আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

দেবহাটায় সহকারী শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন:

দেবহাটা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেবহাটায় বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি (রেজিঃ নং: এস-১২০৬৮) উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেবহাটা শাখার সভাপতি আব্দার রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মাদ শামছুদ্দীন মাসুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল আলম।

কার্যকরী সদস্য মাগফি আজমের সঞ্চলনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কালিগঞ্জ শাখার সভাপতি এস,এম, গোলাম রহমান, সহকারী শিক্ষক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হেণা পারভীন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক প্রতাপ কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন গাজী, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক উত্তম কুমার, সহ-সমবায় ও সমাজকল্যান সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কার্যকরী সদস্য তালিম হোসেন ও সহকারী শিক্ষক সৌভিক ঘোষ। সাধারণ সভায় দেবহাটা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির অনুমতিক্রমে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

২য় অধিবেশনে কালিগঞ্জ শাখার সভাপতি এস, এম গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত সকলের মতামত, প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম ফারুক আহবায়ক, শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আইয়ুব হোসেন ও পারুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজ হাসান যুগ্ম-আহবায়ক, নারিকেলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল আমিন গাজী সদস্য সচিব, ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল্লাহ-আল-তারিক, এনামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাগফি আজম, টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু সাইদ শিমুল, আন্দুলপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহাদাত হোসেন, গোপাখালী রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সৈয়দ আশরাফুল আলম, বহেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপ্লব কুমার ঘোষ, খাসখামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সানজিদা খাতুন, দক্ষিণ নাজিরেরঘের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রতাপ কুমার ঘোষ, ফুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তালিম হোসেন, উত্তর সখিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, উত্তর আস্কারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ আছাফুর রহমান, আস্কারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল হক ও টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হেনা পারভীনকে সদস্য করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদ আমলের বৈষম্য দূর করতে হবে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন( সিএমইউজে)এর সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান এক বিববৃতিতে বলেন- আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি শ্রমিক শ্রেণির আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসকে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সিএমইউজে লক্ষ্য করছে—গণমাধ্যম অঙ্গনে এখনো ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুরু হওয়া বৈষম্য আজও বহাল রয়েছে। তখন চাকুরীচ্যূত অনেক সাংবাদিক এখনো চাকুরী ফেরত পায়নি। সংবাদপত্র মালিকদের একটি অংশ এখনো বেছে বেছে ফ্যাসিবাদের সমর্থক নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের অনুগত সাংবাদিকদের চাকরি প্রদান করছে, পেশাগত ন্যায্যতা ও নৈতিকতায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক বাধাগ্রস্ত।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে সংঘটিত সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা, মামলা ও হয়রানির বহু ঘটনা এখনো বিচারহীনতায় রয়ে গেছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুধু ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করছে না, বরং ভবিষ্যতেও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিকে উৎসাহিত করছে।

সিএমইউজে দৃঢ়ভাবে দাবি জানাচ্ছে—সেই সময়ের সকল নির্যাতন, হামলা ও হয়রানির ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকরা একদিকে পেশাগত অনিশ্চয়তাসহ নানা চাপে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে বেতন-ভাতা বকেয়া, চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই, আবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে।

সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন, আইনি সুরক্ষা এবং স্বাধীনতা এই চারটি ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম অব্যাহত আছে। এই প্রেক্ষাপটে সিএমইউজে অবিলম্বে নিম্নোক্ত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছে—
* নবম ওয়েজ বোর্ড দ্রুত ও বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন ও দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।
* সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বিনা কারণে ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে।
* গণমাধ্যমকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে।
* বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ে সংঘটিত সকল সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
* সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
* ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধ এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
* সাংবাদিকদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা, পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও কল্যাণ তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।
* ফ্রিল্যান্স ও অনলাইন সাংবাদিকদের আইনি স্বীকৃতি ও সমান অধিকার প্রদান করতে হবে।
* ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত এবং সংগঠন পরিচালনায় কোনো বাধা দেওয়া যাবে না।
* গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সম্পাদকীয় স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।

সিএমইউজে স্পষ্টভাবে বলতে চায়—সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা এবং বিচার নিশ্চিত না হলে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। মহান মে দিবসের এই দিনে সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ নিজেদের অধিকার রক্ষায়, পেশার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক ভূমিকা পালনে সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ