আজঃ মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল, ২০২৬

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থীদের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বক্তারা- সংস্কৃতি চর্চা মানুষকে মানবিক করে তোলে।

অরুণ নাথ :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র উদ্যোগে শিশু – কিশোর প্রতিভাবান শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা ১৯ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৬ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারী হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টিভি’র সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ।প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর গীতিকার চট্টগ্রাম কলেজ প্রাক্তন অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো: আবুল হাসান, সংবর্ধেয় অতিথি ছিলেন আর্য সঙ্গীত সমিতির অধ্যক্ষ শিল্পী মৃণালিনী চক্রবর্তী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মাই টিভি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মো: নুরুল কবির, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক শিক্ষা সংবাদ এর সম্পাদক দেওয়ান মামুনুর রশীদ, ঋতুপর্ণা চৌধুরীর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল চৌধুরী। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা, এরপর সংবর্ধেয় অতিথি, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সম্মাননা স্মারক তোলে দেন আনিকা দাশ চৌধুরী ও রুবেল চৌধুরী। বক্তরা বলেন সঙ্গীত চর্চা মানুষকে মানবিকতা শেখায়, আজকের প্রতিভাবানরা আগামীতে দেশের বাহিরে গিয়ে সুনাম বয়ে আনবে। দ্বিতীয় পর্বে সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিদ্যার্থী পরিষদের শিল্পীবৃন্দ।

এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সারদা স্বয়ংপ্রভা ঘোষ,রোদ্দুর দে,সংহিতা নন্দী,হিমু আইচ,সৌমিল শ্রীহান দত্ত, দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন অর্চিতা দে – অনুঙ্কা দে,এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন অন্বেষা ধর,দিবাকর ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদীপ সরকার, দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন অবন্তী সরকার ও পিহুনা সরকার, একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুরাঙ্গনা রায় চৌধুরী, এর পর দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন রাগবীর বসাক ও রাজবীর বসাক,একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সানিয়া নোমান,শুভ্রনীল দাশ,অভ্রনীল দে,দীপান্ত ভট্টাচার্য, ইন্দ্রদীপ ভট্টাচার্য। আমরা সবাই রাজা রবীন্দ্র সমবেত সঙ্গীত এর মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।যন্ত্রাসঙ্গে যারা সহযোগিতা করেছেন কী বোর্ডে পঙ্কজ, তবলায় সানি দে,অক্টোপেড প্রণব, গিটারে রাজীব দাশ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরী বলেছেন, কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম। কবিতা সবসময় মানুষের কথা বলে, মুক্তির কথা বলে। অনেক না বলা কথা কবিতার মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। কবিতা কখনো মাথা নত করে না। যত অন্যায় ও সুবিধাবাদই আসুক, কবিতা তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠের বই মেলা মঞ্চে স্বাধীনতার বই মেলার আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯ দিন ব্যাপি বই মেলার ১৭ তম দিনে কবিতাপাঠ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত কবি সাহিত্যিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের লেখনী সমাজকে সচেতন ও মানবিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একজন অসৎ বা ভীতু মানুষ কখনো প্রকৃত কবি হতে পারে না। কবিতা সাহস, সততা ও ভালোবাসার প্রতীক।

অনুষ্ঠানের আলোচক কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল বলেন, স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। এই না পাওয়ার বেদনা থেকেই সমাজে নানা বৈষম্য, সুবিধাবাদের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু আজও সেই প্রকৃত মুক্তির পূর্ণ স্বাদ আমরা পাইনি।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ, মাটি ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর নানা সময় অত্যাচার হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা জাতির জন্য উদ্বেগজনক।অনুষ্ঠানে বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী সীমা পাল, এড. অর্পিতা দাস, সুমিত্রা বিশ্বাস ও এড. শুভাগত চৌধুরী গান পরিবেশন করেন এবং চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল, স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি আলী প্রয়াস। কবিতা পাঠ করেন অধ্যাপক কবি রুহু রুহেল, কবি সাথী দাস, কবি রেজাউল করিম, কবি বিদ্যুৎ কুমার দাস, কবি আলমগীর ইমন, রাজিব রাহুল, আকতারী ইসলাম, নাহিদা আকতার নাজু, মিনহাজ মাসুম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিভি ও বেতারের উপস্থাপিকা নাহিদা নাজু।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ বছরের প্রথম দিন বাঙ্গালী জাতির জন্যে বিশেষ দিন আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালন করে থাকে, সেই সাথে বিভিন্ন পটচিত্র হাতে বাংলার

ঘরে ঘরে রৌদ্রময় দিনগুলো যেভাবে কাটে হাত পাখা, মিষ্টি, দই সহ নানা রকম পণ্য কৃষকের নতুন ধান ঘরে আনার যে কৌতূহল। বিভিন্ন প্রাণীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন হাতে বৈশাখী শোভা যাত্রা বের করে, রাস্তায় আঁকা হয় আলপনা, বৈশাখী রঙিন পোশাক পরে সবাই আনন্দ উৎসবে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ পান্তা ইলিশ খাওয়া, ঘুরাঘুরি উৎসবে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সব বয়সের মানুষ।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম নগরীর বৈঠক খানা কমিউনিটি হল চেরাগী পাহাড় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ এর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, এতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা অঞ্জনা পারিয়াল, রিজেন্সী ও ক্যানপার্ক মানব সম্পদ বিভাগের উপমহা ব্যবস্হাপক লিটন কান্তি সরকার ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সনেট দেব।পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তোলে ধরে অনুভূতি প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অনুপ দে, শিক্ষক লেলিন বিশ্বাস, এর পর অনুভূতি প্রকাশ করেন সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র সভাপতি সাংবাদিক

অরুণ নাথ, পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা লোপা দাশ, সুর্বণা দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন।একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্মৃতি দে, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, হিমু আইচ,অদিতি বিশ্বাস, উর্বশী চক্রবর্তী, কবিতা আবৃত্তি ও গান করেন লিটন কান্তি সরকার,এর পর একক গান করেন সারদা স্বয়ং প্রভা ঘোষ,অভ্রনীল দে,আর্য্যদীপ সরকার,শুভ্রনীল দাশ,দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপা দে – নীপা দে ও অবন্তী সরকার – পিহুনা সরকার। এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিল শ্রীহান দত্ত, মো: লোকমান হোসেন, অরুণ নাথ, সনেট দেব,সুপ্রিয়া চৌধুরী, নরেন বিশ্বাস, রোদ্দুর দে, প্রসেনজিৎ ঘোষ,ঈশ্বান চক্রবর্তী,সূর্বণা দাশ,,উর্বশী চক্রবর্তী,দীপা সিংহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ছিলেন বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ, তাঁর পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মনজয় করে নিয়েছে। বিকাল ৩.৩০ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি সুরের মায়াজালে ভরপুর। হলরুমটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শ্রোতাদের অনুরোধে শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজের গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ