আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চান্দগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফ খানের স্মরণ সভায় – ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রামে রাস্তার নিচে যাবে তারের জঞ্জাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে পরিচ্ছন্ন ভাব আনতে মাথার ওপর থেকে তারের জঞ্জাল সরানো হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, মাথার ওপর ঝুলে থাকা বিভিন্ন তারের জঞ্জাল সরিয়ে রাস্তার নিচে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। যাতে একটা পরিচ্ছন্নতা ভাব আসে।

তিনি বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর উত্তর চান্দগাঁও চৌধুরী পাড়া এলাকায় শরীফ খান স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে চান্দগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মরহুম শরীফ উদ্দিন খানের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শরীফ খান স্মৃতি সংসদের সভাপতি ইফতেখার হোসেন খান আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আফছারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান।

শরীফের খানের স্মরণে বাড়ির রাস্তা তাঁর নামে করা হবে জানিয়ে চসিক মেয়র বলেন, শরীফ খানের স্মরণে তাঁর বাড়ির রাস্তা ‘শরীফ খান রোড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কারণ তাঁর একটা স্মৃতি থাকা উচিত। এসব তৃণমূল নেতাকর্মীর অনেক অবদান আছে। বিগত ১৮ বছর নেতা কর্মীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছে, মামলা খেয়েছে, জেল নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

চসিকের সকল পরিচ্ছন্নকর্মীদের মনিটরিংয়ের কথা জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রতিটি পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদের আমি হাজিরা নিচ্ছি। তাদের সরব উপস্থিতি আছে কিনা, তারা আপনাদের সার্ভিস দিচ্ছে কিনা, কারণ তারা তো টাকা নিচ্ছে। যেহেতু টাকা নিচ্ছে তারা আপনাদের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং মশা মারার যে স্প্রে সে কাজগুলো তারা করছে কিনা, এই মনিটরিংটা আপনাদের করতে হবে। এসব মনিটরিং না হলে তারা ফাঁকিবাজি করবে।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু গত সরকারের আমলে অনেককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পেয়েছে। তাই তারা হয়তো বা কাজ নাও করতে পারে। এজন্য প্রত্যেকটি জায়গায় জনগণের সামনে তাদের দাঁড় করাচ্ছি। যাতে জনগণ বলে, পরিচ্ছন্নকর্মীরা কাজ করছে অথবা কাজ করছে না। আর কাজ না করার অভিযোগ পেলে আমি পরিবর্তন করে দিচ্ছি। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আপনারা আমাকে এ সহযোগিতা করবেন।

বর্জ্য অপসারণ প্রকল্পের কথা জানিয়েছে মেয়র বলেন, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি আমার সঙ্গে দেখা করেছে একটি বর্জ্য অপসারণ প্রকল্পের জন্য। এ বর্জ্য রিসাইক্লিং প্রসেসে জৈব স্যার, বায়ু গ্যাস অথবা বিদ্যুৎ হবে। এ ধরনের কিছু প্রজেক্ট আমরা হাতে নিচ্ছি, এক দুই বছর সময় লাগবে। কিন্তু একটা পার্মানেন্ট সলিউশন হবে। ওই ময়লা একটা সম্পদে পরিণত হবে। যেখানে ময়লা থাকবে সেখান থেকে কুড়িয়ে ওই জায়গায় নেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, শরীফ খানের অকাল মৃত্যু ছিল আমাদের জন্য ভীষণ কষ্টের। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন ত্যাগী ও নিবেদিত প্রাণ নেতা। বৃহত্তর চান্দগাঁও এলাকায় দলকে সুসংগঠিত করতে শরীফ খান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তিনি গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার একদফার আন্দোলনে সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন। শরীফ খান ছিলেন দল অন্তঃ প্রাণ নেতা। চট্টগ্রামে বিএনপির রাজনীতিতে শরীফ খান চিরস্বরণীয় হয়ে থাকবেন।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলম, নাজিম উদ্দীন আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, চান্দগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সি. সহ সভাপতি ইদ্রিছ মিয়া। বক্তব্য রাখেন শরীফ খান স্মৃতি সংসদের সহ সভাপতি এসকান্দর চৌধুরী, মাসুদ পারভেজ চৌধুরী, আলমগীর চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক কফিল উদ্দিন চৌধুরী শুক্কুর, জসীম চৌধুরী, আজম চৌধুরী মানিক, বিএনপি নেতা চালামত আলী, মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি ম হামিদ, সহ সাধারণ সম্পাদক জমির আহমদ মানিক, চান্দগাঁও থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক গোলজার হোসেন প্রমূখ।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ