আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরীর নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দেড়গুণ পুলিশ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা বন্ধে চট্টগ্রাম নগরীতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দেড়গুণ বেশি পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। সাদা পোশাকের সদস্যরাসহ সকল ইউনিটকে মাঠে নামানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
সিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রমজানের শুরু থেকেই পুরো চট্টগ্রাম নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মূল সড়কের পাশাপাশি অলি-গলিতে টহল জোরদার করা হয়েছে। মধ্য রমজান থেকে মার্কেট-শপিংমলের সামনে পুলিশি কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। এর পরের কার্যক্রম শুরু হবে ঈদের ছুটির শুরুর দিন থেকে, যাতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা মাঠে নামবেন।

ঈদের ছুটিসহ বন্ধের পুরোসময় ফাঁকা নগরী, ঈদ জামাত এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোকে ঘিরে এবার ঈদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি-মিডিয়া) মাহমুদা বেগম বলেন, আমরা যখন রমজান নিয়ে প্ল্যান করছিলাম, তখন ঈদেরটাও মোটামুটি করে রেখেছিলাম। কারণ রমজানের শেষ ১০ দিনে মার্কেটগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে। মার্কেটকেন্দ্রিক আমাদের পেট্টল টিম কাজ করছে। আবার ঈদের ছুটিতে বাড়ি-ঘরে যাওয়ার তাড়া থাকে। এবার সরকারি ছুটি বেশি। মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি যেতে পারে, সেজন্য বাস টার্মিনালগুলোতে আমরা নিরাপত্তা বাড়িয়েছি।
তিনি বলেন, ঈদের সময় নগরী ফাঁকা হয়ে যাবে।

মানুষজন থাকবে না। আমাদের নাগরিকদের আমরা আহ্বান জানাবো, নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। নিজেদের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগালে তাহলে সেটা মোবাইলের মাধ্যমে দেশের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন দেখতে পারবে। এ ছাড়া ঈদে পুলিশের টহল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বাড়ানো হবে।
এডিসি মাহমুদা আরও জানিয়েছেন, ঈদের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে নগরীতে দেড়গুণ বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলো থেকে আবাসিক এলাকার তালিকার পাশাপাশি তাদের চূড়ান্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

আবাসিক এলাকা এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোর দিকে পুলিশের নজর বেশি থাকবে বলে তিনি জানান।
নগর পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা এবং ফাঁকা নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাদা পোশাকে ২০০ পুলিশ সদস্য এবার মাঠে নামানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি পুলিশের অন্যান্য টিমও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সিটিএসবির ২০০ সদস্যকে আমরা মাঠে রাখব। ঈদের নামাজ, বিনোদন কেন্দ্র, ফাঁকা নগরীর নিরাপত্তা- মোটামুটি সবকিছু নিয়েই প্ল্যান করা হয়েছে। মানুষ যাতে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় হয়রানির শিকার না হয়, সেটাও আমরা নজরদারিতে রাখব।
সিএমপি কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নগরীতে যেভাবে ছিনতাই-চুরি বেড়ে গিয়েছিল, রমজান আসার আগেই সেটার

লাগাম টানতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। ১৬ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রচুর চোর-ছিনতাইকারীসহ পেশাদার অপরাধী গ্রেফতার করা হয়েছে। ছিনতাই কমে যাওয়ায় এবার নগরবাসী স্বস্তিতে ঈদের বাজার করতে পারছেন। একইভাবে ঈদুল ফিতরও স্বস্তিতে কাটবে বলে সিএমপি কর্মকর্তাদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ