আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চবি জাদুঘর অটোমেশান এবং ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ভেতর দিয়ে পাওয়া এক নতুন বাংলাদেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনাদি ও রেফারেন্স লাইব্রেরির বইপত্র, জার্নাল, আরবী, ফার্সী, উর্দু, সংস্কৃত ও পালি ভাষায় লিখিত পান্ডুলিপির স্বয়ংক্রিয়করণ (অটোমেশান) এবং জাদুঘরের ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ সম্প্রতি শুরু হয়েছে। যুক্তরাস্ট্রের এমআইটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনকারী ড. নাজমুস সাকিব এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি থেকে বিএসসি ও হার্ভার্ড বিশ^বিদ্যালয়ের এমবিএ ডিগ্রীধারী সিনিয়র এআই প্রোডাক্ট ম্যানেজার দ্বীনি ফাতিহা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের অনুরোধে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ কাজে সাহায্য করেছেন। অত্যন্ত আনন্দের সাথে এই উদ্যোগে ভলান্ট্রি সার্ভিস বা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সম্পৃক্ত হয়েছেন চবির ফরেস্ট্রি ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের শিক্ষার্থী রাফিয়া, হাবিবা, আনান ও ঋতু, এবং রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের জাহিদুল ইসলাম। চবি’র এ সকল শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত ব্যবহারিক জ্ঞান সন্তোষজনক হওয়ায় তারা এ কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
ভলান্ট্রি সার্ভিস বা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সেবা হিসেবে তাঁদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের এই স্বয়ংক্রিয়করণের কাজটি হাতে কলমে শিখিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ চবি জাদুঘরের কর্মকর্তাগণ নিজেরাই করতে পারেন।

জুলাই বিপ্লবের চুড়ান্ত বিজয় নিশ্চিতের পর নতুন এই বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সেবা প্রদানের যে মানসিকতা ও দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন তার প্রতি শ্রদ্ধা ও একাত্বতা ঘোষণা করে নাজমুস সাকিব ও দ্বীনি ফাতিহা যে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে গেলেন তা জাদুঘরের পরিচালককে ভীষণভাবে উৎসাহিত করেছে। এই সফল কার্যক্রমের কথা চবি পরিচালক শ্রেণিকক্ষে বক্তব্যের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে অনুরোধ করবেন বলে জানান।
দু’দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে জাদুঘরের কর্মকর্তাগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আরও দক্ষতা অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে যে কোন পরামর্শক-শিক্ষকদের কাছে প্রায়োগিক শিক্ষা গ্রহণে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ধরনের অটোমেশানের কাজে যুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা যা কিছু শিখেছে তা বিশ্ববিদ্যালয় বা তার বাইরে যে কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ