আজঃ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দেশব্যাপী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সরকার হটানো যাবে না: চসিক মেয়র রেজাউল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে দেশব্যাপী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সরকার হটানো যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র (প্রতিমন্ত্রী) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মসূচি হিসেবে শনিবার দুপুরে বহদ্দারহাট মোড়ে নাশকতা ও নৈরাজ্য বিরোধী সমাবেশে এ মন্তব্য করেন মেয়র। মেয়র বলেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত স্বাধীনতাবিরোধীরা শোকাবহ আগস্ট মাস এলেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। তারা এমাসে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের অপচেষ্টা ও জঙ্গিবাদের বহু ঘটনা ঘটিয়েছে। আগস্ট মাসের পূর্বে শিক্ষাথীদের কোটাবিরোধী আন্দোলন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নিশ্চিহ্ন করার একটি পরিকল্পনা। তিনি বলেন, যারা দেশকে ধ্বংস করতে চায় তাদের নির্মূলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধবাবে রাজপথে থাকতে হবে।
মেয়র আরো বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা নাশকতা চালিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে সরকারকে বিপদে ফেলতে দেশি-বিদেশি অপশক্তি সারা দেশে নাশকতা চালাচ্ছে। তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা এখন সময়ের দাবি। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না পেলে এরা বারবার আমাদের দেশের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন-আব্দুচ ছালাম এমপি, সাবেক এমপি নোমান আল মাহমুদ, শহিদুল আলম শহিদ, হারুনুর রশিদ হারুন, নাঈমুদ্দিন খান, দিদারুল আলম, হাজী সাহাবউদ্দীন, মোহাম্মদ এসহাক, সামশুল আলম, নুরু মোহাম্মদ নুরু, মোজাহেরুল ইসলাম, আনসারুল হক, ইউনুচ কোম্পানী, নুরু মোহাম্মদ নুরু, মনজুর হোসেন, এম.আশরাফুল আলম, নুরুল আমিন মিয়া, রুমকি সেনগুপ্ত, এডভোকেট শাকিল, এসরারুল হক এসরার, নুর মোস্তফা টিনু, নুরুল আমিন মামুন, জসিম উদ্দিন, এম এ মুছা, এডভোকেট আইয়ুব খান, নুরুল আমিন নুরু, জাহেদুল আলম, সাইফুদ্দীন খালেদ সাইফু, নিজাম উদ্দিন নিজু, মো. ইলিয়াছ, মো. ইসা, আকবর আলী আকাশ, খালেদ হোসেন খান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশন,চট্টগ্রাম কর্তৃক বার্ষিক মিলনমেলা,আলোচনা সভা,সম্মাননা প্রদান,ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩১ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় আশার আলো মানবিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংগঠনের শতাধিক সদস্যদের নিয়ে পারকিচর রয়েল পার্ক কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে বার্ষিক মিলন মেলা,ভোজ আলোচনা সভা,সম্মাননা প্রদান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।এই উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন মোঃ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন সালমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা লেখক ও মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক মোহাম্মদ আবু তাহের,শিক্ষিকা সেলিনা পারভীন,প্রবীর কুমার চৌধুরীসহ প্রমুখ।

সংগঠনের পক্ষে আমন্ত্রিত অতিথিসহ আরো উপস্থিত ছিলেন জীবন চৌধুরী, মোঃ এমরান, শরীফুল ইসলাম,রেশমা আমিন,সাইফুল ইসলাম সিকদার,মোঃ ইলিয়াস রিপন, এম এ মোতালেব আব্দুর নুর, মোহাম্মদ নুর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, হাজী মাইনদ্দীন, মনজুর আহমদ, হাসমত আলী মনা , মোঃ সেলিম, মোঃ আল আমিন, মোঃ জসিমউদদীন রকি, নাছিমা বেগম, আবদুর রউফ, বাবুর্চিরুনায়েত, আমিন সাদমান, সাইদুল চৌধুরী, অনুপম বরুয়া, গোলাম মোস্তফা খান সহ আরো অনেকে। দিনব্যাপী নারী, পুরুষ ও শিশু কিশোরদের মধ্যে নানা ধরনের খেলার আয়োজন করা হয়।আয়োজন শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করা হয়।আমন্ত্রিত অতিথি সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন,মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ নেই বললে চলে।

আমরা আজ যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি এবং যাদের আত্মত্যাগে পেয়েছি,তাদের আত্মত্যাগকে সম্মান করে ও আগামীতে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যহীণ,দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করতে সামাজিক সংগঠন সমুহের বার্ষিক মিলন মেলা সহ এই ধরনের আয়োজনের এর কোন বিকল্প নেই।তিনি এই ধরনের আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।তিনি আরো বলেন,এই সংগঠন প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন মানবিক ও সমাজ উন্নয়ন মুলক কাজ করে আসছে।

একজন মানুষের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় তার অর্থ বা প্রতিপত্তির মাধ্যমে নয়, বরং সে অন্যের জন্য কতটা উদার,উপকারী হতে পারে তার মাধ্যমে। সমাজে দুঃস্থ, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে প্রকৃত মানব সেবা।মানব সেবা এমন এক দোয়া, যা মুখে নয়, কারো চোখের জল মুছে দিলে তার নিঃশব্দ প্রার্থনা আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে।সভাপতি আগামীতে যার যার অবস্থান থেকে মানবিক হয়ে মানুষের কল্যানে দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে কাজ করার আহবান জানান ও ধন্যবাদ জানান।

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬ থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি ঝুঁকিপূর্ণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬টি থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব থানাগুলোর মধ্যে বন্দর থানা এলাকায় কোন ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না থাকলেও আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ন বলে পুলিশ চিহ্নিত করেছে। নগরের এসব থানার মধ্যে চারটি সংসদীয় আসন ও হাটহাজারীর আংশিক এলাকা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নগর পুলিশ।এদিকে ঝুঁকি মোকাবেলায় এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভোটের চারদিন আগে থেকে এবং ভোটের পরবর্তী দুই দিন মিলিয়ে মোট ছয়দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে।

নগর পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, সবেচেয়ে বেশি অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে খুলশীতে। সেখানে ৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বন্দর থানা এলাকায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ কোনো কেন্দ্র নেই। আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের করা তালিকা অনুযায়ী- নগরীর চারটি আসন ও হাটহাজারীর আংশিক নির্বাচনী এলাকার ১৬ থানায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৭টি। ভোটকেন্দ্রগুলোকে সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ- এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে কোতোয়ালী থানার ৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এছাড়া সদরঘাট থানার ২৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১৫, চকবাজারের ১৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৪, বাকলিয়ার ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, চান্দগাঁওয়ে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ২৭, পাঁচলাইশে ৩২ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, বায়েজিদে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, ডবলমুরিংয়ে ৪৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, হালিশহরে ৪২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২, পাহাড়তলীতে ২৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯, ইপিজেডে ৩১ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, পতেঙ্গায় ২৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৭ এবং কর্ণফুলী থানা এলাকায় ৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯ কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো পরিপত্রে বলা হয়েছে, অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ চারজন পুলিশ, একজন অস্ত্রধারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন সাধারণ আনসার, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, অস্ত্রসহ একজন সহকারী সেকশন কমান্ডার, লাঠিসহ চারজন মহিলা ও ছয়জন পুরুষ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ তিনজন পুলিশ সদস্য,

অস্ত্রসহ একজন সেকশন কমান্ডারসহ একজন আনসার সদস্য, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, সহকারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন আনসার সদস্য ও চারজন মহিলা এবং ছয়জন পুরুষসহ ১০ জন আনসার সদস্য কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।এছাড়া নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড (উপকূলীয় এলাকায়), র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্য নিয়োজিত থাকবে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, পুলিশ কমিশনার গুরুত্ব বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সাথে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুসারে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য সংখ্যা কম বেশি করতে পারবেন।

আলোচিত খবর

বাংলার নবযাত্রা, জাহাজ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নতুন সংযোজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।

বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ