আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নয়-ছয় বুঝিনা, বাইরের ভিসি মানিনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সিভাসুতে বিক্ষোভ সমাবেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-১-২
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির সাথে সংহতি প্রকাশ করে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সিভাসু’র শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একযোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এরপর শহিদ মিনারের সামনে তাঁরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই পর্যন্ত সিভাসু’তে সর্বমোট পাঁচ জন উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। আর পাঁচজনের মধ্যে চার জন উপাচার্যই ছিলেন সিভাসু’র অধ্যাপক। সিভাসু’তে বর্তমানে কর্মরত অনেক অধ্যাপক রয়েছেন যাঁরা শিক্ষা, দেশি-বিদেশি গবেষণা, প্রকাশনা, নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এবং উপাচার্য হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন।
বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসনে অতি দ্রুত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকে নতুন উপাচার্য নিয়োগের জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তাঁরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সিভাসু’র বাইরে থেকে যদি উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে তাঁকে সিভাসু ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবেনা।
সমাবেশ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘বাইরের ভিসির ঠিকানা, সিভাসু’তে হবে না’, ‘নয়-ছয় বুঝিনা, বাইরের ভিসি মানিনা’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। সিভাসু’র কোন যোগ্য অধ্যাপক ভিসি হয়ে সিভাসু’র বন্ধ গেটের তালা খুলবেন উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাহির থেকে কোন ভিসি নিয়োগ দেওয়া হলে তাঁর সাথে কথা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেইটের বাইরে।
সমাবেশে অনুষদীয় ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টরসহ সর্বস্তরের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: কামালের সভাপতিত্বে সাধারণ শিক্ষকদের এক সভা সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এবং সভায় উপস্থিত সকলে উপরোল্লিখিত দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন এবং ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত বৃহস্পতিবার থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ, সড়ক অবরোধ ও মশাল মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। শাটডাউনের কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো আজকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত : চবি উপাচার্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বুধবার সকাল ১০টায় চবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।উদ্বোধনকালে চবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মোবাইলে আসক্ত না হয়ে খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে আমরা সব সময় উৎসাহিত করি। খেলাধুলা এর মধ্যে অন্যতম। খেলাধুলা করলে মন-মানসিকতা ভালো থাকবে। তিনি বলেন, ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত।

এজন্য শুধু আজকের দিনে নয়, সব সময় শরীরচর্চা, খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিয়োজিত রাখবে প্রত্যাশা করি।আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী ও আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানে চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুর রহমান জালাল উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, উপ-উপাচার্যদ্বয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যবসায় প্রশাসন ও আইন অনুষদের ডিন ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অলিম্পিক পতাকা এবং সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট হল পতাকা উত্তোলন করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ রাকিব হাসান রাজু। বিচারকদের পক্ষে প্রফেসর ড. আবু নছর মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ কবির হাসান শুভকে উপাচার্য শপথ বাক্য পাঠ করান।

সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আবুল বাশারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট। হলের পতাকা বহন করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ মো. নুরুন্নবী সোহান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি নেয়ামত উল্লাহ ফারাবী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব আহমেদ ও সোনিয়া পারভীন লাকি । প্রথম ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় পুরষ্কার বিতরণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক, সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, চাকসুর প্রতিনিধিবৃন্দ, সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) নিকাব পরা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার জেরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করার পর এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সই করা একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাচ্ছে যে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুকূল নয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ