আজঃ বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ টিচার্স এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ টিচার্স এসোসিয়েশন-এর ২০২৬- ২০২৮ পর্যন্ত দুই বছর মেয়াদী কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া ও জেনারেল সেক্রেটারি ডা. রানা চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ১৭ সদস্যের কমিটির সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীয় নির্বাচিত হয়েছেন।

১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নির্বাচিত অন্যান্যরা হলেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা: সঞ্জয় কান্তি বিশ্বাস, জয়েন্ট সেক্রেটারী সহকারি অধ্যাপক ডা. মোঃ সাইফ উদ্দীন আজাদ, ট্রেজারার সহযোগী অধ্যাপক ডা: কামাল হোসেন, জয়েন্ট-ট্রেজারার সহযোগী অধ্যাপক ডা. চিন্ময় বৈদ্য, সায়েন্টিফিক ও পাবলিকেশন সেক্রেটারী সহকারি অধ্যাপক ডা: শরীফ ইমাম, অফিস সেক্রেটারী সহকারি অধ্যাপক ডা. মোঃ ইব্রাহিম সোহেল, কালচারাল ও এন্টারটেইনমেন্ট সেক্রেটারী সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফাহিম হাসান রেজা, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারী সহকারি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন, ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স সেক্রেটারী সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারাহ নাজ মাবুদ, ৬ জন সদস্য হলেন যথাক্রমে অধ্যাপক ডা: অনুপম বড়ুয়া, অধ্যাপক ডা. মো. জালাল উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. তাহেরা বেগম, অধ্যাপক ডা. মো. আবু তারেক ইকবাল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল আজিম, সহকারি অধ্যাপক ডা. শোয়াইবুল করিম।

গত ২৩ জুন ঘোষিত নির্বাচনী তফসীল অনুযায়ী ক) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, খ) আপত্তি গ্রহণ এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, গ) মনোনয়ন পত্র বিতরণ ও জমাদান, ঘ) মনোনয়ন পত্র বাছাই, ৬) মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। গৃহীত সকল মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়ায় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একজন সদস্য প্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করায় নিম্নোক্ত প্রার্থীগণকে পদানুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

নবনির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারি ডা. রানা চৌধুরী বলেন, মা ও শিশু হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করতে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ কলেজ পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করবেন। পাশাপাশি মেডিকেল কলেজে একটি উন্নত, আধুনিক ও ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতেও তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও বাড়ি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢলের কারণে কয়েকটি উপজেলাও কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি ওঠার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, টানা বর্ষণের কারণে দুদিন ধরে সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানি উঠতে থাকে। ফসলি জমি ও বাড়ি তলিয়ে যায়। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে বিস্তির্ণ এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। দুই লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে বলে জানা যায়।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, পুরো উপজেলার সবগুলো অর্থাৎ ১৭ ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গৃহবন্দী রয়েছে এসব এলাকার মানুষ। ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, সাতকানিয়ার কেরানিহাট এলাকার ব্যাপক এলাকায় পানি রয়েছে। এর ফলে সাতকানিয়া থেকে বান্দরবানের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বান্দরবান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এবং বৃষ্টির পানি যোগ হয়ে দুই থেকে তিন ধরে এলাকাগুলো বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে বলে জানা যায়।

এদিকে লোহাগাড়া উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত। এর মধ্যে আমিরাবাদ ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতগ্রিস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। তবে এগুলোতে লোকজন খুব একটা যাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, ৯ উপজেলার মধ্যে ৫টি কমবেশি আক্রান্ত হয়েছে। আমিরাবাদ ইউনিয়ন বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এখান থেকে ৯০ জনকে উদ্ধার করে আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া পদুয়া ইউনিয়নে গৃহবন্দী লোকজনকে উদ্ধার করার জন্য পাঠানো হয়।

চন্দনাইশের পাঁচটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এরমধ্যে ধোপাছড়ি, বরকল, বৈলতলী ইউনিয়ন বেশি আক্রান্ত হয়েছে। উপজেলায় ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, ১৩ হাজার লোক গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। ধোপাছড়ি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ওখানে সাড়ে তিনশত লোক বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে উঠছেন। শুকনো খাবার এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে। দোহাজারী এলাকায় পানি ওঠার কারণে কক্সবাজারের সঙ্গে সকালে যান চলাচল বন্ধ ছিল বলে জানান। তবে বর্তমানে তা চালু রয়েছে বলে ইউএনও জানিয়েছেন।

এছাড়া বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া, গণ্ডামারা, শেখেরখিল, নাপোড়া, খানখানাবাদসহ বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে লোকজনের। উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে আশ্রয়কন্দ্র খোলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, প্রায় সাড়ে ৪ লাখ লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বন্যায় সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। এ ছাড়া বাঁশখালীতেও গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরীফ উদ্দিন জানান, জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ বন্যায় এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাহাড় ধস ও পানিতে ভেসে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছেন। ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

দুর্যোগে জেলার ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-৯
চট্টগ্রাম ব্যুরো: দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক এ তথ্য জানান।
টানা পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল ও জলাবদ্ধতায় জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা, যেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।জেলার প্রতিটি উপজেলায় এবং জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রেখে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের জীবন। কোনো প্রাণ যেন সামান্য অসচেতনতার কারণেও ঝরে না পড়ে। সবাইকে অনুরোধ করব, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসুন।পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করা হচ্ছে। সেখান থেকে প্রতি ঘণ্টায় পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। প্রথম দফার বরাদ্দ ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। নতুন বরাদ্দও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে দ্রুত বিতরণ করা হবে, যাতে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ খাদ্যসংকটে না পড়েন।
উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারে সাতকানিয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ১০টি স্পিডবোট প্রয়োজন বলে জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগও করা হয়েছে। স্পিডবোট পাওয়া গেলে পানিবন্দী মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ আরও কার্যকর হবে। আপাতত নৌকার মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, রেড ক্রিসেন্ট, ইফসা, আনসার বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে নিয়ে পৃথক বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। যেকোনো দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এসব দল।
পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে নিজেও মাঠে থাকার কথা তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, তিনি লালখান বাজার, পোড়া পাহাড় ও ১ নম্বর ঝিলসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সেসব এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি শুকনো খাবার এবং রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে জেলার ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ভাষ্য, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষদের জন্য চিড়া, মুড়ি, গুড়, শিশুদের জন্য মাফিন, কেক, বিস্কুট, ওরস্যালাইন এবং পাঁচ লিটার করে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশে প্রায় আট হাজার মানুষ ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনো মানুষ যেন অভুক্ত না থাকেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনিক প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উপজেলায় পৃথক কন্ট্রোল রুম এবং জেলা প্রশাসনের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি পুরো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। তিনি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ