্তভোগীরা ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাওসার মিয়া বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মুজাম্মেল হকের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ