আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়তে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধের দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার সকাল নয়টা থেকে ওই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা স্কুলের সামনে মূল সড়কে ঘণ্টাব্যাপি এ বিক্ষোভ কর্মসূচি করে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, এখানে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে র‌্যাম্প নির্মাণকাজের ফলে স্কুলের সামনে সবসময় যানজট দেখা দিচ্ছে। মূল সড়কের দুই-তৃতীয়াংশই ছোট হয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে ও পরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া আমাদের স্কুলের বিপরীত পাশে রয়েছে সিএমপি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাই স্কুলের সামনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়তে ওই সড়কে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকের সামনে গর্ত খননের কাজ প্রায় শেষ করেছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকারী সংস্থা। তারপরও বাকি অংশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে ধীর গতিতে। কারণ নির্মাণকাজের ফলে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ছোট ছোট অসংখ্য গর্ত, যেখানে পানি জমে থাকায় রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। এ কারণে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। তীব্র যানজটে সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ট্রাফিক বিভাগ উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) কীর্তিমান চাকমা বলেন, র‌্যাম্প নির্মাণকাজ শুরুর আগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সের কাছে ফুটপাত ঘেঁষে কাজ শুরু করার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তা না করায় চার লেনের রাস্তাটি আড়াই লেনে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জিইসি থেকে লালখান বাজার সড়ক চট্টগ্রাম নগরের মূল সড়ক। প্রতিদিন কয়েকহাজার যানবাহন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু এখন রাস্তা ছোট হয়ে যাওয়ায় নগরের প্রবর্তক, গোলপাহাড় ও কাজীর দেউড়ি এলাকায় চাপ পড়ছে। ট্রাফিকজ্যাম এড়াতে ওইসব সড়ক ব্যবহার করছে গাড়ির চালকরা। জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে বাওয়া স্কুলের সামনে র‌্যাম্প নির্মাণের আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধের জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত আবেদন করেন স্কুল অধ্যক্ষ। এই বিষয়ে বাওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহ. আরিফ উল হাছান চৌধুরী বলেন, প্রতিদিন আমাদের ও সিএমপি স্কুল এন্ড কলেজের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এই সড়ক হয়ে যাতায়াত করে। ফলে ক্লাস শুরুর আগে ও পরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। র‌্যাম্প নির্মাণ করা হলে যানজট চিরস্থায়ী রূপ নিবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই নিয়ে গত মে মাসে নির্মাণকাজ বন্ধ ও বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিডিএ চেয়ারম্যান বরাবরে একটা চিঠি দিয়েছিলাম। এরপরেও কর্তৃপক্ষ তাদের কাজ চলমান রেখেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত : চবি উপাচার্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বুধবার সকাল ১০টায় চবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।উদ্বোধনকালে চবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মোবাইলে আসক্ত না হয়ে খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে আমরা সব সময় উৎসাহিত করি। খেলাধুলা এর মধ্যে অন্যতম। খেলাধুলা করলে মন-মানসিকতা ভালো থাকবে। তিনি বলেন, ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত।

এজন্য শুধু আজকের দিনে নয়, সব সময় শরীরচর্চা, খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিয়োজিত রাখবে প্রত্যাশা করি।আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী ও আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানে চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুর রহমান জালাল উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, উপ-উপাচার্যদ্বয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যবসায় প্রশাসন ও আইন অনুষদের ডিন ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অলিম্পিক পতাকা এবং সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট হল পতাকা উত্তোলন করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ রাকিব হাসান রাজু। বিচারকদের পক্ষে প্রফেসর ড. আবু নছর মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ কবির হাসান শুভকে উপাচার্য শপথ বাক্য পাঠ করান।

সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আবুল বাশারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট। হলের পতাকা বহন করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ মো. নুরুন্নবী সোহান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি নেয়ামত উল্লাহ ফারাবী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব আহমেদ ও সোনিয়া পারভীন লাকি । প্রথম ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় পুরষ্কার বিতরণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক, সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, চাকসুর প্রতিনিধিবৃন্দ, সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) নিকাব পরা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার জেরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করার পর এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সই করা একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাচ্ছে যে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুকূল নয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ