আজঃ শুক্রবার ২৭ মার্চ, ২০২৬

সর্বাত্মক অবরোধে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সড়কে যানবাহন ছিলনা তেমন। গণপরিবহণ ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল একেবারে কম

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন বা সর্বাত্মক অবরোধে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সড়কে যানবাহন ছিলনা তেমন। গণপরিবহণ ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল একেবারে কম দেখা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে যানবাহন চলাচল কম দেখা গেছে। তবে বেলা গড়াতে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কেও যানবাহন তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। নগরী থেকে দূরপাল্লার যানবাহন কম ছাড়ছে বলে জানা গেছে। এদিকে চট্টগ্রাম নগরীতে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠ সকাল থেকেই নগরীতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। মহাসড়কে বিজিবি সদস্যরা সাঁজোয়া যানে করে টহল দিচ্ছেন বলে বিজিবির ব্যাটালিয়ন-৮ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী জানিয়েছেন।
এদিকে দোকান-পাট খোলা ছিল। সরকারি-বেসরকারি অফিস যথানিয়মে চালু ছিল। চালু ছিল কল-কারখানা। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামা এবং পণ্যবাহী পরিবহনের আসা-যাওয়া স্বাভাবিক আছে। সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিরসরাই থেকে সীতাকুণ্ড হয়ে নগরীতে পৌঁছান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। তিনি লন, মহাসড়কে আমি কোথাও পিকেটিং দেখিনি। কোথাও অবরোধকারীদের দেখাও পাইনি। চট্টগ্রাম অংশে মহাসড়ক স্বাভাবিক আছে। যানবাহন চলছে। আমার কাছে গাড়ি কম মনে হয়নি।কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ির সংযোগ সড়ক-মহাসড়ক স্বাভাবিক আছে জানিয়ে তিনি বলেন, হাটহাজারীর বিষয়ে আমরা অ্যালার্ট আছি। সেখান থেকে এ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। যানবাহন চলছে। কক্সবাজার মহাসড়কেও আমাদের অংশে কোনো সমস্যা নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, সারাদেশে যে চলমান পরিস্থিতি তার প্রভাব চট্টগ্রাম বন্দরে পড়েনি। সব কাজ স্বাভাবিকভাবে চলছে। পণ্য উঠানো-নামানোর কাজও স্বাভাবিক। তিন হাজার টিইইউস কনটেইনারের শুল্কায়ন সমাপ্তের নথি জমা পড়েছে। সেগুলো ডেলিভারি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা ও ‘খুনের প্রতিবাদে’ এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। এ সংক্রান্ত বার্তায় বলা হয়, শাটডাউন চলাকালে শুধুমাত্র হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোন গাড়ি চলবে না। সারাদেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তবে নগরী এবং জেলার কোথাও এ পর্যন্ত কোটা আন্দোলনকারীদের বড় কোনো জমায়েত বা পিকেটিংয়ের খবর পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র সকালে নগরীর শাহ আমানত সেতু এলাকায় প্রায় তিনশ’র মতো লোক জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। বিশ মিনিট পর পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (জনসংযোগ) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, সকালে একদফা অবরোধের চেষ্টা ছাড়া নগরীতে আর কোথাও কোনো ঘটনা ঘটেনি। কোথাও অবরোধ আহ্বানকারীদের কোনো জমায়েতও আমরা দেখিনি। তাকে সকল পয়েন্টে আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। যদি কোনো বিশেষ পরিস্থিতি কেউ সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
[18/07, 18:06] Bishhajit: চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় চার
মামলায় আসামী প্রায় ৭ হাজার
চট্টগ্রাম: কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ ও অস্ত্রবাজির ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বুধবার পাঁচলাইশ থানায় ৩টি ও খুলশী থানায় ১টি মামলা করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত এসব মামলায় ১৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা গেছে, ২ নম্বর গেইট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী শাহেদ আলী বাদী হয়ে ৫০০-৬০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে খুলশী থানায় মামলা করেছেন। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ফুটেজ দেখে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ চাকমা জানান, থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলার বাদী হয়েছে পুলিশ। এ দুটি মামলায় প্রতিটিতে অজ্ঞাতনামা ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার জনকে আসামি করা হয়। আরেকটি মামলা করেন মুরাদপুরে কোটা আন্দোলনকারীদের মারধরে আহত ইমন ধরের মা সুমি ধর। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আজ (গতকাল) বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে গত বুধবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ৮৮ জনকে এবং বুধবার থেকে ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ৬২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনা সদর ও উপজেলাগুলোতে স্বাধীনতা দিবস পালিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বৈষম্যমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনা জেলা সদরসহ আটপাড়া, মোহনগঞ্জ, কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বারহাট্টা ও পূর্বধলা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। ৩১ বার তোপধ্বনি, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং নানা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

নেত্রকোনা সদর: প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে নেত্রকোনা সদরে দিবসের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্ট) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু এবং পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সরদার।

এছাড়া বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ৮টায় আধুনিক স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় পাবলিক হলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আটপাড়া: নানা আয়োজনে নেত্রকোনার আটপাড়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মরণ করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মরহুম মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এসকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহনূর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল শারমিন দৃষ্টি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাসুম চৌধুরী, উপজেলা প্রকৌশলী আল মুতাসিম বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এম এ মোমিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওমর ফারুক, সমাজসেবা কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুবায়দুল আলম এবং সাংবাদিক হাবিবুল ইসলাম প্রমুখ।

মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা: মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ আলী উসমান শিশু পার্কে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

একইভাবে বারহাট্টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. জিনিয়া জামানের সভাপতিত্বে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ এবং প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর: কলমাকান্দায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, উপজেলায় তালিকাভুক্ত ৪১৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে বর্তমানে ১৭৫ জন জীবিত রয়েছেন।

দুর্গাপুরে সুসঙ্গ সরকারি কলেজ মাঠে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ইউএনও আফরোজা আফসানা’র সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। বিকেলে হা-ডু-ডু খেলা এবং সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি ও বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্বধলা: জে.এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউএনও তাসনীম জাহানের সভাপতিত্বে দিবসের মূল অনুষ্ঠান পালিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা।

দিনভর রাজনৈতিক দলগুলোর পৃথক কর্মসূচি লক্ষ্য করা গেছে। বেলা ১১টায় সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করে। সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবার জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে একটি র ্যালি ও সংকিপ্ত আলোচনা সভা এবং দুপুর ১টায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ ইমরানের নেতৃত্বে পৃথক র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও বাকি উপজেলাগুলোতে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া গেছে।

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ