আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাকরি ও জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছে ২৩ প্রকৌশলী ও ৯ কর্মচারী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প-২ এর অধীনে আলোচিত ২৩ প্রকৌশলী ও ৯ কর্মচারীকে চাকরি দেওয়া হয়। দৈনিক ১৪ কোটি ৩০ লাখ লিটার উৎপাদন ক্ষমতার প্রকল্পটি রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকায় স্থাপন করা হয়। ওখান থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহরে পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা।
প্রকল্পের মাধ্যমে পানি শোধনাগার, ট্রান্সমিশন পাইপলাইন, শহরজুড়ে ৭০০ কিলোমিটার ডিস্ট্রিবিউশন লাইনসহ অত্যাধুনিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম স্থাপন করা হয়। এসব স্থাপনা নির্মাণকালীন সময়ে প্রকল্পের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত জনবল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত ছিলেন এবং বর্তমানে পানি শোধনাগারসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এছাড়াও পানি শোধনাগার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রকল্পের জনবলের সঙ্গে আউটসোর্সিং ও দৈনিক ভিত্তিতে কর্মচারীরাও নিয়োজিত আছেন। ২০২৩ সালের জুন মাসে কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প ফেজ-২ এর কাজ শেষ হয়। ওয়াসার বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, যতদিন পর্যন্ত তাদের নিয়মিতকরণের বিলম্ব হবে ততদিন পর্যন্ত রাজস্বখাত থেকে বেতন চালিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু এখন তারা রাজস্বখাত থেকে বেতন পেলেও তা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২০১৭ সাল থেকে উক্ত প্রকল্পের আওতায় কাজ করে আসা কর্মকর্তারা বেতন নিয়েছেন প্রকল্প থেকেই। এরপর প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০২৩ সাল থেকে বেতন নিচ্ছেন ওয়াসার রাজস্বখাত থেকে। তারা ওই প্রকল্পের যাবতীয় কাজ করে গেলেও বর্তমানে বেতন প্রায়শ অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। তাতে ভোগান্তির অন্ত নেই চট্টগ্রাম ওয়াসার ২৩ প্রকৌশলী ও ৯ কর্মচারীর। অথচ ওয়াসার ৭৭তম বোর্ড সভায় তাদের চাকরি আত্মীকরণের যথাবিধি প্রক্রিয়া সম্পাদনা করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল।
অভিযোগ আছে, প্রকল্পে বর্তমানে কর্মরতদের ওয়াসার হিসাব শাখায় বেতন-ভাতা ফেরতের অঙ্গীকারনামা প্রদান সাপেক্ষে তাদের বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে হচ্ছে। এ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে কর্মরতরা জানান।
কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প ফেজ-২ এর প্রকৌশলী ও কর্মরতরা বলেন, আমরা প্রকল্পের শুরু থেকেই কাজ করে আসছি। ফলে প্রকল্পে কর্মরত সবাই অভিজ্ঞ। এ কারণে ২০২২ সালে ওয়াসার এক বোর্ড সভায় সিদ্ধান্তে, প্রকল্পে কর্মরতরা অভিজ্ঞ হওয়ায় প্রকল্প সমাপ্তির পর তাদেরকে চাকরি আত্মীকরণের সুপারিশ করা হয়। কিন্তু প্রায় তিনবছর হলেও এখনও আমাদের ওয়াসায় আত্মীকরণ করা হয়নি। এ কারণে আমরা চাকরি ও জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছি। শীঘ্রই সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আমরা কর্মবিরতি ঘোষণা করব। কর্মবিরতি পালন করলে শহরে পানি উৎপাদন, সরবরাহ ও বিতরণ বন্ধের শঙ্কা আছে। অথচ এর আগে ২০১৭ সালে কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প ফেজ-১ কাজ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চট্টগ্রাম ওয়াসায় নিয়মিতকরণ করা হয়েছিল।
জানতে চাইলে ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, প্রকল্প শেষ হওয়ার পর কর্মরতদের ওয়াসা থেকে বেতন ভাতা দেওয়ার একটি বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত মতে, তাদের ওয়াসা থেকে বেতন-ভাতা দেয়া হচ্ছে। তবে এখনও তাদের ওয়াসায় নিয়মিতকরণ হয়নি। তাই বিষয়টি এখনও আগের পর্যায়ে আছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় হয়তো এটি সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমানে কর্মরত প্রকৌশলী ও কর্মচারীরা খুবই অভিজ্ঞ। তারা প্রকল্পটি চালু রেখেছেন। তাই হয়তো তাদের বিষয়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ