আজঃ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শাহজাদপুরে বিএনপির কান্ডারী ও অভিভাবক ড. এম.এ মুহিত কে সামনে রেখে কর্মী হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সেবা করতে চাই – মোঃ আব্দুল জব্বার

‎মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী স্টাফ রিপোর্টার,‎সিরাজগঞ্জ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎বীরমুক্তিযোদ্ধা মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন সৈনিক শাহজাদপুরের জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি মোঃ আব্দুল জব্বার। জাতীয়ভাবে দুইবার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক। তিনি মরহুম ঈমান আলী প্রামানিকের সন্তান। গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার দীর্ঘ নয় বছর চেয়ারম্যান থেকে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রিয় চেয়ারম্যান ও নেতায় পরিচিত হয়েছেন। জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে তার কর্তব্য নিষ্ঠায় জনসেবার কারণে জাতীয়ভাবে দুইবার স্বর্ণপদক পেয়েছেন, সাতবার জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। যার কারণে সরকারিভাবে দুইবার বিদেশ ভ্রমণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি, বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি এখন শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে সততা, দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। মোঃ আব্দুল জব্বার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের আদেশ নির্দেশ মেনে বিএনপির রাজনীতি কে আরো গতিশীল করতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্যাতন, মামলা, হামলার স্বীকার হয়েছেন একাধিকবার।

তিনি কারাভোগ করেছেন দীর্ঘদিন। বিএনপির কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আন্দোলনরত অবস্থায় রাজপথ থেকেই চারবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী এবং সমাজসেবক আব্দুল জব্বার শাহজাদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ব্যাপক উন্নয়নের অবদান রেখেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে ড. এম.এ মুহিত সাহেব কে সামনে রেখে পথ চলতে চাই। আব্দুল জব্বার আরো বলেছেন ড. এম.এ মুহিত এখানে জনপ্রিয় নেতা। তার কারণে শাহজাদপুরে সবাই ঐক্যবদ্ধ আছে, দলের মধ্য কোনো বিভেদ নেই।

তিনি আরো বলেছেন, সিরাজগঞ্জের প্রথম উন্নয়নের রুপকার, সাবেক মন্ত্রী, এশিয়া মহাদেশের অন্যতম চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ ডাঃ এম.এ মতিনের সুযোগ্য সন্তান ড. এম.এ মুহিত বিএনপির পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, নিজেকে কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে নেতা-কর্মীদের সুখে, দুঃখে পাশে থেকে তাদের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। বিএনপির সকল স্তরের কর্মীদের নিকট তিনি তার বাবার মত জনপ্রিয় নেতায় পরিচিত হয়েছেন।

আওয়ামী দুঃশাসনের সাড়ে পনেরো বছর দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের অর্থ দিয়ে, নেতা-কর্মীদের নামে হওয়া মামলার দেখভাল করেছেন আইনগত সহায়তা দিয়েছেন। নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির সকল কর্মসূচি পালন ও বাস্তবায়ন করতে সহযোগিতা করেছেন। শাহজাদপুরে আমরা ড. এম.এ মুহিত সাহেব কে সামনে রেখে পথ চলতে চাই। বিএনপির

চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের আদেশ নির্দেশ মেনে বিএনপির রাজনীতিকে আরো গতিশীল করতে তার সাথে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ সামনের দিনে আরো ভালো কিছু আশা করেছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে : আমির খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ৪২টি দল মিলে ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে তাঁরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে যারা সংহতি প্রকাশ করবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবে নেওয়া হবে। সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরের মেহেদিবাগের বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বিএনপি যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে ঐকমত্যের সরকার গঠনের কথা ভাববে বলে জানান। আমীর খসরু বলেন, দেশে এখন ভোট উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর নতুন প্রজন্ম ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। তিনি নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১১টি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দেশের উন্নয়নে বন্দরের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম, ডেলিভারি টাইম ও পরিচালন দক্ষতা বিবেচনায় নেন। এসব সূচকে উন্নতি এনে চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করা হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে ‘লজিস্টিক্যাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ভোটের দিন শঙ্কা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই। নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বানও জানান তিনি।

ঐকমত্যের সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে দর্শনগত মিল ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে একমত হওয়া প্রয়োজন। ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।হ্যাঁ-না ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। দেশের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।

শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গ নিয়ে নির্বাচনী সময়ে আলোচনা না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন মূলত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়। অতীতের মতো এবারও জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ তাদের প্রত্যাখ্রান করবে এবং ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ তাদের জবাব দেবে।

ভোট কারচুপির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পত্র পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে নানা বিষয় উঠে আসছে। তারা ব্যালট ছাপাচ্ছে, বোরকা বানাচ্ছে, এনআইডি কার্ড নিয়ে যাচ্ছে, বিকাশে টাকা পাঠানোর জন্য মোবাইল নাম্বার নিচ্ছে। এসব করে তারা যে কিছু করতে পারবে না, কারণ জনগণ এসবে বিভ্রান্ত হবে না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু প্রমুখ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থার অবসান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে না হওয়ার ঘোষণা আসার পর চলমান লাগাতার ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন ধর্মঘট স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানান।বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ চার দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ