আজঃ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল, ২০২৬

কিশোরগঞ্জে-আগুনে পুড়ল ৭ টি দোকান

স্টাফ রিপোর্টার, তৌহিদুল ইসলাম সরকর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের-হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ৭ টি দোকান ভূষ্মিভুত হয়েছে। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে পৌর এলাকার মিষ্টিপট্রি চৌ রাস্তায় এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানান ,আলাল মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। টিন ও কাঠের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ সময়ের মধ্যে কফিল মিয়ার ও জুয়েল মিয়ার হার্ডওয়্যারের দোকান ছাড়াও আল- আমিনের ওষুধের ফার্মেসী, কমিশনার রবি হোসেনের বৈশাখী খাবারের হোটেল, গোলাপ মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান ও শুকলালের জুতার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার শামছুল হক যদিও কোটি টাকার প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু ব্যবসায়িগণ বলেন, আমাদের দোকানের নগদ টাকা ও মালামাল সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যেখানে জুয়েল মিয়ার দাবী তাঁর দোকানেই দুই লাখ টাকা নগদ ছিলো ও কোটি টাকার উপরের হার্ডওয়্যারী সামগ্রী ছিলো।

এছাড়াও হার্ডওয়্যারী দোকানের কফিল মিয়া জানান, তার দোকানে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও ৬০ লাক টাকার উপরের মালামাল ছিলো। আল- আমিনের ফিরোজা মেডিকেল হলে ৩ লাখ টাকা নগদ ও ৫০ লাখ টাকার মালামাল ছিলো।

মুদি দোকানি গোবিন্দ জানান, তার ৬ লাখ টাকা নগদ ও কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। জুতার দোকানের মালিক শুকলাল জানান, তার নগদ ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রক্ষিত ছিলো, যার সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয়ীরা জানান, পাশেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গাড়িতে করে পানি আনার চেষ্টা করলে নদের পানি ময়লাযুক্ত ও পলিথিন বর্জ্যের কারনে ব্যর্থ হয়ে, পরে অন্য জায়গায় থেকে পানি সংগ্রহ করতে হওয়ায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের আরও দেরি হয়। বিলম্ব না হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হতো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-৪

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কেমাইক্রোবাস ও মিনি কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় একই পরিবারের আরও চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের খান দিঘি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পাঠানোর পর দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িগুলো জব্দ করা হয়। একজন মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওমরাহ হজ পালন শেষে মাইক্রোবাসযোগে এক প্রবাসী ও তার পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের ঈদগাহ নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। মাইক্রোবাসটি চুনতি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী একটি কাভার্ডভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের বিলে উল্টে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।

১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি সাংবাদিক দম্পতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২৫ বার তারিখ পেছাল। আলোচিত এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।বুধবার (১ এপ্রিল) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই’র অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির হলেও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়। বাকি আসামিরা হলেন— বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদকে আসামি করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ