আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রাবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে উপাচার্য স্যার বলেন,
দুটি বিভাগের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা আমরা দেখলাম তা আমাকে লজ্জিত ও ব্যথিত করেছে। তবে এই লজ্জার বড় দায়ভার যাদের, তাদের ভেতর অনুশোচনা বা লজ্জার তেমন কোন লক্ষণ দেখতে পাই নি। এটা আরেক লজ্জা।

ছাত্রছাত্রীদের মূল কাজ পড়াশোনা। জ্ঞান অর্জন। নিজেদের তৈরি করা। এখানে পড়াশোনার সাথে এক্সট্রা-কারিকুলার, কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি খুব প্রয়োজনীয়। আমি এক্সট্রা-কারিকুলার এবং কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি বিশেষভাবে উৎসাহিত করতে চাই। অশ্লীল কথাবার্তা এবং লাঠিসোটা ব্যবহারে দক্ষ ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মানায় না।

একেবারে শুরু থেকেই আমার একটা পলিসি ছিল। সবাইকে সাথে নিয়ে, একসাথে সামনে এগোনো। এর ফলে কাজের গতি কিছুটা ধীর হলেও, আমি মনে করি, এটাই সবচেয়ে ভালো উপায়। এই আড়াই মাসের অভিজ্ঞতায় মনে হচ্ছে, এই স্পিরিট পুরোপুরি কাজ করছে না। এর প্রধান কারণ, বিভিন্ন ইন্টারেস্ট গ্রুপ। এদের ফোকাস শুধুমাত্র নিজেদের নিয়ে। নিজেদের কথাটাই সবচেয়ে বড়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ একটা গৌণ বিষয়। এটা দুঃখজনক।

যাই হোক, খেলাধুলার বিষয়ে ফিরে আসি। যে দুটি বিভাগীয় দল নিয়ে সমস্যার সুত্রপাত, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব ছাত্র সহিংসতায় এবং ভাঙচুরে অংশ নিয়েছে, তাদের আইডেন্টিফাই করার কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কিছুদিনের জন্য ফুটবল টুর্নামেন্ট বন্ধ থাকবে। এটা সাময়িক। বাকি খেলাগুলো শিগ্রি শুরু হবে। তবে খেলা পরিচালনায় কিছু পরিবর্তন আসবে। আমি কিছু পদক্ষেপের কথা ভাবছি।

১। খেলাধুলা বন্ধুত্ব এবং বিনোদনের জন্য। সেই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য যে ধরণের শিক্ষা ও মানসিকতা প্রয়োজন সেখানে ঘাটতি আছে। বাকি খেলাগুলোতে দুটি দলের সমর্থকরা উত্তর এবং দক্ষিন গ্যালারিতে অবস্থান করবে।

২। প্রত্যেকটি খেলায়, প্রত্যেক গ্যালারির জন্য দুজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্য থাকবেন। তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দুজন শিক্ষক থাকবেন। অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিন গ্যালারির জন্য মোট আটজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক। খেলা শুরুর আগে অফিসিয়ালি তাদের এই দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। বিশৃঙ্খলার সম্ভাবনা থাকলে খেলা বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা তাদের থাকবে।

৩। খেলা শেষে কোন দলের খেলোয়াড় বা সমর্থকরা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনে জটলা করতে পারবে না।

৪। দুই দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা পৃথক সময়ে স্টেডিয়াম ত্যাগ করবে। এর ক্রম কী হবে, সেটা দায়িত্বপ্রাপ্ত আটজন শিক্ষক মিলে ঠিক করবেন।

একটা সভ্য সমাজে এই সব নিয়ম কানুনের কোন প্রয়োজন হয় না। সবাই মিলেমিশেই খেলা উপভগ করতে পারে। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা সেই পর্যায়ে এসেছি, তার প্রমাণ আমরা রাখতে পারছি না। আশা করি একদিন এই সমস্ত নিয়ম কানুনের আর প্রয়োজন হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ