আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

হাটহাজারীতে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের কল্যাণে ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, চট্টগ্রাম জেলায় হাটহাজারী উপজেলা একটি আধুনিক উপ শহর। তাই এ এলাকার ঐতিহ্য রক্ষায় প্রান্তিক পর্যায় থেকে সকল স্তরের বৈষম্য দূর করে জনগণের কল্যাণে সামগ্রিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আজ সকাল ১০ ঘটিকার সময় আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে এরই লক্ষ্যে অত্র সংগঠনের ৭৫টি ইউনিটের ২১টি সাংগঠনিক কমিটি গঠনকল্পে বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। ২১টি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটিগুলো

যথাক্রমে নাজির হাট কলেজ শাখার আহ্বায়ক মোঃ জমির উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ একরামুল হাসান লিটন, ফরহাদাবাদ নুর আলী মিয়ার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আইনুল হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ সালেহ উদ্দিন, শান্তির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আবুল বশর চৌধুরী, সদস্য সচিব মোঃ আরিফুল ইসলাম, পশ্চিম ধলই শাখার আহ্বায়ক মোঃ মুশফিকুল আলম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন, কাটির হাট মহিলা কলেজ শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস, সদস্য সচিব রোকেয়া জেসমিন, ফরহাদাবাদ বংশাল শাখার মোঃ নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব রবিউল হোসেন,

কাটির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রেজাউল করিম, এনায়েতপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য সচিব মোঃ আবু তাহের, গুমানমর্দন পেশকার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জে.ইউ. খান, সদস্য সচিব মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন, সাদেক নগর শাখার আহ্বায়ক এম.জে. চৌধুরী বাবর, সদস্য সচিব মোঃ জসিম উদ্দিন, গুমানমর্দন কাটাখালী শাখার আহ্বায়ক মিঠু বড়ুয়া, সদস্য সচিব মোঃ লোকমান হোসেন, নাঙ্গল মোড়া শাখার আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ শামসুল আলম, বালু খালী শাখার আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল করিম, সদস্য সচিব মোঃ সালাহ উদ্দিন, সরকার হাট বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ সেলিম উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রমিজ উদ্দিন, পশ্চিম মির্জাপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ
আজিজুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ আলী, মির্জাপুর ওবাইদুল্লাহ নগর শাখার আহ্বায়ক মোঃ শফিউল আলম, সদস্য সচিব মোঃ সুলতান আলম, চারিয়া মুরাদপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ ফোরকান, সদস্য সচিব মোঃ জানে আলম, চারিয়া বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ তৌহিদুল আলম, সদস্য সচিব মিলন কান্তি শীল, চারিয়া মুছার দোকান শাখার আহ্বায়ক মোঃ হায়দার, সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন, মির্জাপুর মুহুরী হাট শাখার মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন, সদস্য সচিব জিংকু বড়ুয়া, আলমপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুন কে দিয়ে গঠন করা হয়। বাকী ৫৪টি কমিটি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। এ কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় গ্রহণযোগ্য, শিক্ষিত, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রত্যেক ইউনিটের নূন্যতম ২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান বরাবরে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ফোরামের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আগামীতে হাটহাজারী কৃষি ইনস্টিটিউটকে হাটহাজারী কৃষি

বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, ফতেয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, কাটির হাট উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কেএস নজুমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্তকরণ, এনায়েতপুর থেকে সরকার হাটের মধ্যবর্তী স্থানে একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠান। সকল ধর্মের, বর্ণের, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহ অবস্থান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। অক্সিজেন থেকে নাজিরহাট পর্যন্ত, হাটহাজারী থেকে সত্ত্বারঘাট পর্যন্ত, কাপতাই রাস্তার মাথা থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত মূল সড়কের সাথে উপ-সড়ক ও নালাগুলোর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করণ। মদুনাঘাট হইতে নাজিরহাট পর্যন্ত হালদা নদীর পশ্চিমাংশ বেড়ি বাঁধ নির্মাণ। নাজিরহাট কলেজ মাঠ, কাটিরহাট মাঠ, মির্জাপুর মাঠ, হাটহাজারী মাঠ, ফতেয়াবাদ মাঠ, কুয়াইশ কলেজ মাঠকে খেলার মান উপযোগি করে মিনি স্টেডিয়াম

নির্মাণ এবং হাটহাজারীতে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করণ। হাটহাজারী সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইশত শয্যা বিশিষ্ট, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ত্রিশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তর করণ এবং একটি ডায়বেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ, হাটহাজারীর প্রেস ক্লাবের আধুনিকায়ন, হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা। যারা এ সংগঠনের সাথে কাজ করতে আগ্রহী তারা (সড়ংঃধভধসধংঁসনফ@মসধরষ.পড়স) ই-মেইলে অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে এমন বর্ণনা সহ জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ার তরকারি ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে ছোটন চেয়ারম্যান মানুষের দ্বারে দ্বারে, দ্বীপ জুড়ে প্রশংসা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ায় বড়ঘোপ বাজারের ফারাজ, পিতা- আবুল কাসেম, দক্ষিণ মগডেইল এক অসহায় তরকারি ব্যবসায়ী পেকুয়া সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তার পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন। তাঁর সাথে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন বাজার কমিটির সেক্রেটারি জাফর আলম কন্ট্রাক্টর ও সদস্যবৃন্দ।

দীর্ঘদিন ধরে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা ওই ব্যবসায়ী সম্প্রতি আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি ও আর্থিক সংকটে পড়ে তার পরিবার চিকিৎসার বিষয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগছেন ।এ অবস্থায় তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে ছোটন চেয়ারম্যান বড়ঘোপ বাজারের ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ব্যক্তি, সমাজসেবক ও বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ব্যবসায়ীকে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সংগ্রহে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ছোটন চেয়ারম্যান বলেন, “একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা রক্ষা করা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে তিনি আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।” তরকারি ব্যবসায়ী ফারাজের চিকিৎসার জন্য মোট ২,২৫,২৫০/= টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়া গেছে। ওই টাকা দিয়ে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে। সহায়তাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি বড়ঘোপ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দকে যারা আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।

স্থানীয়রা ছোটন চেয়ারম্যানের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, জনপ্রতিনিধির এমন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করবে।এদিকে, ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার জন্য ছোটন চেয়ারম্যানসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামে পারিবারিক মন্দির ও সদস্যদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীরতে পারিবারিক ভাবে নিয়মিত দেবদেবীর উদ্দেশ্যে নৈবদ্য প্রদান সহ পূজা অর্চণার সম্পাদনের স্থান শ্রী শ্রী মাতা কামরুপ কামাখ্যা মন্দিরের সাবেক পুরোহিত (সেবায়েত) উৎসব চক্রবর্তী নামের একব্যক্তিকে গুরুতর অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রতারণার দায়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করায় সদস্য ও মন্দিরে আগত ভক্তদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ভিডিও এবং অপপ্রচার ও অনলাইনে প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মন্দিরের সদস্য ও ভক্তবৃন্দরা।গতকাল সকালে মন্দির প্রতিষ্ঠিত সদস্যদের নীজ ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মন্দির প্রতিষ্ঠিতা মৃত সুনীল বরণ দেব এর সন্তান ডা: যীশুময় দেব।

এসময় সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার পিতা আসামের নীলাপর্বতে অবস্তিত শক্তিপীঠ কামরূপ কামাখ্যা মায়ের মন্দির দর্শনে যান, সেসময় আমার পিতার ভক্তি বিশ্বাসে মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন যে যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হলে মাকে নিজের গৃহে প্রাণ প্রতিষ্টিত করে পূজো করবেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে নিজ জায়গায় মায়ের প্রতিষ্টা করেন। আমার পিতা স্বর্গীয় শ্রী সুনীল বরন দেব। পরে শ্রী শ্রী মাতা কামরূপ কামাখ্যা মন্দিরের নিত্য দিনে পূজার জন্য একজন পুরোহিতের মাধ্যমে নিত্য পূজা পাঠ চলে আসছে অনেক বছর ধরে।

এমতাবস্থায় ২০২২ সালে পুরোহিতের অনিয়ম অনৈতিক আচরন চুরি সহ নানা অপকর্ম প্রমানিত হলে কর্মরত পুরোহিত ইষান চক্রবর্তীকে মন্দির হতে অব্যহতি দেই। তিনি আরও জানান, উৎসব চক্রবর্তীকে আমি চিনতাম না। সে পূর্বে ইশান চক্রবর্তী মাধ্যমে মন্দিরে মাঝে মধ্যে পূজা করতে দেখতাম। ইশান চক্রবর্ত্তীকে তার কৃতকার্যের জন্য মন্দিরের পূজো হইতে অব্যহতি দিলে একদিন অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্তী আমার কাছে তার পারিবারিক অসচ্ছলতা, বাবা মারা গেছে কাকাতো ভাইয়ের কাছে মানুষ হয়েছে বলে জানায় এবং তার কাছে পূজাপাঠ শিখে এবং আমাদের মন্দিরে পুরোহিত হিসেবে চাকরি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। সে এখন বেকার তার একটি চাকরি খুব প্রয়োজন বলে জানায়। তাই তার দারিদ্রতা ও মানবিক দৃষ্টি থেকে চিন্তা করে তাকে আমাদের পারিবারিক মন্দিরে নিত্য দিনের পূজা করতে মাসিক বেতনে নিয়োগ দিই।

তিনি আরও জানান, প্রথম কিছু দিন অভিযুক্ত
উৎসব চক্রবর্ত্তী নিয়মিত ও যতাযত পূজা অৰ্চনা করলেও, কিছুদিন যেতে না যেতে মন্দিরে আমার মাতা একাধিক বার উৎসব চক্রবর্ত্তী আচরনের বিষয়ে অভিযোগ দেন। তারপর উৎসব চক্রবর্ত্তী বিরুদ্ধে পুজোর অনিয়মসহ
নারীদের হেনস্তা ও ভক্তদের মনে ধর্মীয় আবেগে পূজি করে প্রতারনার কথা জানতে পারলে আমি প্রথম দিকে বিষয়টি এত গুরুত্ব না দিলে ভক্তবৃন্দরা বিষয়টি আমাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেন।

অভিযোগের পরে মন্দিরে তার অবস্থানকালে উৎসব চক্রবর্ত্তীর গতিবিধি সিসি ক্যামেরাই আমি নজরে আনি এবং দেখতে পাই যে, কোনো নারী ভক্ত মন্দিরে আসলে তার সাথে অশালীন আচরণ করতে থাকে। আমার মা উৎসব চক্রবর্ত্তীর বিষয়গুলো উল্লেখ করে তাকে মন্দির হতে চলে যেতে বললে আমার মায়ের উপর ক্ষিপ্ত হন। অনেক ভক্ত অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তীর বিরুদ্ধে তার অপকর্মের প্রমাণ দেন। সে মন্দিরে ঘটের জল ফুল বিপ্লপত্র বিক্রি করলে আমি তাকে হাতে নাতে ধরি এবং সতর্ক করি। এমনকি সে ভক্তদের কাছ হতে বিকাশে অর্থ নেবার অভিযোগ পাই।

আমাদের পারিবারিক মন্দির নিয়ম নীতি শৃংখলা ও সততার মধ্যে পারিবারিক ভাবে পরিচালিত হয়। তাই ভক্তদের সাথে কোন রকম ব্যবসা, প্রতারনা, বা অনৈতিকভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। এছাড়ার আমাদের পারিবারিক মন্দির
সন্ধ্যারাতির পর মায়ের প্রধান দরজা বন্ধ থাকে তাই অন্ধকার জগতের কোন সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে প্রতারক উৎসব চক্রবর্ত্তী আমাদের পারিবারিক নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করে মন্দিরে তান্ত্রিকতা মাধ্যমে ভক্তদের সাথে পুনরায় প্রতরনা করতে থাকে। এমনকি তার প্রতারণার জন্য আমি তাকে আবার হাতে নাতে ধরি এবং তাকে শেষ বারের মতো সতর্ক করি। কিন্তু সেই তাও কোন গুরুত্ব দেই না।

এর মধ্যে জানতে পারি তার আপন কাকাতো ভাই কাজল চক্রবর্তীর স্ত্রীর সাথে সে পরকীয়য়া শুরু করে। বিষয়টি জানার পর আমি কাজল চক্রবর্তী আনিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তাকে ডেকে বিষয়টা জানতে চাইলে সে এড়িযে যাবার চেষ্টা করে উল্টো তার ভাইের নামে অভিযোগ করেন। তাই বিষয়টা নিয়ে আমি কর্নপাত না করে আমরা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নিই এবং তাকে চাকরি হতে অব্যাহতি দিই। বিষয়টি সে জানতে পেরে আমাকে নানান প্রকার ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন ও অভিশাপ দেওয়ার ভয় দেখান। যেহেতু সে দারিদ্র সনাতনী হিন্দু ব্রাক্ষ্মন তাই অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তীকে তার দুমাসের পারিশ্রমিক অগ্রীম বুঝিয়ে দিয়ে বিদায় করি।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা তাকে পারিবারিক সিদ্ধান্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করি ২০২২ সালে। এরপর গত ৮ জুন সকালে সামাজিক যোগাযোগে মাধায়ে একটি ভিডিও নজরে আসে। সেখানে দেখতে পাই ৩ বছর আগে বিদায় করা উৎসব চক্রবর্তী হঠাৎ করে কেন বা কি উদ্দেশ্য আমার ও আমার পরিবারিক মন্দিরকে নিয়ে কুৎসা, নোংরা কুঠক্তি প্রচার করছে। এছাড়া অভিযুক্ত উৎসব চক্রবর্ত্তী ভিডিওতে এমন কিছু কুরুচিপূর্ণ শব্দ প্রয়োগ করেছে যা আমার চিকিৎসার পেশায় এবং আমার ছোট ভাই এড. বিশুময় দেবের মানহানি ঘটে। পরে আমি গত ১৬ জুলাই কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারন ডাইরি লিপিবদ্ধ করি। যাহার জিডি নং- ১৩৮৫। এছাড়া আমি সব রকমের প্রশাসনিক ভাবে আইনের আশ্রয় নিয়েছি যাতে তার যথাযথ বিচার ও শান্তি হয়। তার ফেসবুক আইডি পোষ্টটি প্রশাসনের কাছে দিয়েছি। তার ভিডিও বার্তা সত্য মিথ্যা যাচাই বাচাই করার জন্য এবং আমরা ডিজিটাল সাইবার আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি, পুলিশ প্রশাসন এই ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া উৎসব চক্রবর্তী সাথে যারা যারা জড়িত হয়ে মিথ্যা ও সাইবার ছলিং করেছেন তাদের সকলকে আইনের আওতায় এনে প্রশাসন যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান ডা: যীশুদেব। একই সঙ্গে সকল সনাতনী পরিবারকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য সকলের প্রতি বিনীত জানান। এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এড. বিশুময় দেব, নেভী দাশ অথৈ, সম্পদ চক্রবর্তী ও সঞ্জয় চক্রবর্তী সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ