রাবিতে আওয়ামীপন্থি সহকারী প্রক্টর নিয়োগ, বাতিলে আল্টিমেটাম মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা, আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’ আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’ মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’ অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’ উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগরাবিতে আওয়ামীপন্থি সহকারী প্রক্টর নিয়োগ, বাতিলে আল্টিমেটাম মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা, আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’ আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’ মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’ অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’ উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার। পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা,

আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার।

তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’

প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’

আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’

মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’

অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’

উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৩৫ যুবককে ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দিলো ৫৩ বিজিবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর উদ্যোগে ‘ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাংগা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে চরবাগডাংগা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৫ জন যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জীবনমানের উন্নয়নে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার বেকার যুবকেরা প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। এর ফলে তারা আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে সুন্দর ও নিরাপদ জীবন গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।
ভবিষ্যতেও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫৩ বিজিবির এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ, চরবাগডাংগা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, চরবাগডাংগা বিওপি কমান্ডারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় এক ছাত্রীর বিষ পানে আত্মহত্যা 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে ইংরেজিতে অকৃতকার্য হওয়ায় বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছেন এক শিক্ষার্থী। 

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর আত্নহত্যা করে ওই শিক্ষার্থী। নিহত ছাত্রী শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের পুরাতন উনিশবিঘী গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে হালিমা খাতুন তরিকা (১৬) সে চাকপাড়া আদর্শ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো।

নিহত শিক্ষার্থীর স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসএসসির ফলাফল প্রকাশ হলে হতাশ হয়ে পড়েন হালিমা খাতুন। সবগুলো বিষয়ে পাশ করলেও অকৃতকার্য হন ইংরেজিতে। আক্ষেপ থেকেই বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেলে গুরুতর আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরিনা ইসলাম  বলেন, ২টা ৪০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ওই মেয়েটিকে। তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল বলে জানান ডা. শাহরিনা খাতুন।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, এসএসসির ফলাফলে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় বিষ পানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা শেষে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ