আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে সঙ্গীতের কোন বিকল্প নেই

প্রেস রিলিজ

আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির অনুষ্ঠানে চবি’র ডিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ও কবি হোসাইন কবির বলেছেন, পড়ালেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা জরুরি। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটবে। সুস্থ ও স্ন্দুরভাবে বেঁচে থাকতে হলে সঙ্গীত চর্চার কোন বিকল্প নেই। আজ ৯ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর থিয়েটার ইনিস্টিউটের গ্যালারী হলে আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির ১৩-তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপল¶ে সঙ্গীতানুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির সভাপতি শিল্পী বিশুতোষ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও শিল্পী প্রণিতা দেব চৈতীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সঙ্গীত ভবনের অধ্য¶ খ্যাতিমান শিল্পী বিদূষী কাবেরী সেন গুপ্তা। সূচনা বক্তব্য রাখেন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তবলা শিল্পী সুরজিৎ সেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রবীন গিটার শিল্পী ডাঃ বাবুল সেন গুপ্ত ও শিল্পী শ্যামল মিত্রকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে নবীন ও প্রবীন ১২জন শিল্পী সংগীত পরিবেশন করেন। এরা হলেন-সুভাষ দাশ, মাধবী চৌধুরী, রতন কান্তি ধর, অনিমেষ বড়–য়া, সুস্মিতা সাহা, প্রিয়াসা বিশ্বাস জুঁই, ¯^পন কান্তি দত্ত, দোলন কান্তি দাশ, অনিন্দিতা দত্ত, সৃজিতা দে সৃজা, প্রাংগন ধর ও প্রিয়াসা চৌধুরী। যন্ত্রানুসঙ্গে এসরাজঃ শিল্পী মদন মোহন ঘোষ, তবলায় শিল্পী সুরজিৎ সেন, আদৃত চৌধুরী, প্রান্ত দাশ, কী-বোর্ড শিল্পী তমাল চক্রবর্তী রুবেল ও প্যাডে শিল্পী এস.এম রুবাইয়েত। সুরের আবেশে হল ভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন শিল্পীরা।
আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তবলা শিল্পী সুরজিৎ সেন তার বক্তব্যে বলেন, ¶ণজন্মা সঙ্গীতের মহাপুরুষ ও সঙ্গীতগুরুরা সমাজ সংস্কারক। আপনি যদি সঙ্গীত শুরু করেন তাহলে সদগুরুর সান্নিধ্যে আপনাদের সন্তানদেরকে যেতেই হবে। অন্যথায় আপনার-আমার সন্তানদের জীবন টলমল হবে। এখন আন্দাজে গান-বাজনা হয় না। সময় থাকতে সন্তানদের আলোর পথ দেখান। ###

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে তথ্যপ্রবাহ দ্রুততর হলেও ভুয়া খবরের বিস্তারও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়; বরং সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একটি মুক্ত ও শক্তিশালী গণমাধ্যমই স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক হতে পারে।এসময় আরো বক্তব্য দেন, সিনিয়র সদস্য সিরাজুল করিম মানিক, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, নির্বাহী সদস্য ও এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার আরিচ আহমেদ শাহ, কর্ণফুলী পত্রিকার বার্তা সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এম এ হোসাইন, নিউজ গার্ডেন পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হুদা, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনিরুল ইসলাম মুন্না, রিদুয়ান সিদ্দিকী, সাঙ্গু পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম এবং রূপালী বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার মো. শাহাবুদ্দীন সহ প্রমুখ।

চট্টগ্রামে রেলের সাতটি পাহাড়ে ৫ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানি এড়াতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকিং। প্রতিবছর ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে অবৈধভাবে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য এ থেকে মাইকিং করা হয়। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রেলওয়ের পাহাড়গুলো সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগ অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করেন।প্রতিবছর বর্ষা শুরুর আগে রেলওয়ে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।তারপরও তারা আবার এই অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য চলে আসে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ জিসান দত্ত বলেন, রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যারা বসবাস করছেন তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাহাড়তলী, ফয়’স লেক, আকবরশাহ, সিআরবিসহ রেলওয়ের অনেক পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকি নিয়ে অনেকে বসবাস করছেন। ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগে তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সতর্ক করে মাইকিং করেছি। বেলা ১১টা থেকে আমাদের লোকজন প্রতিটি পাহাড়ে মাইকিং করেছে।জানা গেছে, চট্টগ্রামে রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ে পাঁচ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা হয়েছে।এসব অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এসব পাহাড়ে বসবাস করে আসছেন অনেক মানুষ।

দিন দিন এই অবৈধ বসতির সংখ্যা বাড়ছে। রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নং ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে চট্টগ্রামে ভূমিধসের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর রেলওয়ের পক্ষ থেকে তাদের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং শুরু করে।

রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। এছাড়া মতি ঝরনা ও বাটালি হিল এলাকায় বসবাস ৪৩১টি পরিবারের।

লেক সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন বিজয় নগর পাহাড়ে বসবাস ২৮৮টি পরিবারের। রেলওয়ের মালিকানাধীন ষোলশহর স্টেশন সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে ৭৪টি, নগরীর জাকির হোসেন সড়কে পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন পাহাড়ে ৪৬টি পরিবার বসবাস করছে।এছাড়া জেলার উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন পাহাড়ে অবৈধ বসতি বেড়েই চলছে। জেলার সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, বোয়ালখালী, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও সীতাকুণ্ড এলাকায় বিভিন্ন পাহাড়ে অসংখ্য অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ১২৭ জনের মৃত্যুর পর ৩৬ দফা সুপারিশ দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। এর ১০ বছর পর ২০১৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১৬৮ জনের মৃত্যুর পর ৩৫ দফা সুপারিশের মধ্যেও একই ধরনের সুপারিশ ছিল। কিন্তু বৃষ্টি হলে কিছু লোকজনকে সাময়িক সরিয়ে নেওয়া ছাড়া কার্যত কোনো সুপারিশই বাস্তবায়ন করতে পারেনি প্রশাসন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১ নম্বর ঝিলে পাহাড়ধসে মারা গিয়েছিলেন একই পরিবারের দুজন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ