আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

দোকান বন্ধ করে নয়, অগ্নি নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত উপায় বের করতে হবে: সুজন

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দোকান বন্ধ করে নয়, অগ্নি নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত উপায় বের করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ বুধবার (৬ মার্চ ২০২৪ইং) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অগ্নি নিরাপত্তায় ঢালাওভাবে দোকান কিংবা রেস্টুরেন্ট বন্ধ না করে প্রযুক্তিগত উপায় খুঁেজ বের করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

এসময় সুজন বলেন, সম্প্রতি ঢাকার বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে সেবা সংস্থাগুলো। অভিযানে জরিমানার পাশাপাশি এসব রেস্তোরাকে সিলগালা করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আর সরকারি যে সব প্রতিষ্ঠান রেস্টুরেন্ট বন্ধের অভিযানে নেমেছে তাদের মধ্যে নেই কোনো সমš^য়। যে যেমন ভাবে পারছেন দায়িত্ব পালনের নামে সিলগালা করে দিচ্ছেন হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্ট। হঠাৎ করে এসব অভিযানে আতংকিত হয়ে পড়েছে রেস্তোরা মালিকগণ। পাশাপাশি এসব রেস্তোরায় কর্মরত কর্মচারীরা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠিত। আর কয়দিন পরেই পবিত্র মাহে রমজান, এরপর পবিত্র ঈদ উল ফিতর। হঠাৎ করে এসব হোটেল-রেস্তোরা বন্ধ করে দিলে এ ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। এর ফলে সামাজিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তাই রাতারাতি দোকান কিংবা রেস্টুরেন্ট বন্ধে এ অভিযানের সুফল মিলবে না বলে মনে করেন তিনি। বরঞ্চ সমš^য় ছাড়া অভিযান পরিচালনা করে সাময়িক জরিমানা কিংবা দোকান সিলগালা করার ফলে পুরো কার্যক্রমই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সময়ে রেস্টুরেন্ট ব্যবসাটি একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা কিংবা শখের বসে রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়ার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ফলত অনেক শিক্ষিত তরুনও পড়ালেখা শেষ করে এ ব্যবসায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তাছাড়া উন্নত বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে দেশে নিত্য নতুন খাবারের ব্র্যান্ডের আবির্ভাব ঘটেছে যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি শুভ সংবাদও বটে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসার প্রসারে এ শিল্পে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানও হয়েছে। তরুন সমাজের একটি বিশাল অংশ প্রত্য¶ এবং পরো¶ভাবে এ শিল্পের সাথে জড়িত। এ শিল্প আমাদের কৃষি, পর্যটনসহ জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সাথে সাথে আগামীতে এ শিল্প আরো ব্যাপক প্রসার লাভ করবে। সুজন আরো বলেন, আমাদের জানামতে একটি রেস্টুরেন্ট ব্যবসা করতে কমপক্ষে ৮-১০টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র নিতে হয়। নকশা, অগ্নি নিরাপত্তা, লোকেশন ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ছাড়পত্র দেয়া হয়। তাহলে কিভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় একটি বিল্ডিংয়ে ৭-৮টি কিংবা ১০টি রেস্টুরেন্টের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে? এক্ষেত্রে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস কিংবা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেরই ভ‚মিকা কি ছিলো তাও খুঁজে বের করা দরকার বলে মনে করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক এই প্রশাসক। তিনি আরো বলেন, দেশে পাইপ লাইনের গ্যাসের সংকটের কারণে নিকট অতীতে এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ব্যাপক হারে এলপিজির ব্যবহার বাড়লেও এর সুষ্টু ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা কিংবা দুর্ঘটনা নিয়ে কোন প্রকার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা কখনো করা হয়েছে কি-না তা আমার জানা নেই। এলপিজির যত্রতত্র ব্যবহারের পাশাপাশি বেড়েছে এর দুর্ঘটনাও। তাই এলপিজির ব্যবহারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বলেও মনে করেন তিনি। এছাড়া এর নিরাপত্তাজনিত উন্নত প্রযুক্তিও খুঁজে বের করতে হবে। শুধুমাত্র দোকান কিংবা রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে এর ব্যবহারও বন্ধ করা যাবে না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। তাই রেস্টুরেন্ট ব্যবসার মতো একটি আভিজাতিক ব্যবসাকে জরিমানা কিংবা সিলগালা করে বন্ধ করে না দিয়ে এর অগ্নি নিরাপত্তায় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান খোরশেদ আলম সুজন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন তিনি।পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চলমান খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে জেনে নেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আওতাধীন খাল সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

মেয়র বলেন, এসব উন্নয়ন কাজ চলমান থাকার কারণে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে। কাজ শেষ হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুমেই নগরীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ