শাহজাদপুরে বিএনপির কান্ডারী ও অভিভাবক ড. এম.এ মুহিত কে সামনে রেখে কর্মী হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সেবা করতে চাই – মোঃ আব্দুল জব্বার

‎মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী স্টাফ রিপোর্টার,‎সিরাজগঞ্জ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎বীরমুক্তিযোদ্ধা মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন সৈনিক শাহজাদপুরের জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি মোঃ আব্দুল জব্বার। জাতীয়ভাবে দুইবার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক। তিনি মরহুম ঈমান আলী প্রামানিকের সন্তান। গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার দীর্ঘ নয় বছর চেয়ারম্যান থেকে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রিয় চেয়ারম্যান ও নেতায় পরিচিত হয়েছেন। জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে তার কর্তব্য নিষ্ঠায় জনসেবার কারণে জাতীয়ভাবে দুইবার স্বর্ণপদক পেয়েছেন, সাতবার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। যার কারণে সরকারিভাবে দুইবার বিদেশ ভ্রমণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি, বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি এখন শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে সততা, দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। মোঃ আব্দুল জব্বার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের আদেশ নির্দেশ মেনে বিএনপির রাজনীতি কে আরো গতিশীল করতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্যাতন, মামলা, হামলার স্বীকার হয়েছেন একাধিকবার।

তিনি কারাভোগ করেছেন দীর্ঘদিন। বিএনপির কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আন্দোলনরত অবস্থায় রাজপথ থেকেই চারবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী এবং সমাজসেবক আব্দুল জব্বার শাহজাদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ব্যাপক উন্নয়নের অবদান রেখেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে ড. এম.এ মুহিত সাহেব কে সামনে রেখে পথ চলতে চাই। আব্দুল জব্বার আরো বলেছেন ড. এম.এ মুহিত এখানে জনপ্রিয় নেতা। তার কারণে শাহজাদপুরে সবাই ঐক্যবদ্ধ আছে, দলের মধ্য কোনো বিভেদ নেই।

তিনি আরো বলেছেন, সিরাজগঞ্জের প্রথম উন্নয়নের রুপকার, সাবেক মন্ত্রী, এশিয়া মহাদেশের অন্যতম চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ ডাঃ এম.এ মতিনের সুযোগ্য সন্তান ড. এম.এ মুহিত বিএনপির পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, নিজেকে কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে নেতা-কর্মীদের সুখে, দুঃখে পাশে থেকে তাদের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। বিএনপির সকল স্তরের কর্মীদের নিকট তিনি তার বাবার মত জনপ্রিয় নেতায় পরিচিত হয়েছেন।

আওয়ামী দুঃশাসনের সাড়ে পনেরো বছর দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের অর্থ দিয়ে, নেতা-কর্মীদের নামে হওয়া মামলার দেখভাল করেছেন আইনগত সহায়তা দিয়েছেন। নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির সকল কর্মসূচি পালন ও বাস্তবায়ন করতে সহযোগিতা করেছেন। শাহজাদপুরে আমরা ড. এম.এ মুহিত সাহেব কে সামনে রেখে পথ চলতে চাই। বিএনপির

চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের আদেশ নির্দেশ মেনে বিএনপির রাজনীতিকে আরো গতিশীল করতে তার সাথে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ সামনের দিনে আরো ভালো কিছু আশা করেছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ফয়সাল আমিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষপর্যন্ত মির্জা পরিবারের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনই বিএনপি দলীয় প্রার্থী।

বিএনপির মহাসচিব থেকে এলজিআরডি মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল দায়িত্ব নিয়েছেন। শূন্য হওয়া এই আসনটিতে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফয়সাল আমিনকেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বেছে নিচ্ছে দল।

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ