আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে টিকেট চেকিং কার্যক্রম এক মাসে আয় ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বিদায়ী ২০২৫ সালে ডিসেম্বর মাসে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীন চট্টগ্রাম বিভাগে টিকেট চেকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে টিটিইদের সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড হয়েছে। এই বিভাগের অধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টার থেকে আয় হয়েছে ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬২০ টাকা। যা দুই ঈদের মাস ব্যাতিত স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানা গেছে, রেলওয়ের টিকেট চেকিং প্রোগ্রামে অংশ নেয়া টিটিই কর্তৃক বিনা টিকিটের যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায় করা হয়। যা রেলওয়ের চলমান কার্যক্রমের অংশ। এর সাথে বিভিন্ন সময় রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিশেষ চেকিং প্রোগ্রাম ও টাস্কফোর্স চেকিং। এসব চেকিং প্রোগ্রামে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধে ও তাদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায়ে করা হয় চিরুনি অভিযান। এতে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধের পাশাপাশি রেলওয়ের রাজস্বে জমা হয় বিপুল পরিমান অর্থ।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টারে কর্মরত আছেন ৩৫জন টিটিই। বিগত সময়ে কেবল বছরের দুই ঈদে বিশেষ চেকিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করা হয়ে থাকলেও এখন বছরের অন্যান্য সময়ও বিশেষ চেকিং পরিচালিত হচ্ছে ফলে রেলওয়ের আয় বেড়েছে কয়েকগুণ। দুই ঈদের মাস ব্যাতিত গত ডিসেম্বরেই শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের টিটিই কর্তৃক আয় হয়েছে অর্ধ কোটি টাকারও বেশী। কেবল চট্টগ্রাম হেডকোয়ার্টারের ২২ জন টিটিই চেকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ডিসেম্বরে আয় করেছে ৩৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৭৫ টাকা। ১১ হাজারের বেশী যাত্রী থেকে তারা এই ভাড়া ও জরিমানা আদায় করেন।

অন্যদিকে লাকসাম হেডকোয়ার্টারে ১৩ জন টিটিই কাজ করেছেন সারা মাস জুড়ে, ১৪ লক্ষ ৫৮ হাজার একশত পয়তাল্লিশ টাকা আদায় করেছেন প্রায় ৯ হাজার যাত্রী থেকে। চট্টগ্রাম বিভাগের এই দুই হেডকোয়ার্টার মিলিয়ে চট্টগ্রামের জুনিয়র টিটিই সাইদুল ইসলাম একাই রেলওয়েকে রাজস্ব দিয়েছেন ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২০৫ টাকা। যা দুই হেডকোয়ার্টারে সর্বোচ্চ।
এত বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় কিভাবে সম্ভব হলো জানতে চাইলে ওই টিটিই জানান, ডিসেম্বরে যাত্রীর চাপ ও বিনা টিকিটের যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশী ছিল। টিটিইদের যথাযথ দায়িত্ব পালন একই সাথে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিপুল রাজস্ব আয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে’।


রেলওয়ের অনন্য এই রাজস্ব আয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদ বলেন, রেলওয়েকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বানিজ্যিক বিভাগ রাজস্ব বৃদ্ধি আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে কর্মরত সকল টিটিই গণের প্রচেষ্টায় সফলতা পাওয়া যাচ্ছে’। টিটিইদের সাধুবাদ জানিয়ে তিনি এই কর্মপ্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরুতে ৩ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ২৮ এপ্রিল ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তার একটি এটি।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিংয়ের পর তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবেো।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ৪ বন্দরকে ৩ নং সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে । মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকালে অধিদপ্তরের পরিচালক-এর পক্ষে আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর (পুনঃ) ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।এ পরিস্থিতিতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ